ভারতবর্ষ ও নরেন্দ্র মোদীর ব্যাপারে যা বললেন ট্রাম্প

বেশ কিছু দিন ধরে ভারতের সঙ্গে আমেরিকার কথপোকথন চলছিল। তারই মধ্যে ট্রাম্প ভারতকে হুঁশিয়ারির ছলে চেয়ে বসেন হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইণ। কিন্তু হঠাৎ আমেরিকার রাষ্ট্রপতিকে ভারতের কাছে এই ঔষধ চাইতে হল কেন?

আসলে করোনা ভাইরাসের জেরে সমগ্র বিশ্ব এখন মৃত্যুলীলার এক ভয়াবহ রূপ দেখতে পাচ্ছে। কোনো ঔষধই কাজ করছে না। বাঁচাতে পারছে না বহু মানুষের জীবন। এই অবস্থাতে ভারতের স্বাস্থ্য বিভাগ ম্যালেরিয়া রোগের ওষুধ হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইণ ব্যবহারের কথা জানায়। তখন ভারতে কয়েকশো মানুষ করোনায় আক্রান্ত ছিল। সেই অবস্থাতে ভারতের সরকার ঠিক করে যে এই হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইণ দেশের বাইরে আর রপ্তানি করবে না।

বিভিন্ন দেশের ডাক্তার ও বিজ্ঞানীরা পরিক্ষা-নীরিক্ষার মাধ্যমে দেখেন যে ম্যালেরিয়ার ওষুধ হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইণ সব থেকে বেশি কার্যকরী করোনা ভাইরাসের মোকাবেলায়। তাই ভারতের সাথে সাথে বাকি দেশগুলিও এই ঔষধ ব্যবহারের কথা বলে। ফলে রাতারাতি এই ওষুধের চাহিদাও বেড়ে যায়।

মার্কিন রাষ্ট্রপতি ভারতের কাছেই চেয়ে বসলেন হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইণ। কিন্তু ভারতই কেন? আসলে এই হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইণ উৎপাদনে বিশ্বে ভারতের স্থান প্রথম। বিশ্বের নিরিখে ভারত ৭০ শতাংশ হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইণ উৎপাদন করে। সেই হিসাবে ট্রাম্প ভারতের কাছে এই ঔষধের আবেদন করে।

সেই কথা মতো প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিভিন্ন আলোচনার পর এই ঔষধ আবার রপ্তানি করার সিন্ধান্ত নেন। সাথে যথাসাদ্ধ পরিমান ওষুধ আমেরিকায় পাঠায়। আর সেই কারনে মার্কিন রাষ্ট্রপতি ভারত ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসায় পঞ্চোমুখ। মার্কিন রাষ্ট্রপতি বলেন,

“অসাধারণ সময়ে বন্ধুদের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা প্রয়োজন। HCQ- এর সিদ্ধান্তের জন্য ভারত এবং ভারতীয় জনগণকে ধন্যবাদ। এ ভুলে যাবে না! এই লড়াইয়ে কেবল ভারতকে নয়, মানবতার পক্ষে সহায়তা করার জন্য, আপনার নেতৃত্বের জন্য প্রধানমন্ত্রী আপনাকে ধন্যবাদ!” এই বলে ট্রাম্প টুইটারে টুইট করেন।

Leave a Reply