আমফানঃ প্রধানমন্ত্রী বিমান সমীক্ষার জন্য যাত্রা করলেন পশ্চিমবঙ্গের উদ্দেশ্যে

Narendra Modi

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শুক্রবার দিন রওনা হলেন বাংলার উদ্দেশ্যে। বিমানে চালাবেন আমফানের ফলে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকের পরিদর্শন। দিনের শেষে যাবেন ওড়িশা সফরে। বিমানের সাহায্যে পরিদর্শনের পাশাপাশি তিনি মিটিং করবেন। যেখানে আলোচনা হবে পরবর্তী পদক্ষেপগুলির উপর। কিভাবে এই ক্ষতির থেকে আবার মানুষকে পুনরুদ্ধার করা যায় সেটাই হতে চলেছে মিটিং এর মূল উদ্দেশ্য।

আরও পড়ুনঃ ভারতে ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত হল ৫,৬১১ জন; মোট আক্রান্ত ১,০৬,৭৫০ জন

এর আগে প্রধানমন্ত্রী সফরে গিয়ে ছিলেন প্রয়াগরাজ ও চিত্রকুট। সেটি ছিল ফেব্রুয়ারি মাসের ২৯ তারিখে। তারপর ৮৩ দিনের পর এবার বাংলার সফরে আসছেন তিনি।

আমফান বড়ই ভয়ঙ্কর রুপ ধারন করে আছড়ে পড়েছে বাংলার দিঘা, হাতিয়া এর উপর যেখানে ঝড়ের গতিবেগ ছিল ১৫৫ থেকে ১৬৫ কিলোমিটার।

আরও পড়ুনঃ চতুর্থ লকডাউনে কোন কোন ক্ষেত্রে ছাড় দিলেন মুখ্যমন্ত্রী, জেনে নিন

আগামী ১২ ঘন্টায় শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় রুপ ‘আমফান’ রাজ্যে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

amphan in west bengal

আগামী ১২ ঘন্টার মধ্যে এক অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় রূপে আমফান আছড়ে পড়বে বাংলার উপর। এখন আমফানের অবস্থান দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরের মধ্যভাগে। আর কিছু সময়ের মধ্যেই বাংলায় ঢুকে পড়বে এই আমফান, এমনটাই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, এই আমফান ২০ তারিখ সন্ধ্যে বেলার দিকে এক অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের সমুদ্র উপকূল সংলগ্ন এলাকাগুলিতে আছড়ে পরার সম্ভবনা রয়েছে। তবে ১৯ তারিখ উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি এবং কলকাতা ও পার্শবর্তী এলাকাগুলিতে মাঝারি বৃষ্টি ও কিছু জায়গাগুলিতে ভারী বৃষ্টিরে সম্ভবনা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ করোনার প্রকোপ এবার রাষ্ট্রপতি ভবনেও

আপাত দৃষ্টিতে এর আগেও বিভিন্ন ঘূর্ণিঝড় এই বাংলার বুকে এসেছে। তবে এই ঘড়ের গতিবেগ থাকবে প্রায় ১২০ থেকে ১৪০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা। এই গতিবেগ সর্বচ্চ ১৫৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। তাই মৎস্যজীবিদের ১৮ তারিখ থেকে মৎস্যশিকার করতে যাওয়াতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ এক দেশ এক শিক্ষা ব্যবস্থার উপস্থাপনার কথা জানালেন অর্থমন্ত্রী

পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরাতে ট্রেনের আবেদন না করায়, মমতাকে চিঠি অমিত শাহের

Amit Sha and Mamata Banerjee

কলকাতাঃ বাইরে আটকে থাকা শ্রমিকদের রাজ্যে ফেরাতে কোনো রকম উদ্যোগ নিচ্ছে না পশ্চিমবঙ্গ সরকার! তাদের কথা ভেবে ট্রেনের জন্য আবেদন করছে না! এমনই কথা জানিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি পাঠালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। জানা গেছে, তিনি চিঠিতে লিখেছেন, কেন্দ্রীয় সরকার দুই লক্ষেরও বেশি অভিবাসীকে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার জন্য সহায়তা করেছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে অভিবাসীরাও বাড়িতে পৌঁছে যাওয়ার জন্য আগ্রহী। কেন্দ্রীয় সরকার সুবিধা দিচ্ছে তবে আমরা পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রত্যাশিত সমর্থন পাচ্ছি না। তিনি আরও বলেন, এটি পশ্চিমবঙ্গ অভিবাসী শ্রমিকদের সাথে অবিচার। এটি তাদের জন্য আরও কষ্ট সৃষ্টি করবে।

আরও পড়ুনঃ দেশে দ্রুত হারে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, আক্রান্ত ৬০ হাজারের কাছে

করোনা ভাইরাসের শুরু থেকেই রাজ্য সরকার ও কেন্দ্র সরকারের মধ্যে সংঘাত চলছে। এমনিতেই দেশের অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে মৃতের হার তুলনামূলকভাবে বেশি। বার বার অভিযোগ উঠেছে বাংলার একাধিক জায়গায় লকডাউন ঠিক মতো পালন করা হচ্ছে না। ফলে রাজ্য ঘুরে দেখেছে কেন্দ্রীয় দল। তার পরেই এই রকম এক অভিযোগের কথা তুলে ধরল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

গত সপ্তাহ থেকেই রাজ্যে বিভিন্ন জায়গাতে রেশন ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে রাজ্য সরকারকেই। তার মাঝে উঠে এল আর এক আভিযোগ।

আরও পড়ুনঃ মেদ নিয়ে সমস্যায় ভুগছেন, সমাধান আপনার হাতের মুঠোয়

রাজ্যে করোনার তাণ্ডব! লাফিয়ে বাড়লো মৃতের সংখ্যা

coronavirus-spread-in-west-bengal-badly-133-people-dead

রাজ্যে করোনা খুব একটা দয়া দেখাচ্ছেনা তা স্পষ্ট হয়ে গেল। প্রথম থেকেই গোটা দেশে লকডাউন ডেকে স্তব্ধ করা হয়েছিল মানুষের জীবনযাত্রা। কেন্দ্র থেকে লকডাউন আরম্ভ হওয়ার আগেই রাজ্যে লকডাউন ডাকা হয়েছিল। এই করোনাকে প্রতিরোধ করার এক মাত্র উপায় লকডাউন। সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকলেই করোনা এক ব্যাক্তি থেকে অন্য ব্যাক্তির দেহে যেতে পারবেনা। করোনা বিভিন্ন উপায়ে ছড়িয়ে পড়ে। তাই লকডাউকেই বেছে নেওয়া হয়েছিল।

কলকাতা তথা গোটা বাংলার মানুষকে সুরক্ষিত রাখতে রাজ্য সরকার বিভিন্নভাবে প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। মানুষকে সতর্ক করার জন্য মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতার রাস্তায় মাইকিং পর্যন্ত করেছেন। অকারনে মানুষ যাতে বাড়ির বাইরে যেতে না পারে তার জন্য ড্রোনের সাহায্যেও চলেছে কড়া নিজরদারি।

আরও পড়ুনঃ দেশে হাজির আফ্রিকান সোয়াইন ফিভার! করোনার মধ্যেই নতুন বিপদ

কিন্তু সব কিছুই যেন আজ আর কাজ করছে না। সবকিছুকে উপেক্ষা করে করোনা একের পর এক মানুষকে আক্রান্ত করে চলেছে। দেখতে দেখতে রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এক লাফে বেড়ে দাঁড়ালো ১,২৫৯। আর তার সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে মৃতের সংখ্যা, ১৩৩ জন। এর সাথে মানুষও সুস্থ্য হয়ে উঠছে। মোট ২১৮ জন মানুষ করোনা মুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে।

এই সংখ্যা যে আরও ভালো রকমভাবে বাড়তে চলেছে সে ভালো মতো বোঝা যাচ্ছে। সবথেকে বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে কলকাতার মধ্যেই। দেশের মধ্যে সবথেকে বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে মহারাষ্ট্রে। সেখানে মোট করোনা রোগী ১৪,৫৪১ জন, মারাগেছে ৫৮৩ জন।

আরও পড়ুনঃ জেনে নিন তৃতীয় লকডাউনে কি করতে পারবেন আর কি পারবেন না

এবার সাগর দত্ত হাসপাতালে করোনার ছায়া, ১৭ জন চিকিৎসক সহ ৩৬ কোয়রান্টিনে

college of medical and sagore dutta hospital

এ বার করোনার ছায়া সাগর দত্ত হাসপাতালে। দুই জন স্বাস্থ্যকর্মীর দেহে মিলেছে করোন। ফলে সেই দুই জনের সংস্পর্শে আশা ৩৬ জন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীকে কোয়রান্টিনে পাঠালো হল।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মেডিসিন বিভাগের দুই কর্মীর জ্বর ও কাশি শুরু হয়। ফলে টেস্ট করাতে রিপোর্টে করোনা পজিটিভ আসে। সেই দুই জন সম্পর্কে ভাই ও বোন। একই বাড়িতে থাকার ফলে দুই জনের হয়ে যায়।

আরও পড়ুনঃ আপনার বাড়ি কোন জোনে! রেড, অরেঞ্জ না গ্রিন

মেডিসিন বিভাগের এই দুই কর্মীর সংস্পর্শে অনেকেই এসেছিলেন। আর তাদের সংস্পর্শে এসেছিল হাসপাতালের সুপার। তাই সংস্পর্শে আসা ৩৬ জন মানুষদের সাথে হাসপাতাল সুপার পলাশ দাসকেও কোয়রান্টিনে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বৃহস্পতিবার। এই কোয়রান্টিনে পাঠানো ৩৬ জনের মধ্যে ১৭ জন চিকিৎসক ছিল। আর যে দুই জন করোনায় আক্রান্ত তাদের শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনক নয় বলেই তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ নাসার তৈরি ভেন্টিলেটর লড়বে করোনার বিরুদ্ধে

টিকিয়াপাড়ার ঘটনায় রাতারাতি পরিবর্তন পুর কমিশনার

Tikiapara Howrah

কলকাতাঃ টিকিয়াপাড়ার ঘটনায় পদক্ষেন নিল রাজ্য সরকার। ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যেই এক বড় সিন্ধান্ত গ্রহন করে অপসারণ করা হল হাওড়ার পুর-কমিশনার। সেই পদে নিযুক্ত ছিল বিজন কৃষ্ণ, পরিবর্তে নিযুক্ত করা হল ধবল জৈনকে।

মঙ্গলবার দুপুরের দিক করে হাওড়ার টিকিয়াপাড়ার বেলিয়ালিস রোডে পুলিশ টহল দিতে দিতে পৌঁছে যায়। সেখানে লকডাউন পরিস্থিতি দেখতে গিয়ে ছিল এক দল পুলিশ। কিন্তু সেখানে উত্তপ্ত জনতার সামনে গিয়ে পড়ে তাঁরা। অবাধে মানুষ ঘোরাঘুরি করছিল, মুখে মাস্ক ছিলনা তাদের। তাদেরকে আটকাতে গেলে পুলিশকেই ধরে মরধর শুরু করে সেখানের জনতা। মুহুর্তের মধ্যেই পরিস্থিতি বদলে হয়ে ওঠে রণক্ষেত্র। সেখানের পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হয় র‍্যাফ। পিছপা হতে নারাজ জনতা ফলে শুরু করে ইটবৃষ্টি। এই ঘটনের তিব্র নিন্দা আশে বিভিন্ন মহল থেকে। ফলে রাতেই সেই অঞ্চলে নামানো হয় বড় বাহিনী।

আরও পড়ুনঃ এই ১৫টি শহরের সঙ্গে জড়িয়ে করোনার সাথে লড়াইয়ে ভারত জিতবে কিনা!

এই ঘটনার ফলে নবান্নে চলে পদ বদলের প্রস্তুতি। আর তাই নঙ্গলবার রাতের মধ্যেই পরিবর্তিত হন পুর কমশনার বিজন কৃষ্ণ।

আরও পড়ুনঃ করোনায় দ্বিতীয় চিকিৎসকের মৃত্যু রাজ্যে, সংশয়ে চিকিৎসা মহল

করোনায় দ্বিতীয় চিকিৎসকের মৃত্যু রাজ্যে, সংশয়ে চিকিৎসা মহল

3525-corona-affected-in-the-country-in-24-hours-and-death-toll-is-122

কলকাতাঃ রাজ্যে দ্বিতীয় করোনা রোগ গ্রস্থ্য চিকিৎসকের মৃত্যু হল। এই চিকিৎসক বালিগঞ্জের বন্ডেল রোডের বাসিন্দা। তিনি ছিলেন একজন খ্যাত অর্থোপেডিক সার্জন ডাঃ শিশির মন্ডল। তিনি বেলভিউ হাসপাতালের সাথে দীর্ঘদিন যুক্ত ছিলেন। এই চিকিৎসক ১৪ এপ্রিল করোনা নিয়ে সল্টলেক আমরি হাসপাতালে ভর্তি হন। মৃত্যুকালে বয়স হয়ে ছিল ৬৯ বছর। ১৭ এপ্রিল থেকে শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। প্রচন্ড শ্বাসকষ্ট শুরু হওয়াতে ভেন্টিলেশন হিতে হয়ে ছিল শিশির মণ্ডলকে। সোমবার রাত ৯ টা ১৫ মিনিট নাগাদ করোনার কাছে হার মেনে মৃত্যুবরন করেন এই চিকিৎসক।

আরও পড়ুনঃ করোনা ভ্যাকসিনের উৎপাদন শুরু হতে চলেছে শিগগিরি

রাজ্যে বেশ কয়েকদিন ধরে চিকিৎসা কর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছে করোনা ভাইরাসে। কাউকেই মানছে না এই করোনা ভাইরাস। রাজ্যে প্রথম করোনা আক্রান্ত হয়ে ছিল আলিপুর কমান্ড হাস্পাতালের এক চিকিৎসক। তার কিছু দিন পর স্ত্রী, পুত্র ও কন্যাও আক্রান্ত হন। তার পর হাওড়া জেলা হাসপাতালের সুপার আক্রান্ত হন কোভিড-১৯ এ।

রাজ্যে চিকিৎসকের মৃত্যুমে ভেঙে পড়েছে গোটা চিকিৎসা মহল। মুক্ষ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও শোকাহত হন। তাই সোমবার রাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসকরা ১ মিনিটের নীরবতা পালন করে চিকিৎসকের মৃত্যুতে সমবেদনা প্রকাশ করে।

আরও পড়ুনঃ বাড়িতে বসেই কীভাবে মাস্ক বানাবেন, দেখে নিন

কলকাতায় আগামী সাত দিন বৃষ্টির সম্ভবনা

today weather in kolkata

গতকাল থেকে শুরু হওয়া ঝড়, বর্জ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি সহজে থামবে না বলেই জানা যাচ্ছে। আগামী সাত দিন ধরে এই ভাবে বৃষ্টি চলতে থাকবে। তবে সব দিন বর্জ্রবিদ্যুৎ বা ঝড়ের সম্ভবনা না থাকলেও বৃষ্টির সম্ভবনা রয়েছে। কলকাতা সহ সমগ্র রাজ্য জুড়ে রয়েছে সেই সম্ভবনা। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গাতে রয়েছে ভারী বৃষ্টির সম্ভবনা।

করোনা ভাইরাসের কারনে এমনিতেই মানুষের মধ্যে এক ভয়ের উন্মেষ জন্মেছে। তার মধ্যেই নিন্মচাপের কারনে শুরু হয়েছে বৃষ্টি।

আরও পড়ুনঃ হৃষিকেশের গুহায় পাওয়া গেল ছয় বিদেশি পর্যটককে

সোমবার মধ্য রাতে শীলা বৃষ্টি হওয়ার ফলে আম চাষীদের ক্ষতি হয়ে গেছে। শীলা বৃষ্টির ফলে আম ঝরে যায়। উৎপাদনে পরিমান কমে যায়।

দেশে করোনায় আক্রান্ত ১৭ হাজারের বেশি

coronavirus India

ভারতের মধ্যে বেশ কিছু জায়গার নাম উঠে এসেছে যেখানে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা সব থেকে বেশি। সেই তালিকাতে রয়েছে মহারাষ্ট্র, দিল্লি, গুজরাত, মধ্য প্রদেশ, রাজস্থান, তামিল নাডু, উত্তর প্রদেশ -এর নাম।

আবার মৃতের তালিকা দেখলে উঠে এসেছে মহারাষ্ট্র, দিল্লি, গুজতার,মধ্য প্রদেশ -এর নাম যেখানে সব থেকে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সমগ্র দেশে মোট করোনায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ১৭,২৬৫। তার মধ্যে ২,৫৪৭ জন মানুষ সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছে ও ৫৪৩ জন মানুষ মারা গেছে।

আরও পড়ুনঃ লকডাউনে এই সেক্টরগুলিতে কাজ চালুর নির্দেশ দিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

সবথেকে বেশি করোনায় আক্রান্ত মহারাষ্ট্রে, ৪,২০৩ জন ও মারা গিয়েছে ২২৩ জন।

পশ্চিমবঙ্গে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৩৯ জনে। তার মধ্যে ৬৬ জন সুস্থ্য ও ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ কড়া নজরদারি চলবে হটস্পট এলাকায় জানালেন প্রধানমন্ত্রী

রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত ১১৬ চিহ্নিত করোনার হটস্পট

coronavirus cases in west bengal

দেখতে দেখতে সংখ্যাটা যে বেড়ে দাঁড়াল ১১৬। রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে বাড়ছে মৃতের সংখ্যাটাও। গোটা রাজ্যে মৃতের সংখ্যা ৫। এখনও পর্যন্ত সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরে যাওয়া মানুষের সংখ্যা হল ১৬। আর এই সংখ্যাটাকে কোনো ভাবেই থামানো যাচ্ছে না। করোনা সংক্রমনের হাত থেকে বাঁচার একটাই পথ বাড়ির বাইরে না যাওয়া। তাই উপস্থিত অবস্থার কথা ভেবে লকডাউনের সময়সীমা বাড়ানোর কথাবার্তা চলছে কেন্দ্রীয় দফতরে। সেই আলোচনার ফলাফলের উপর নির্ভর করছে আগামী দিনের ভারত।

এই অবস্থাতে বেশ কিছু জায়গার নাম উঠে আসছে যেগুলি করোনা ভাইরাসের হটস্পট বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই স্থানগুলিতে বেশ কড়া নজরদারী চালানো হচ্ছে। সেই স্থানগুলি হল উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়ার শিবপুর, বেলঘড়িয়া, বড়বাজার, ভবানিপুর ইত্যাদি। এই স্থানগুলিতে যাতে আর না ছড়িয়ে পড়ে সেই কথা ভেবেই কড়া ভাবে লকডাউন পালনের দিকে জোর দিয়েছে রাজ্য সরকার।