শুধুমাত্র গরম জলেই ১২ কেজি পর্যন্তও ওজোন কমান!

weight loss tips

শুধুমাত্র জলেই যে ওজোন কমানো যায় এটাও প্রমানিত। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যখনই জল তেষ্টা পাবে উষ্ণ গরম জল পান করলে ১২ কেজি পর্যন্ত ওজোন কমে যায়, এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যেই। জলে ওজোন কমাতে গেলে যখনই তেষ্টা পাবে উষ্ণ গরম জল পান করুন।

আমাদের শরীরে ঠান্ডা ও গরম দুই জলের প্রভাব আলাদা। গরমে অনেকেই ফ্রিজের ঠান্ডা জল খেয়ে নেন। এটা অত্যন্ত ক্ষতিকর। চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বলছেন যে, ঠান্ডা জল আসলে হজমশক্তি কমায়। এর ফলে বদহজমের জেরে শরীরে মেদ জমতে থাকে দ্রুত। তাই হয় স্বাভাবিক তাপমাত্রার জল খান ও ওজোন কমাতে চাইলে উষ্ণ গরম জল পান করুন।

আরও পড়ুনঃ হাঁটু ও কনুইয়ে কালচে দাগ? দূর করুন ঘরোয়া পদ্ধতিতে

গবেষণায় দেখা গেছে, খাওয়ার সময় ফ্রিজের ঠান্ডা জল খেলে খাবারে থাকা চর্বি পেটে গিয়ে কঠিন আকার ধারণ করে। তার জন্য চর্বি জমতে থাকে। উষ্ণ গরম জল খেলে শরীরে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে থাকে। কিডনি ভালো থাকে এর জন্য রক্তে অক্সিজেনের মত্রা ঠিক থাকে।

পরিপাক হরমোনগুলিকে উদ্দীপিত করে গরম জল। ফলে খাদ্যরস শোষণে সাহায্য করে গরম জল। এই কারনে রেস্তরাঁয় খাবার পর চা-কফি অফার করা হয়।

আরও পড়ুনঃ নিমপাতায় আছে এক চমৎকার ঔষধিগুন, জেনে নিন এর সঠিক ব্যবহার

মানসিক অবসাদ বা বাড়তি ওজোন, সবকিছু থেকে মুক্তি পেতে খান আমলকী

Indian gooseberry eat for lose weight

সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে খান আমলকি বা আমলকির জুস। এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তো বাড়বেই, সাথে শরীরের না না রোগ কমবে। এমনকি এতে বাড়তি ওজোন-ও কমবে।

আমলকি হজমে সাহায্য করে সেইজন্য শরীরের ফ্যাট দ্রুত বার্ন হয়। এর মধ্যে থাকা তন্তু পেট ভর্তি রাখে দীর্ঘক্ষণ। ওজোন কমাতে চাইলে সকালে উঠে খালি পেটে এক গ্লাস আমলকির জুস খান। নিয়মিত একমাস খেলে ওজোন কমতে শুরু করবে। তফাতটা আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন।

আমলকিতে থাকা অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল এজেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। টক্সিন বার করে শরীরে মেকানিজম ভালো রাখে। এই করোনা আবহে সকালে খালি পেটে চিবিয়ে আমলকি খেতে পারলে খুবই ভালো।

আরও পড়ুনঃ পেঁপে খেয়ে কীভাবে ওজোন কমাবেন জানুন

ডায়াবেটিস রোগীর জন্য আমলকির জুস খুব ভালো কাজ করে। হঠাৎ করে সুগার কমে যাওয়া প্রতিরোধ করে। ভালো রাখে এনার্জি লেভেল। এই জুস কম করে সপ্তাহে দু’দিন খান। দেখবেন নিয়ন্ত্রণে থাকবে সুগার।

আমলকি রক্ত সঞ্চালনকে সঠিক রাখতে সাহায্য করে। বৌদ্ধিক বিকাশ, স্মৃতি বৃদ্ধি, অ্যালঝাইমার্স রোধেও উপকারী এটি। এবং রক্ত সরবরাহ সঠিক থাকলে হার্টের নানা সমস্যা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়।

আরও পড়ুনঃ চুলের সব সমস্যার সমাধান করতে এবার বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন ONION HAIR OIL

ওজন কমানোর সহজ পথের নাম গাজর

Carrots eat

স্যালাড তো খান, স্যালাডে শশা, গাজর, টমেটো, পেঁয়াজ তো থাকেই, দ্রুত ওজোন কমানোর জন্য স্যালাডে বাড়িয়ে দিন গাজর-এর পরিমাণ।

অনেকটা গাজর একসাথে কুঁচিয়ে তাতে লেবুর রস ও গোলমরিচ দিয়ে খান। তবে স্বাদ বাড়ানোর জন্য স্যালাডে আবার মাখন, মেয়োনিজ বা তেল দেবেন না।

গাজর সিদ্ধ করে নিন ও স্যুপ বানিয়ে ফেলুন। এই স্যুপ-এ হালকা গোলমরিচ ও অল্প মাখন দিয়ে দুপুর বা রাতে পেট ভরান।

আরও পড়ুনঃ পেঁপে খেয়ে কীভাবে ওজোন কমাবেন জানুন

এর সঙ্গে অন্য সবজিও যোগ করতে পারেন। সাধারণ উপায়ে যেভাবে গাজরের সুজি বা হালুয়া তৈরী করেন, সেভাবে না বানিয়ে, মাখন, চিনি, বাদাম না দিয়ে হালুয়া বানান।

চিনি ছাড়া হালুয়া খেতে না ভালো লাগলে এতে নুন ও মরিচ দিয়ে ঝাল সুজির নিয়মেও তৈরী করতে পারেন হালুয়া। এতে তেল দিতে পারেন তবে একেবারেই সামান্য।

আরও পড়ুনঃ সুস্থ থাকার এক মোক্ষম উপায় রোজ বাদাম খান

পেঁপে খেয়ে কীভাবে ওজোন কমাবেন জানুন

papaya

কলকাতাঃ ফল খেলে ওজোন কমে। ফাইবার বেশি হওয়ার জন্য আপনার বেশি খাওয়ার ইচ্ছে নিয়ন্ত্রিত হয়, আর এতে স্বাস্থ্য ভালো হয়। এইরকমই একটি ফল হল পেঁপে। পাকা পেঁপে খেতে শুধু ভালো হয় তা নয়, এর পুষ্টিগুণও অনেক।

১৫২ গ্রামের পেঁপেয় ৫৯ ক্যালোরি থাকে। তার মধ্যে ৩ গ্রাম ফাইবার, ১ গ্রাম প্রোটিন এবং ১৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট থাকে। পেঁপেতে পাপাইন উৎসেচক থাকে যা ওজোন কমাতে সাহায্য করে। এই উৎসেচক প্রোটিন হজমে সাহায্য করে, এতে পেশি তৈরী হয় ও মেটাবলিক রেট বাড়ে। এছাড়া পেঁপে শরীরের জ্বালা, যন্ত্রণা কমাতে সাহায্য করে। এতে যে ফাইবার আছে তা শরীর থেকে টক্সিনকে বার করে।

আরও পড়ুনঃ সুস্থ থাকার এক মোক্ষম উপায় রোজ বাদাম খান

পেঁপে খাওয়ার আদর্শ সময় হল, সন্ধ্যেবেলা বা ব্রেকফাস্ট আর লাঞ্চের মাঝে। পেঁপে ওজোন কমাতে সাহায্য করে ঠিক কিন্তু শুধুমাত্র পেঁপের উপরেই ভরসা করবেন না। শরীরে জলের পরিমাণও ঠিক রাখতে হবে, আর কম ক্যালোরি ডায়েট খেলেই ওজোন কমে যাবে।

আরও পড়ুনঃ মেদ নিয়ে সমস্যায় ভুগছেন, সমাধান আপনার হাতের মুঠোয়