আমেরিকায় কোভিড-১৯ এর সফল পরীক্ষা, বছরের শেষেই পাওয়া যাবে ভ্যাকসিন

successful test of covid-19 in america vaccine will be available at the end of year

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লোকেদের জন্য পরীক্ষা করা প্রথম করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনটি নিরাপদ এবং ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতিক্রিয়া জাগিয়ে তুলতে সক্ষম। মার্চ মাসে শুরুতে প্রথম আট জন ব্যক্তিকে নিয়ে শুরু হয়েছিল কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিনের পরীক্ষা। তারই সফল ফলাফল পাওয়া গেছে। সেই বক্তব্য পেশ করল মোদার্না(Moderna)।

এই ব্যক্তিরা, স্বাস্থ্যকর স্বেচ্ছাসেবীরা, অ্যান্টিবডি তৈরি করেছিলেন যা তারপরে ল্যাবটিতে মানব কোষে পরীক্ষা করা হয়েছিল এবং ভাইরাসটিকে প্রতিলিপি থেকে আটকাতে সক্ষম হয়েছিল – যা একটি সফলভাবে কার্যকর ভ্যাকসিনের লক্ষণ। মোদার্না বলেছেন যে, প্রথম ধাপের সাফল্যের পর ৬০০ জনকে নিয়ে দ্বিতীয় ধাপ শিগগিরই শুরু হবে এবং ১,০০০ সুস্থ মানুষকে নিয়ে তৃতীয় পর্যায়ের পর্যবেক্ষন জুলাই মাসে শুরু হবে।

আরও পড়ুনঃ চতুর্থ লকডাউনে কোন কোন ক্ষেত্রে ছাড় দিলেন মুখ্যমন্ত্রী, জেনে নিন

ভ্যাকসিনের তিনটি ডোজ পরীক্ষা করা হয়েছিল: নিম্ন, মাঝারি এবং উচ্চ। এই প্রাথমিক ফলাফলগুলি নির্ধারন করা হয় নিম্ন ও মাঝারি ডোজগুলির পরীক্ষার উপর ভিত্তি করে। এই ডোজগুলি মানব শরীরে দেওয়ার ফলে রোগীর বাহুতে যেখানে ইনযেক্ট করা হয়েছিল সেখানে লালভাব এবং কালশিটে দাগ দেখা গিয়েছিল। তবে সর্বোচ্চ মাত্রায় ডোজ দেওয়া তিনজন রোগীর জ্বর, মাংসপেশি এবং মাথাব্যথা শুরু হয়েছিল। তবে এই সব লক্ষণগুলি একদিন পরে চলে যায়।

তবে উচ্চ ডোজটি ভবিষ্যতের পরীক্ষানিরীক্ষা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলির কারণে এতটা নয়, কারণ কম ডোজগুলি এত ভালভাবে কাজ করেছিল যে উচ্চ মাত্রার প্রয়োজন হয় না।

এই পরীক্ষাগুলি যদি ভালভাবে চলতে থাকে তবে এই বছরের শেষের দিকেই বা ২০২১ সালের প্রথম দিকে এই টিকা ব্যাপকভাবে ব্যবহারের জন্য পাওয়া যেতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ চরম শক্তিশালী হচ্ছে ঘুর্ণীঝড় আমফান, জারি হল হলুদ সতর্কতা

‘খুব শীঘ্রই চিনকে উচিত শিক্ষা দেবে আমেরিকা’ হুমকির শুরে ট্রাম্প

us-doing-investigation-against-china

ওয়াশিংটনঃ চিন থেকে প্রথম ছড়িয়ে পড়ে করোনা ভাইরাস। আজ সেই করোনা ভাইরাস বিশ্ব জুড়ে জীবন নিয়েছে প্রায় ২ লক্ষ নিরীহ মানুষের। আর গৃহবন্দী হয়ে পড়ে রয়েছে গোটা মানবসমাজ। আর এই সব কিছুর সূত্রপাত চিনের উহান শহর। সেখান থেকেই যাত্রা শুরু হয়েছিল কোভিড-১৯ এর।

চিনের প্রতি এক চাপা রাগ রয়েছে পশ্চিমের দেশ গুলির। আর তারই কারনে সম্প্রতি হোয়াইট হাউজের সাংবাদিক বৈঠকে চাপা রাগ উগড়ে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। রীতিমত কড়া নজরে রেখেছেন চিনকে। এই মহামারীতে দেশ ও দুনিয়ার কথা ভেবে ট্রাম্প বলেন, ‘করোনা ভাইরাসের জন্য চিনকে মূল্য দিতে হবে। আর চিনকে উচিৎ শিক্ষা দিতে প্রস্তুত মার্কিন প্রশাসন।’

আরও পড়ুনঃ চিনকে একঘরে করতে পরিকল্পনা আমেরিকার, চাপে চিন

জার্মানি আগেই জানিয়ে দিয়েছে যে চিনকে এই ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি করার জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। তাই নিয়ে চিনের কাছে মোটা টাকার বিলও পাঠিয়ে দিয়েছে জার্মানি প্রশাসন। সেই নিয়ে আলোচনা চলছে অন্দরমহলে সেই কথাও জানিয়ে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

চিনকে একঘরে করতে পরিকল্পনা আমেরিকার, চাপে চিন

us and china

বার বার আমেরিকা চিনকেই দোষ দিয়ে এসেছে করোনা মহামারীর জন্য। তাদের জন্যই সমগ্র বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে এই কোভিড-১৯। আর এই নিয়েই বেশ কিছু দিন ধরে আমেরিকা ও চিনের মধ্যে এক মানসিক দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়েছে। তারই জেরে আমেরিকা চিনকে এক ঘরে করতে তৎপর হয়ে উঠেছে।

করোনার কারনে আমেরিকাতে খুবই খারাপ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। আক্রন্তের সংখ্যা ১০ লাখ হতে যায়। মৃতের সংখ্যা ৫৫ হাজার পার করেছে। পৃথিবীর সব থেকে ক্ষতিগ্রস্থ্য দেশ এখন আমেরিকা। প্রতি দিন ২০ থেকে ৩০ হাজার মানুষ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে। এমত অবস্থ্যায় লক্ষ লক্ষ মানুষ চাকরি হারিয়েছে। সেই দেশে থাকা বহু ভারতীয় বেকার হয়ে পড়ছে রাতারাতি। এর ফলে দেখা দিয়েছে এক বিরাট আর্থিক মন্দা। আর এই সবের কারণ হিসাবে চিনকেই দায়ী করছে মার্কিন মুলুক।

আরও পড়ুনঃ চিনের সাথে ব্যবসায় নারাজ গোটা দুনিয়া’ এই পরিস্থিতি আশীর্বাদ স্বরূপ ভারতের কাছে

তাই বিভিন্ন পথে চিনকে সায়েস্তা করার জন্য বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ইতি মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে এই সবের জন্য চিনকে শাস্তি পেতে হবে। তাদের বক্তব্য, চিন সব কিছু জানার পর সব তথ্য গোপন করেছে বিশ্ববাসীর কাছ থেকে। বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছে গোটা মানুবজাতিকে। ২০১৯ এর শেষ মাসে চিনে করোনা ভাইরাসের ঘটনা প্রকাশ্যে আশে। কিন্তু চিন সেই ব্যপারে কোনো মুখ খোলেনি। আর এটাই চিনের সবথেকে বড় ভুল বলে জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

সূত্রের খবর, আমেরিকা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে কথা বলছে, আলোচনা করছে যে কিভাবে চিনকে জব্দ করা যায়। এই হালে মার্কিন বিদেশ সচিব পম্প জানিয়েছেন, আমরা বিভিন্ন দেশের সাথে কথা বার্তা চালাচ্ছি। যেভাবেই হোক চিনকে উপযুক্ত শিক্ষা দিতেই দিতে হবে।

আরও পড়ুনঃ দেখা দিল করোনার নতুন উপসর্গ, ডাক্তারদের নজর এখন পায়ের দিকে

আমেরিকায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যাটা ৬ লক্ষের দরজায়

coronavirus becoming 6 million people infected

পৃথিবীর সবথেকে বেশি করোনা আক্রান্তের দেখা আমেরিকায় পাওয়া যাবে। সেখানে যে পরিস্থিতি হাতের নাগালের বাইরে চলে গেছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। আমেরিকার মতো দেশে যদি ৫ লক্ষ ৪০ হাজার মানুষ আক্রান্ত হয় তবে ভারতে সেই সংখ্যাটা যে চার গুন বেশি হতে পারতো।

একটি সমিক্ষা থেকে দেখা গেছে আমেরিকাতে ১ বর্গ কিলো মিটার ৩৩ জন মানুষ বসবাস করে। আর কলকাতাতে ১ বর্গ কিমিতে প্রায় ২৪ হাজার মানুষ বসবাস করে।

ভারত সামাজিক স্তরে করোনা ভাইরাস ছড়াতে থাকলে কিছু দিনের মধ্যেই আমেরিকাকে ভারত ছাড়িয়ে যাবে। আজ দিনের শেষে আমেরিকাতে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৫.৪৪ লক্ষ আর ভারতে সেই সংখ্যা হল ১০ হাজার।

যেটা ভাবা হচ্ছিল সেটাই হল ইতালিকে ছাড়িয়ে গেল আমেরিকা

the united state of america corona cases

যে আশঙ্কাটা করা হচ্ছিল সেটাই হল আমেরিকা ইতালিকে ছাড়িয়ে গেল। এই টা কোনো ম্যাচের স্কোর বোর্ড নয়, এটা মৃত মানুষের সংখ্যান।

ইতালিতে প্রথম থেকেই মানুষের মৃতের সংখ্যা বেশি ছিল অন্য দেশের তুলনায়। আমেরিকাতে যে এই ভাবে মৃতের সংখ্যা বাড়তে থাকবে সেটাও কেউ ভাবতে পারিনি। গোটা আমেরিকা জুড়ে করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়ালো। ইতালিতে মৃতের সংখ্যা ১৯ হাজার ছাড়ালো।

আরও পড়ুনঃ এক দিনেই মৃত্যু ২,০০০ রেকর্ড ছাড়ালো আমেরিকায়

বিশ্বের বহু দেশে করোনার ফলে মৃতের সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে। মৃত্যু মিছিল কেউই থামাতে পারছে না। আমেরিকার মতো দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লাখ পার করেছে। ইতালিতে সংখ্যাটা ১.৫ লাখ। এখনও পর্যন্ত ইতালিতে মৃত্যু হার অনেক বেশি অন্য দেশের তুলনায়।

ভারতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৭,৫২৯ জন। মারা গেছে ২৪২ জন। সুস্থ্য হয়েছে প্রায় ৬৫৩ জন। এই সংখ্যাটা যাতে না বাড়ে সেই দিকে ভেবে লকডাউনের মেয়াদ ও বৃদ্ধি করে দেওয়া হল।

আরও পড়ুনঃ গরিব মানুষের প্রতিদিনের খাবার ব্যবস্থা করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

আমেরিকায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়ালো ১.৮ লক্ষ্য

The-number-of-Corona-virus-is-increasing-in-America.

সময়ের সাথে যে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা তাতে কোনো সন্দেহ নেই, তবে আমেরিকায় যে গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে এই মহামারী তা এখন চিন্তার বিষয়

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ড্রোনাল্ড ট্রাম্ফ মঙ্গলবার জানান, করোনা ভাইরাসের কারনে আগামী দু’সপ্তাহ খুবই খারাপ ও বেদনাদায়ক পরিস্থিতি হতে চলেছে দেশবাসীর জন্য। হোয়াইট হাউসের থেকে আশা তথ্য অনুযায়ী যদি এই গতিতে বাড়তে থাকে করোনা ভাইরাসের সংক্রমন তবে প্রায় ২ লক্ষ্য ৪০ হাজার আমেরিকাবাসীর মৃত্যু হতে পারে।

আরও জানুনঃ যুবক সিঙ্গারা ‘অর্ডার’ করলেন করোনা হেল্পলাইনে

বিশ্বের বহু দেশের তুলনায় আমেরিকার চিকিৎসা ব্যবস্থা বহু গুন উন্নত। তা সত্তেও এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করার মতো সামর্থ হারিয়ে ফেলছে প্রতিটি দেশ।

মার্কিন বিশেষজ্ঞরা কঠোর ভাবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে লকডাউনের কথা এখনও পর্যন্ত বলা হয়নি। কারন লকডাউন মানে অর্থনীতির ধ্বংসস্বাধন, আর আমেরিকার সরকার সেটা চাননা। তাই সামাজিক দূরত্বকেই এক মাত্র হাতিয়ার হিসেবে চিহ্নিত করেছেন তারা।

৩১ মার্চ রাত পর্যন্তই আমেরিকায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২ লক্ষ্য ৮০ হাজার ছাড়িয়ে যায়। নিউইয়ার্ক শহরের আক্রান্ত ৭৫ হাজার মানুষ। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে নিউ জেরসি। সেখানে আক্রান্ত ১৮ হাজারের বেশি মানুষ, আমেরিকা জুড়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৪ হাজার জন। এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছে ৭ হাজার জন।

দেখা গেছে প্রতিদিন আমেরিকায় আক্রান্ত হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ হাজার মানুষ। সেইভাবে প্রতিদিন মৃত্যু হচ্ছে ৮০০ থেকে হাজার মানুষ । আমেরিকা করোনা ভাইরাসের সাথে কিভাবে লড়বে সেটাই এখন দেখার বিষ

আরও জানুনঃ সলমন খানের পরিবারে নেমে এলো শোকের ছায়া।