কাশ্মীরে জঙ্গিদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর রাতভোর চললো গুলির লড়াই

Indian Soldier

শ্রীনগরঃ কাশ্মীরে রাতভোর চলল গুলির লড়াই। কাশ্মীর উপত্যকায় ব্যাপক ভাবে জঙ্গি দমন করার অভিযান শুরু করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। পুলিশ কাশ্মীরের শোপিয়ানে কিলুরা গ্রামে সংঘর্ষে ৪ জঙ্গিকে খতম করেছে। এখনও চলছে এনকাউন্টার এখনও চলছে। আর অন্যদিকে, পুলওয়ামাতে জঙ্গিদের সাথে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর রাতভর চলছে গুলির লড়াই।

আরও পড়ুনঃ পুলওয়ামা হামলাঃ জঙ্গিদের মিলিত সংগঠন

কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী এখনও পর্যন্ত ৩ জন জঙ্গিকে খতম করেছে এবং এক জঙ্গি আত্মসমর্পণ করেছে। তবে এই রকম ঘটনা কাশ্মীরের ইতিহাসে নজরবিহীন বললেই চলে।

পুলিশ জানিয়েছে যে, বিজেপি-এর পঞ্চায়েত সদস্যকে অপহরণ ও খুনের সঙ্গে যুক্ত ছিল এর মধ্যে দুই জঙ্গি। কাশ্মীরের আইজিরি বিজয় কুমারের কথায়, পঞ্চায়েত সদস্যকে খুনের সঙ্গে যুক্ত জঙ্গিকে আমরা শেষ করেছি। সেনা, পুলিশ ও সিআরপিএফ যৌথ ভাবে শুরু করেছে অপারেশন। একজন জঙ্গি আত্মসমর্পণ করেছে। আমরা তাঁকে হেফাজতে নিয়েছি জেরার জন্য।

আরও পড়ুনঃ আপনার শারীরিক ফিটনেস ঠিক আছে কতটা, বলে দেবে এই Amazon-এর Halo ব্যান্ড, জেনে নিন এর দাম

পুলওয়ামা হামলাঃ জঙ্গিদের মিলিত সংগঠন

militant

নয়াদিল্লিঃ পুলওয়ামা জঙ্গি হামলায় সাড়ে ১৩ হাজারের বেশি পাতার চার্জশিট জমা দিয়েছে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি(NIA)। পাক জঙ্গি সংগঠন জইশ ই মহম্মদ, আল কায়েদা ও তালিবান, এই তিন জঙ্গি সংগঠন একসাথে কাজ করছে, এনআইএ-র তদন্তে উঠে এসেছে এমনই। চার্জশিটে বলা হয়েছে যে, পুলওয়ামা হামলায় মূল অপরাধী উমর ফারুকের ট্রেনিং হয়েছিল আফগানিস্তানের হেলমন্দ প্রদেশে। এই আল কায়েদা ও তালিবান ক্যাম্পে প্রায় ১ হাজার পাকিস্তানি জঙ্গি প্রশিক্ষণ নিয়েছে।

চার্জশিটে বলা হয়েছে যে, জইশ ই মহম্মদ ও লস্কর ই তৈবা জঙ্গিদের আফগানিস্তান পাঠানোর দায়িত্বে রয়েছে। এই জঙ্গিরা পরামর্শদাতা, অস্ত্র প্রশিক্ষণ ও শক্তিশালী বিস্ফোরক তৈরীতে পারদর্শী।

আরও পড়ুনঃ মোবাইল পরিষেবার খরচ বাড়তে চলেছে, ইঙ্গিত দিলেন সুনীল মিত্তল

চার্জশিটে আফগানিস্তানের ক্যাম্পে উমর ফারুকের একটি ছবিও প্রকাশ করেছে এনআইএ। এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, উমর ও পুলওয়ামা কাণ্ডে আরও এক অভিযুক্ত অমর আলভি ও আরেক ব্যাক্তি, সেলফি তুলছে তিনজনে। দ্বিতীয় ছবিতে দেখা যাচ্ছে যে, একটি অত্যাধুনিক বন্দুক হাতে ছবি তুলছে উমর ফারুক। এটি আল কায়েদা ও তালিবানের মিলিত ক্যাম্পে। এইসব ছবি ও ভিডিও উমরের থেকে উদ্ধার করা মোবাইলেই পেয়েছে এনআইএ। কাশ্মীরে এনকাউন্টারে উমরের মৃত্যুর পরে মোবাইলগুলি এনআইএ নিজের হেফাজতে নেয়।

আরও পড়ুনঃ রাম মন্দির ওড়ানোর ছক, ধৃত আইসিস জঙ্গি ইউসুফ খান

রাম মন্দির ওড়ানোর ছক, ধৃত আইসিস জঙ্গি ইউসুফ খান

isis abu usuf khan

নয়াদিল্লিঃ ইসলামিক স্টেটের হয়ে মানিববোমার ভূমিকা নিতে চেয়েছিল ইউপির ইউসুফ খান। ঘরভর্তি সুইসাইড জ্যাকেট ও বোমা বানানোর সমস্ত মশলা মিলেছে। আর মিলেছে আইসিস-এর পতাকা। দিল্লিতে জঙ্গি হামলা করার এই পরিকল্পনাকারী আবু ইউসুফের বাড়িতে টহল দিয়ে এই সব জিনিস উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের এও ধারনা, অযোধ্যার রামমন্দিরে বড় হামলার পরিকল্পনাও ছিল তার। শনিবার ভোর রাতে বেশ কিছু সময় গুলি সংঘর্শের পর দিল্লি পুলিশের হাতে আশে ইউসুফ।

আবু ইউসুফ খানের বাড়ি ইউপি-এর বলরামপুরে। শনিবার খবর পাওয়া মাত্রই দিল্লি পুলিশের এই স্পেশাল দল তাঁকে ধরার জন্য তৎপর হয়ে পড়ে। শোনা যাচ্ছে এই আইসিস জঙ্গি ইউসুফের সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ রাজধানীতে বানচাল বড়সড় নাশকতার ছক, অভিযান চালায় দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল

তার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে, লিথিয়াম ব্যাটারি, মোবাইল চার্জার, বল বেয়ারিং, বোমা বানানোর যাবতীয় সরঞ্জাম। এছাড়াও পাওয়া গেছে ব্যাপক পরিমানে আইইডি বিস্ফোরক ও পিস্তল। পুলিশের এই অনুমান এই সব জিনিস কোনো একটি হামলার জন্য নয়। তা দিয়ে একাধিক হামলার ছক ছিল তার।

আরও পড়ুনঃ এবার লিপুলেখে ধীরে ধীরে সেনা বাড়াচ্ছে চিন

আবার উত্তাল শ্রীনগর, জঙ্গি হামলায় মৃত ২

Indian Army

শ্রীনগরঃ সন্ত্রাসবাদীরা জম্মু ও কাশ্মীরের নওগন বাইপাসের পুলিশ কনভয় লক্ষ করে এলো পাতারি গুলি চালাতে থাকে। এই হামলায় গুরুতর জখম হন তিন জন পুলিশ। আহত তিন পুলিশকে নিয়ে যাওয়া হয় হালপাতালে এবং চিকিৎসা শুরু হওয়ার পরই মৃত্যু হয় দুই জন পুলিশের। এই হামলাটি যেখানে হয়, সেই এলাকাটি পুরো ঘিরে ফেলা হয়েছে।

কাশ্মীরের আইজি বিজয় কুমার বলেন, এই হামলার পিছনে হাত থাকার প্রবল সম্ভবনা রয়েছে জইশ-ই-মহম্মদের। যদিও এই হামলার দায় কোনো জঙ্গি সংঘটন শিকার করে নি। এখনও খোঁজ চলছে জঙ্গিদের।

আরও পড়ুনঃ আগে ছিল বাঘ, এখন বেড়াল, করোনা সম্পর্কে কি বলছেন বিশেষজ্ঞরা

এই ঘটনার পরে বিস্তারিত বিবরন দিয়ে ট্যুইট করেছে কাশ্মীর জোন পুলিশ। স্বাধিনতা দিবসের আগে দেশজুড়ে থাকে জোরদার নিরাপত্তা। কোনোরকম অশান্তি যাতে না থাকে। তবে স্বাধিনতা দিবসের আগেই এই রকম একটা জঙ্গি হামলা বড় প্রশ্ন তুলে দেয় দেশের নিরাপত্তা ক্ষেত্রে ও এর সঙ্গে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়।

আরও পড়ুনঃ খাদান খুঁড়ে হীরা পেলেন এক মজদুর, দেখুন কী হল তারপর!

এবার জম্মু কাশ্মীরের পুলিশের ফাঁদে কুখ্যাত লস্কর জঙ্গি আকিব আহমেদ

Akib Ahmed

এক বড় সাফল্যের মুখ দেখল জম্মু-কাশ্মীরের পুলিশ। বেশ কিছু দিন ধরে হামলার ছক কষছিল এই কুখ্যাত লস্কর জঙ্গি আকিব আহমেদ। বুধবার পুলিশের ফাঁদে ধরা পড়ে এই আকিব। জানা গিয়েছে, সে ‘জানা’ পরিচিত ছিল ঘনিষ্ঠমহলে।

বুধবার সকালে গোপন সূত্র থেকে খবর আশে যে, হ্যান্ডওয়ারার এই দুষ্কৃতী বন্দিপোরা জেলায় ঘাঁটি বেঁধেছে। খবর পাওয়া মাত্রই জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ ও সিয়ারপিএফ এর নিরাপত্তারক্ষীদের একটি যৌথ বাহিনী সেই এলাকাতে গিয়ে উপস্থিত হয়।

আরও পড়নুঃ ছয় লেনের নতুন উড়ালপুল শহরে

গোটা এলাকাটিকে ৩২ নং রাইফেল, ১৩ নং রাইফেল এবং ৯২ নং ব্যাটেলিয়ানের সিয়ারপিএফ এর বড় দল সম্পুর্ন জায়গাটিকে বলয় করে ঘিরে ফেলে। তার পর আস্তে আস্তে সেই বলয় ছোট করতে শুরু করে। আর তাই শেষ পর্যন্ত এই আকিবের আর পালানোর জায়গা থাকে না। পুলিশের জালে ধরা পড়ে।

আকিবের কাছ থেকে বেশ কিছু বেআইনি অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এখন সে কি ধরনের হামলার ছক কষেছিল? কেনই বা এই কাজ? কারা এই পিছনে রয়েছে তা জানার চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুনঃ আত্মনির্ভর ভারত উদ্যোগে জোর, ১০১ সরঞ্জামে নিষেধাজ্ঞা কেন্দ্রের, ঘোষণা রাজনাথ সিং-এর

জম্মু ও কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সুরক্ষা বাহিনী ও সন্ত্রাসীদের মধ্যে মুখোমুখি লড়াই

Indian Army

জম্মু ও কাশ্মীর যেন কখনও ঠান্ডাই হয় না। প্রতি দিন সেখানে চলে গুলির লড়াই। আজ (৭ ই জুলাই) আবার জম্মু ও কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলার গুসো গ্রামে ভারতীয় সুরক্ষা বাহিনী ও সন্ত্রাসীদের মধ্যে চলছে গুলির লড়াই।

জম্মু ও কাশ্মীরের এক পুলিশ থেকে জানা যায়, ৫৩ টি RR, CRPF এর এক দল গুসো এলাকায় সন্ত্রাসীদের উপস্থিতি জানতে পারে। তার পরই সেই এলাকাতে তল্লাসি অভিজান শুরু হয়। সন্ত্রাসিদের লুকিয়ে থাকা স্থানের চার পাশে নিরাপত্তা বাহিনী উপস্থিত হলে সন্ত্রাসিরা গুলি চালাতে শুরু করে।

আরও পড়ুনঃ কুকুর উদ্ধার করতে গিয়ে খেতে হল মারধর! ভিডিওতে বর্ণনা করলেন মহিলা

তার পরে একে অপরকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে। প্রথমে নিরাপত্তা বাহিনী সন্ত্রাসীদের আত্ম সমর্পন করতে বলে কিন্তু তারা বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।

সূত্রের খবর, সেই এলাকাতে দুই থেকে তিন জন সন্ত্রাসী আটকে পড়েছে বলে ধারনা রয়েছে। গুলি চলাকালীন এক সেনা জওয়ান ও এক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ‘জলস্বপ্ন’ প্রকল্পের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

এবার বাদুড়িয়া থেকে গ্রেফতার রাজ্যের প্রথম মহিলা জঙ্গি

first female terrorist in west bengal

বহুদিন ধরেই চলছিল খোঁজ। গোয়েন্দারা বেশ তৎপর ছিলেন। অনেকবার সূত্র ধরে এগিয়েও তাঁকে ধরতে পারেনি। নিজের তালেই চলছিল সব কিছু। কলকাতার এক বিশ্ববিদ্যালয়ে আরবি ভাষা নিয়ে এমএ পড়ছিল। অবশেষে ধরা পড়ল রাজ্যের প্রথম মহিলা লস্কর জঙ্গি।

বেশ কিছু দিন ধরেই একের পর এক জঙ্গি সংগঠনের সাথে যুক্তদের গ্রফতারের খবর আসছে। গত ২৯ শে মে বাংলাদেশি সন্ত্রাসবাদী সংগঠন জামাত-উল-মুজাহিদিনের এক শীর্ষ স্থানীয় নেতাকে গ্রেফতার করেছিল কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। তার পরে গত ৮ জুন সেই সংগঠনেরই নেতা শেখ রেজাউলকে ডাঙ্কুনি থেকে গ্রেফতার করে এসটিএফ।

আরও পড়ুনঃ ফুলশয্যার রাতেই নববধূকে নৃশংস ভাবে খুন করল স্বামী

এই মহিলার নাম তানিয়া পারভিন। এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক অভিযোগ। তিনি হানি ট্রাপ করে ভারতীয় সেনা জওয়ান দের সাথে সম্পর্ক গড়ে গোপন তথ্য সংগ্রহ করত। সেই তথ্য পাচার করত নির্দিষ্ট জায়গাতে। অনেকদিন ধরে ট্র্যাক করে অবশেষে রাজ্যের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বাদুড়িয়া থেকে মিলল সফল্য। এরপর আদালতে তোলা হলে তাঁকে হেফাজতে রাখার আবেদন জানায় এনআইএ। তারই প্রেক্ষিতে ১০ দিনের হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয় আদালত।

আরও পড়ুনঃ দিনের পর দিন ধর্ষণের জেরে লকডাউনেই জঙ্গলে ঠাঁই ২ পরিযায়ী শ্রমিকের