রাজধানীতে বানচাল বড়সড় নাশকতার ছক, অভিযান চালায় দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল

migrant workers

নয়াদিল্লিঃ বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল রাজধানীতে। ধৌলা কুঁয়া এলাকায় সেনাবাহিনীর স্কুলের সামনে চলল পাঁচ রাউন্ড গুলির লড়াই। প্রেশার কুকারের মধ্যে রাখা ছিল আইইডি।

দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর যে, নিশানায় ছিল প্রভাবশালী ব্যক্তি। লোন উল্ফ কায়দায় হামলার ছক দাবি পুলিশের। আইইডি ও আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রেফতার আইএস জঙ্গি।

আরও পড়ুনঃ গতকাল তেলেঙ্গানার একটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে আগুন

সূত্রের খবর পেয়ে, গতকাল রাত সোয়া ১১টা নাগাদ দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল অভিযান চালায়। পাঁচ রাউন্ড গুলি চলে সেনাবাহিনীর স্কুলের সামনে। তিন রাউন্ড গুলি চালায় আইএস জঙ্গি। তাঁকে পুলিশ হাতেনাতে ধরে ফেলে। ধৃতের নাম আবু ইউসুফ। ধৃতের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে, দুটি আইইডি ও আগ্নেয়াস্ত্র। বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ এবার লিপুলেখে ধীরে ধীরে সেনা বাড়াচ্ছে চিন

আজ সকালে গ্যাংস্টার বিকাশ দুবে গ্রেফতার

Vikas Dubey arrested

কানপুরঃ চৌবেপুরে বিকাশ দুবে একটি বাড়িতে লুকিয়ে ছিল পুলিশ খবর পেয়ে যাওয়ায় সেখানে যান। যাওয়া মাত্রই পুলিশের উপর বিকাশ দুবে ও তার দল বল হামলা চালায় পুলিশের উপর। ৮ জন পুলিশ কর্মী এই সংঘর্ষে মারা যান।

আরও পড়ুনঃ আমফানে ক্ষতিগ্রস্থ এক গৃহবধূকে সাহায্যের নামে ‘ধর্ষণ’ অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

এরপর থেকে পুলিশ বিকাশ দুবে কে হন্যে হয়ে খুঁজছিল। কিন্তু তার দেখা পাওয়া যাচ্ছিল না। আজ উজ্জয়নের মহাকাল মন্দিরের কাছ থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। শোনা যাচ্ছে আত্মসমর্পণ করেছেন বিকাশ, এখনও এই বিসয়টি নিশ্চিত নয়।

আরও পড়ুনঃ কোথায় কার্যকর হচ্ছে লকডাউন, দেখে নিন একনজরে

যোগীর রাজ্যে দুষ্কৃতীদের সাথে গুলির লড়াইয়ে নিহত ৮ পুলিশকর্মী

8 Policemen martyred on the line of duty in kanpur Utter Pradesh

উত্তরপ্রদেশের কানপুরে পুলিশ ও দুষ্কৃতীদের গুলির লড়াইয়ে শহিদ হলেন ৮ পুলিশকর্মী। ঘটনাটি ঘটেছে কানপুরের চৌবেপুর থানা এলাকায়। এই মর্মান্তিক ঘটনার জেরে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকাতে। এই সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন বিলহোরের সিও- সহ ৮ পুলিশ। আহত হয়েছে এসও সহ ৬ পুলিশকর্মী। তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, বিকাশ দুবে নামের এক দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে তদন্ত চলা কালীন এই দুষ্কৃতী ও তার সঙ্গীরা পুলিশের উপর গুলি চালাতে শুরু করে। এই বিকাশ দুবের বিরুদ্ধে মন্ত্রীকে খুন করার অভিযোগ রয়েছে। আর সেই ঘটনার তদন্তের দায়িত্বভার প্রাপ্ত পুলিশ দলের উপর হামলা করা হয়।

আরও পড়ুনঃ দেশজুড়ে চালু হতে চলেছে ৯০টি স্পেশাল ট্রেন, দেখে নিন সম্পুর্ন তালিকা

হামলার ঘটনাস্থলে পৌঁছে গেছে বিশাল পুলিশবাহিনী। পুরো এলাকা ঘিরে ফেলেছে পুলিশ বাহিনী। চালানো হচ্ছে চিরুনি তল্লাসি।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ জানিয়েছেন, দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অভিযুক্তদের গ্রেফতার করার জন্য তল্লাশি শুরু হয়ে গেছে।

আরও পড়ুনঃ এক নজরে দেখে নিন কোন রাজ্যে রয়েছে সব থেকে বেশি সুস্থতার হার

‘অর্ধনগ্ন’ অবস্থায় কলকাতার রাস্তায় এক নেশাগ্রস্ত তরুণী, উদ্ধার করল পুলিশ

Kolkata Police

দেশ এখন এক মহা সংকটময় পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। কলকাতায় করোনা ভাইরাসের জেরে মানুষের জীবনযাত্রার বদলে গিয়েছে। এই কঠিন সময়ে এক অস্বস্তিকর অবস্থার মধ্যে পড়তে হয় কলকাতা পুলিশদের। রাতের কলকাতা শহরে হঠাৎ টপলেস অবস্থায় ঘুরতে দেখা যায় এক তরুণীকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কলকাতা পুলিশ। সেই তরুণীকে নিয়ন্ত্রনে আনতে রীতিমত কাল ঘাম ছুটে যায় পুলিশের। যানা যায়, নেশাগ্রস্ত আবস্থাতে অর্ধনগ্ন হয়ে ঘুরছিল ওই তরুণী।

মঙ্গলবার রাতে ঘটনাটি ঘটে রেড রোদের উপর। পথচারীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে ছুটে আশে ময়দান থানার পুলিশ। প্রথম দিনে বেশ মুশকিলে পড়তে হয় তাদের। নিয়ন্ত্রনে আনা যাচ্ছিল না তাঁকে। সেই মুহুর্তে রেড রোডে উপস্থিত হওয়া পুলিশের দলে কোনো মহিলা পুলিশ না থাকায় সেই তরুণীর কাছে যেতে পারেনি তারা। ঘন্টাখানেকের মধ্যে মহিলা পুলিশের দল এলে হেফাজতে নেওয়া হয় নেশাগ্রস্ত সেই অর্ধনগ্ন তরুণীকে।

আরও পড়ুনঃ কলকাতা বিমানবন্দর থেকে উদ্ধার কোটি টাকার পাখি, আটক ২

সূত্রের খবর, তরুণী থাকেন পদ্মপুকুরে। বাড়তে আছেন মা ও ছোটো ভাই। বাবা মারা গেছেন ২০১০ সালে। জানা যান, ওই তরুণী মঙ্গলবার তার এক পুরুষ সঙ্গীর সাথে ময়দানে বসে মদ্যপান করেন। তার পর সেখান থেকে অর্ধনগ্ন অবস্থাতে হাঁটতে শুরু করেন। পথচারীদের কাছ থেকে প্রথম খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছায়। কিভাবে এই ঘটনাটি ঘটেছে তাই খতিয়ে দেখছে কলকাতা পুলিশ।

আরও পড়ুনঃ থামছে না পুরীর রথযাত্রা,শর্ত সাপেক্ষে উৎসবের অনুমতি সুপ্রিম কোর্টের

আলিপুর পুলিশ ক্যান্টিনে মিলল কর্মীর মৃতদেহ, চলছে পুলিশি তদন্ত

died migrant workers

আলিপুর বডিগার্ড লাইনে পুলিশের ক্যান্টিনে পাওয়া গেল কর্মীর মৃতদেহ। এই ঘটনাকে ঘিরে ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে মৃত বলে সনাক্ত করা হয়। মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি বলে বডি ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। মৃত ব্যক্তির নাম স্মীর মাহাতো। বয়স হয়ে ছিল ৪৭ বছর। মৃত্যুর কারণ জানতে পুলিশ খতিয়ে দেখছে ব্যপারটা।

করোনার কারনে এই ব্যক্তির মৃত্যু নাকি খুন করা হয়েছে সেই বিষয়ে তদন্ত করছে সেখানের স্থানীয় পুলিশ। তবে বার বার প্রশ্ন উঠে আসছে, পুলিশ আবাসনের মধ্যে দুদিন ধরে বডি পড়ে থাকলো কিন্তু কারও চোখে পড়লো না সেটাও আবার সম্ভব। এই ব্যপারে পুলিশের তরফ থেকে কোনো রকম প্রতিকৃয়া আসেনি এখনও।

আরও পড়ুনঃ পাকিস্তানের উড়েছে ঘুম, গিলগিট ও বালুচিস্তানের অফিসিয়াল ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট খুললো ভারত

সুরতে পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর, যানবাহনের ক্ষতি, আটক 50

violence in Surat

সুরতঃ নিজ রাজ্যে ফিরে যাওয়ার দাবিতে বিক্ষুব্ধ অভিবাসী শ্রমিকরা শনিবার (৯ মে) গুজরাটের সুরত জেলার মোরা গ্রামে রাস্তায় পুলিশের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। জানা গিয়েছে, বিক্ষোভ চলাকালীন শতাধিক লোক পুলিশের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় এবং পুলিশ কর্মীদের দিকে ও গাড়িতে পাথর ছুঁড়তে শুরু করে।

ঘটনাটি হজিরার কাছে মোরা গ্রামে ঘটেছে। বিক্ষোভে ফেটে পড়া শ্রমিকরা দাবি করেছিলেন জেলা প্রশাসনের কাছে যে, উত্তর প্রদেশ, বিহার, ওড়িশা, এবং অন্যদের মধ্যে তাদের নিজ শহরে ফিরে যাওয়ার ব্যবস্থা করা।

আরও পড়ুনঃ পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরাতে ট্রেনের আবেদন না করায়, মমতাকে চিঠি অমিত শাহের

এই শ্রমিকরা বেশিরভাগ হাজিরার শিল্পাঞ্চলে কাজ করতেন এবং মোরা গ্রামে থাকতেন। তবে এই হিংসাত্মক ঘটনার পর পুলিশ ওই অঞ্চলটিকে ঘিরে ফেলেছে এবং সেখানে নিরাপত্তা জোরদার করেছে।

লকডাউন নিয়ম লঙ্ঘন, পুলিশ কর্মীদের উপর হামলা করা এবং আইনশৃঙ্খলা ভেঙে, লকডাউনের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী ৫০ জনেরও বেশি শ্রমিককে আটক করা হয়েছে।

পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে এলাকায় রাজ্য রিজার্ভ পুলিশের একটি দল মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ বদলাচ্ছে করোনার উপসর্গ, দুশ্চিন্তায় স্বাস্থ্যভবন

কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের খাদ্য বিতরনের ছবি ফুটে উঠলো

kolkata-traffic-police-distributed-food-in-jeams-long-sarani

করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে সমাজের যে মানুষগুলি দিন রাত লড়াই করে চলেছে তাদের মধ্যে নাম আশে পুলিশের। তাদের কারনেই লকডাউন ভালোভাবে পালন করছে মানুষ। সেই পুলিশের উপর বার বার হামলা, মারধরের মতো ঘটনা ফুটে উঠেছে দেশ জুড়ে। তবে কলকাতা পুলিশের কথা বলতেই হবে। তাদের কলকাতার গলিতে গলিতে প্রচার, মানুষতে সতর্ক করা, দিন রাত এক করে ডিউটি পালন করার মতো ঘটনা দেখেছে সমগ্র কলকাতাবাসী।

এই বার ফুটে উঠল এক অন্য ছবি। জেমস লং সরনীতে কলকাতা ট্রাফিক পুলিশকে খাদ্য দিতরন করতে দেখা গেল। দিন দুঃখী মানুষের মুখে খাদ্য তুলে দিল সাদা পোশাকের এই পুলিশ বাহিনী।

আরও পড়ুনঃ ড্রোনের সাহাজ্যে চলবে কলকাতা পুলিশের নজরদারি

ড্রোনের সাহাজ্যে চলবে কলকাতা পুলিশের নজরদারি

kolkata police use drone

কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে এক নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হল। কলকাতার প্রতি জায়গায় নজর রাখার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে ড্রোন। এই ড্রোনের সাহায্যে আকাশ পথে মানুষের উপর নজর রাখবে কলকাতা পুলিশ।

রাজ্যে লকডাউন বৃদ্ধি করে এই মাসের শেষ পর্যন্ত করা হয়ে ছিল। আর এইবার খুব কড়া ভাবে লকডাউনের কথা বলা হচ্ছে বার বার। কারণ দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। করোনাকে কোনোভাবেই আটকানো যাচ্ছে না। তাই এখন এক মাত্র ভরোসা পুলিশ। তাই কলকাতা পুলিশ আরও কড়া হাতে মানুষের উপর নজরের কথা ভেবেছে।

রাজ্যে হটস্পট চিহ্নিত এলাকায় নজরদারি চলছে। দেখা হচ্ছে যাতে কোনোভাবে সামাজিক দূরত্ব যেন কমে আশে।

এবার বাচ্চাদের মাঝে খেলনা বিতরন করলো কলকাতা পুলিশ

Kolkata Traffic Police

করোনা ভাইরাসের জেরে লকডাউন ডাকা থেকেই কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ বেশ শক্ত হাতে মানুষকে করোনার হাত থেকে বাঁচানোর প্রচেষ্টা করে চলেছে। বেশ সক্রিয় ভুমিকা পালন করে চলেছে কলকাতা ট্রাফিক কুলিশ। কিছু দিন আগেই আমরা দেখেছি তারা তারা বিভিন্ন রাস্তায় গান গেয়ে মানুষকে সাবধান করছে। আবার তার কিছু দিন পর দেখা গেল ফুটপাতে পড়ে থাকা মানুষের মুখে অন্ন তুলে ধরলো এই কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ

এই বারের ছবিটা হয়ে গেছে কিছুটা আলাগ। লকডাউনের ফলে সবার মন খারাপ হচ্ছে। আর সব থেকে বেশি সমস্যা পরিবারের খুদে ব্যাক্তিদের। আর তাদের কথা ভেবে কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ গরিব পরিবারের শিশুদের হাতে তুলি দিল বেশ কিছু খেলার জিনিস। যেমন ছবি আঁকার জন্য রং পেনশিল, ড্রইং বুক, হাতের লেখা করার জন্য খাতা ও তার সাথে কিছু শুকনো খাবারও।

আরও পড়ুনঃ গরিব মানুষের প্রতিদিনের খাবার ব্যবস্থা করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

তারা প্রতিদিন কলকাতার মানুষের জন্য বিভিন্নভাবে মানুষের কাছে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন।

এবার ফুটপাতে পড়ে থাকা মানুষের মুখে খাদ্য তুলে দিল কলকাতা পুলিশ

kolkata police

দেশে করোনার জেরে ২৪ মার্চ থেকে চলছে লকডাউন। এই লকডাউনের মধ্যে প্রায় সব কিছুই বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে দিন আনা দিন খাওয়া মানুষরা এক খারাপ পরিস্থির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। সবরকম কাজ, অফিস, হোটেল বা বড় রেস্তোরা সব কিছুই বন্ধ থাকার ফলে আয়ের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। আয় না থাকায় সমাজের কিছু শ্রেনীর মানুষ বিপাকে পড়েছে।

তাই দরিদ্র মানুষের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার জন্য এগিয়ে এল কলকাতা পুলিষের দল। তারা একটি ভ্যানের মাধ্যমে কলকাতার বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে গিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ালেন। ভ্যানের সাহাজ্যে খাবার পৌঁছে দিচ্ছে কলকাতার ফুটপাতে পড়ে থাকা মানুষের কাছে। এই অভিযান বহু দুঃস্থ মানুষের কথা ভেবেই শুরু করেছে কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ। এই অভিনব প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বহু মানুষ উপকৃত হচ্ছে।