বরুণ ধওয়ন সাহায্যের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে

Varun Dhawan came forward to help

বেশ প্রথম দিকে ছিলেন নতুন প্রজন্মের অভিনেতাদের মধ্যে বরুণ ধওয়ন, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ৩০ লক্ষ্য টাকা অর্থ সাহায্য করেছিলেন তিনি। এবার আরও এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে গরিব ও দুঃস্থদের খাওয়ানোর সিদ্ধান্ত নিলেন বরুণ। তাঁর ইনস্টাগ্রামে বুধবার এই খবর ঘোষণা করেন। পোস্ট টি তে বরুন লিখেছেন, “এই দুর্দিনে গৃহহীন এবং আয় নেই যাঁদের, তাঁদের খওয়ানোর দায়িত্ব নিয়েছি।”

শুধু কী তাই! হাসপাতালের চিকিৎসক ও অন্যান্য স্বাস্থকর্মীদের খাওয়ানোর দ্বায়িত্বও নিয়েছেন তিনি। একটি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের সাথে যুক্ত হয়ে এই কাজ করবেন তিনি। অভিনেতা লিখেছেন, “এটি খুব ছোট একটি পদক্ষেপ। তবে এখন প্রতিটি ছোট পদক্ষেপই গুরুত্বপুর্ণ। আগামী দিনেও আমি একইভাবে পাশে থাকব।

গরিব মানুষের প্রতিদিনের খাবার ব্যবস্থা করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

Abhishek Banerjee giving food in poor people

রাজ্যে এখনও করোনায় আক্রান্ত ৭১ জন এবং মৃত ৫ জন। করোনার জেরে এখন দেশে চলছে লকডাউন, এই লকডাউনে মানুষের কাজ ও বন্ধ। এখনও ১৫ তারিখ পর্যন্ত লকডাউন চলবে।

এই লকডাউনের সময় মানুষের পাশে এসে দাঁড়ালেন আমাদের রাজ্যের ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ৭ টি বিধানসভা কেন্দ্রের ৪০,০০০ গরিব মানুষের প্রতিদিনের খাবার ব্যবস্থা করলেন। ১২ই এপ্রিল থেকে আগামী ১২ দিনের জন্য তিনি ২১ টি কমিউনিটি রান্নার ব্যবস্থা করলেন।

লকডাউনের মধ্যেই কোলে সন্তান নিয়ে পোস্ট কল্কির

Kalki's post with baby

মুম্বইঃ সেলিব্রিটিরা সোশ্যাল মিডিয়ায় দারুন অ্যাক্টিভ। কী করছেন, কী খাচ্ছেন, কী পরছেন, কোথায় যাচ্ছেন তার সবই আপডেট তাঁরা সোশ্যাল মিডিয়ায় দিতে পছন্দ করেন। এখন তো আবার ঘরবন্দি। তাই বাইরের কাজ এখন বন্ধ, ঘরে এখন অঢেল সময়। এই অঢেল সময়ে সেলিব্রিটিরা কি করছেন, তা জানার উৎসাহ তো থাকেই! ঠিক যেমন কেউ রান্না করছেন, কেউ গান করছেন, কেউ নাচ করছেন, কেউ ছবি আঁকছেন।

তবে সদ্য মা হওয়া কল্কি কোয়েচলিন কিন্তু এসব একেবারেই করছেন না। বরং তিনি লকডাউনের সময় পুরো সময়টাই তাঁর সন্তান কে দিচ্ছেন। সেই একান্ত সুন্দর মুহুর্তের ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করলেন তিনি।

ছবিটি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, ‘প্রথম হাসিতেই প্রেমে পড়ে যাওয়া…’

বাচ্চার নাম রেখেছে “করোনা” এবং “লকডাউন”, ভাবা যায়!

baby name corona and lockdown

করোনা এক ভয়াবহ রূপ ধারন করেছে সমগ্র মানব জাতির জন্য। ৫০ হাজারের বেশি মানুষ মারা গিয়েছে এই জীবানুর কারনে। আর এই মৃত্যু লীলা যে কত চলবে তার উত্তর এখন বিজ্ঞানীদের কাছেও নেই।

তবে এরই মাঝে উত্তর প্রদেশে এক কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। যার নাম রাখা হয়েছে “করোনা”। উত্তর প্রদেশেই আর এর পুত্র সন্তান জন্ম গ্রহন করে যার নাম রাখা হয়েছে “লকডাউন”। এখানেই শেষ নয়, ছত্রিশগড়ে দুই যমজ সন্তানের জন্য হয় যাদের নাম রাখা হয়েছে “করোনা” ও “কোভিড”।

যখন যমজ সন্তানের পিতা-মাতার কাছে জানতে চাওয়া হয় যে এই নাম রাখার পিছনে কারণ কী? তারা বলেন, এই নাম দিয়ে মানুষ এখনকার ভায়াবহ পরিস্থিতির কথা মনে রখবে। সাথে করোনা ভাইরাসের উপর মানুষের জয়ের ইতিহাস বহন করবে এই নাম । তাই এই ধরনের নাম রেখেছেন তারা।

লকডাউন নাম টি এসেছে প্রধানমন্ত্রীর ডাকা ২১ দিনের লকডাউন থেকে। এই নাম নাকি বার বার মনে করিয়ে দেবে যে কি কঠিন সময়ে সেই সন্তানের জন্ম হয়ে ছিল এই ভারতের বুকে।

যাইহোক, নামের যাই মহিমা হোক না কেন এই নাম যে যুগ যুগ ধরে মানুষের মনে থেকে যাবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে এই নামে পরবর্তী কালে যে হাস্য রসিকতার পাত্র হতে পারে না সেই কথাও বা কে বলতে পারে।

দেশবাসীর জন্য বড় ঘোষনা প্রধানমন্ত্রীর, জানুন বিস্তারিত

lockdown

ভারতবর্ষ এখন লকডাউনের জন্য গৃহবন্দী। মানুষ নিজের বাড়িতেই বন্দী হয়ে রয়েছে বেশ কিছু দিন ধরে। কিন্তু এরই মাঝে বেশ কিছু জায়গায় অপৃতিকর ঘটনা ঘটে গেছে ইতি মধ্যেই। কোথাও বাসের জন্য হাজার হাজার মানুষ একত্রিত হয়েছে আবার কোথাও লকডাউন কে অমান্য করে বাড়ির বাইরে ঘোরাফেরা করেছে। কোথাও আবার জমায়েত করে হাজার হাজার মানুষ ধর্ম অনুষ্টানে যুক্ত হয়েছে। কিছু জায়গাতে পুলিশ প্রশাসনের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে মানুষ। এর ফলে দেশের চরম ক্ষতি হয়েছে। দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে লাফিয়ে লাফিয়ে। এক বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সঞ্চার ঘটেছে।

লকডাউনের সময়সীমা আস্তে আস্তে শেষ হয়ে আসছে। তাই এই কঠিন পরিস্থির মোকাবিলা করার জন্য শক্ত হাতে রোধ করতে বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজে সমস্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেন। লকডাউনের মধ্যে কিভাবে দেশের এই সংকটময় পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হবে তা নিয়ে আলোচনা করেন। সেই সঙ্গে প্রতিটি রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার পরিকাঠামোকে মজবুত করার কথা বলেন। লকডাউনের শেষ হতেই মানুষ যাতে বেমালুম ভাবে ঘোরাঘুরি না করে সেদিকে নজরদারি চালাতে নির্দেশ দেন তিনি।

তারই সাথে শুক্রবার সকাল ৯ টার সময় জাতির উদ্দেশ্যে তিনি ভাষন দেন। তার ভিতরে ৫ এপ্রিল রাত ৯ টার সময় প্রতিটি দেশবাসী ৯ মিনিটের জন্য নিজ নিজ বাড়িতে সব বাতি বন্ধ করে রাখার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। সেই ৯ মিনিট মোমবাতি, প্রদীপ, মোবাইলের ফ্লাস লাইট প্রভৃতি জেলে প্রতিটি দেশবাসী একত্রিতভাবে করোনার বিরুদ্ধে মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত তার প্রমান দেবে।

আজ সকাল ৯ টায় দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্র

lockdown

ভারতে একটি ঘটনা যার কারনে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৩০০ জনেরও বেশি মানুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়। এই সংখ্যা যে ভারতবর্ষের জনয় ভালো ইঙ্গিত দিচ্ছে না তা বোঝাই যায়।

গোটা দেষ জুড়ে যেমন আতঙ্কের মহল তৈরি হয়ে আছে কিছু মানুষের মনে। ঠিক তেমন কিছু মানুষের মানও আবার লকডাউন অমান্য করার এক জেদ চেপে বসে আছে। আবার কিছু মানুষকে বিশেষ দরকারে বাড়ির বাইরে যেতে হচ্ছে।

আগে আমরা দেখেছিলাম প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২২ মার্চ টিক রাত ৮ টায় এই ১৩০ কোটি জন সমুদ্রের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়েছিলেন। সেই বার্তাই তিনি ২২ মার্চ সকাল ৭ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত ১৪ ঘন্টার জন্য কারফু ঘোষনা করেন।

আরও পড়ুনঃ কলকাতা পুলিশ এবার গান গেয়ে প্রচার করলেন করোনা

পরবর্তী সময়ে ২৪ মার্চ রাত ৮ টার সময়ে আবার তিনি ভারতবাসীর জনয় বার্তা নিয়ে আসেন। সেখানে তিনি ঘোষনা করেন সেই দিন রাত ১২ টা থেকে আগামী ২১ দিন ভারত জুড়ে থাকবে লকডাউন। সেই ২১ দিনের মধ্যে আজ ১০ ম তম দিন।

প্রধানমন্ত্রী টুইটারে টুইট করে আগেই জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি আজ ৩ এপ্রিল সকাল ৯ টার সময় এই বিশাল জনগণের উদ্দেশ্যে কিছু বক্তব্য নিয়ে আসবেন। বলা বাহুল্য, এই বক্তব্য যে কোনো সাধারন বক্তব্য হবে না তা স্পষ্ট ভাবে বোঝাই যায়।

সম্প্রতি দিল্লির এক ধর্ম অনুষ্টানের জেরে সারা ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যাটা দ্রুত বাড়ছে। এই ঘটনার পরিপেক্ষিতে দেশের মানুষের যে কতো বড়ো ক্ষতি হতে পাড়ে তার কোনো ধারনা করা যায় না। বিজ্ঞানীদের মতে, ভারতে যদি এই ভাবে চলতে থাকে তাহলে আর কিছু দিনের মধ্যেই দেশ তৃতীয় ধাপে পা দিতে চলেছে।

আশা করা যায়, এই সব কথা মাথায় রেখে নরেন্দ্র মোদী কিছু বার্তা প্রদান করতে পাড়ে। হতে পারে লকডাউনের সময়সীমা বৃদ্ধি, অথবা অন্য কোনো পদ্ধতির সংযোজন করা হতে পাড়ে এই লকডাউনের মধ্যেই।

তবুও আমাদের সকলের সেই বার্তার জনয় অপেক্ষা করতে হবে আরও কিছু সময়।

আরও পড়ুনঃ বিনা পরীক্ষাতেই পরের শ্রেনীতে পড়ুয়াদের, সিবিএসই-র সিদ্ধান্ত

রাত ১২ টা থেকে সমগ্র দেশে লকডাউন

lockdown

করোনা ভাইরাসের জেরে প্রতিদিন বেড় চলেছে আক্রান্তের সংখ্যা। সেই কথা মাথায় রেখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আজ রাত ১২ টা থেকে গোটা দেশে জারি করলেন লকডাউন। ঘরে নিজেকে বন্ধ রাখার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি এই ভয়াবহ রোগের ব্যপারেও মানুষকে সানধানতা বজায় রাখতে বললেন।

দেশের অর্থনেতিক অবস্থার কথা মাথায় রেখে প্রধানুমন্ত্রী এই সিন্ধান্ত গ্রহন করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সামাজিকভাবে দূরত্ব বজায় রাখার কথা বলেন।

২২ মার্চ প্রথমবার এক দিনের জন্য জনতা কার্ফু জারি করা হয়েছিল। সেই দিন ভারতবাসী একত্রিতভাবে সমর্থন করেছিল। তারপর বিভিন্ন রাজ্য সরকার লকডাউনের মতো পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। আর এই বার এক বড় সিন্ধান্ত গ্রহন করে সমগ্র দেশে আগামি ২১ দিন ধরে চলবে এই লকডাউন।