সুরতে পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর, যানবাহনের ক্ষতি, আটক 50

violence in Surat

সুরতঃ নিজ রাজ্যে ফিরে যাওয়ার দাবিতে বিক্ষুব্ধ অভিবাসী শ্রমিকরা শনিবার (৯ মে) গুজরাটের সুরত জেলার মোরা গ্রামে রাস্তায় পুলিশের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। জানা গিয়েছে, বিক্ষোভ চলাকালীন শতাধিক লোক পুলিশের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় এবং পুলিশ কর্মীদের দিকে ও গাড়িতে পাথর ছুঁড়তে শুরু করে।

ঘটনাটি হজিরার কাছে মোরা গ্রামে ঘটেছে। বিক্ষোভে ফেটে পড়া শ্রমিকরা দাবি করেছিলেন জেলা প্রশাসনের কাছে যে, উত্তর প্রদেশ, বিহার, ওড়িশা, এবং অন্যদের মধ্যে তাদের নিজ শহরে ফিরে যাওয়ার ব্যবস্থা করা।

আরও পড়ুনঃ পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরাতে ট্রেনের আবেদন না করায়, মমতাকে চিঠি অমিত শাহের

এই শ্রমিকরা বেশিরভাগ হাজিরার শিল্পাঞ্চলে কাজ করতেন এবং মোরা গ্রামে থাকতেন। তবে এই হিংসাত্মক ঘটনার পর পুলিশ ওই অঞ্চলটিকে ঘিরে ফেলেছে এবং সেখানে নিরাপত্তা জোরদার করেছে।

লকডাউন নিয়ম লঙ্ঘন, পুলিশ কর্মীদের উপর হামলা করা এবং আইনশৃঙ্খলা ভেঙে, লকডাউনের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী ৫০ জনেরও বেশি শ্রমিককে আটক করা হয়েছে।

পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে এলাকায় রাজ্য রিজার্ভ পুলিশের একটি দল মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ বদলাচ্ছে করোনার উপসর্গ, দুশ্চিন্তায় স্বাস্থ্যভবন

বদলাচ্ছে করোনার উপসর্গ, দুশ্চিন্তায় স্বাস্থ্যভবন

Corona symptoms are changing

জ্বর নয় ডায়েরিয়ার উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হন হাসপাতালে এক বৃদ্ধা । তিনি এন্টালির বাসিন্দা তাঁর বয়স পঁয়ষট্টি বছর। চিকিৎসক অ্যান্টিবায়োটিক শুরুর পরামর্শ দেন। কিন্তু কাজে আসেনা ওষুধ। বৃদ্ধার ৪ দিন পরে জ্বর আসে। তার আরও একদিন পরে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। এরপর বৃদ্ধার লালারসের পরীক্ষা করা হয় এবং করোনা ধরে পড়ে।

আরও পড়ুনঃ দেশে দ্রুত হারে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, আক্রান্ত ৬০ হাজারের কাছে

এই বৃদ্ধা পেটে ব্যথা ও পাতলা পায়খানার উপসর্গ নিয়ে ২৭ এপ্রিল ভর্তি হন ঢাকুরিয়ার বেসরকারি হাসপাতালে। চিকিৎসকের বক্তব্য, করোনার মূল উপসর্গ জ্বর, সর্দি, কাশি, গলাব্যথা ও শ্বাসকষ্ট। কিন্তু ডায়ারিয়ার উল্লেখ যে প্রশিক্ষণ-সিলেবাসে একেবারে ছিলনা তা নয়, এর উল্লেখ হু-এর নির্দেশিকায় ও রয়েছে। তবে তা বিশেষ গুরুত্ব পাইনি কোভিড-প্রশিক্ষণে।

আরও পড়ুনঃ কলকাতার ভারতীয় জাদুঘরে করোনার থাবা, মৃত নিরাপত্তায় থাকা জওয়ান

গত ১৭ মার্চ প্রথম করোনা আক্রান্তের খোঁজ মেলে, করোনা ভাইরাসের প্রবেশ মাস দেড়েক হয়েগেছে। স্বাস্থ্য দফতরের খবর, গত দেড় মাসে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১০০ জন রোগীর মধ্যে জ্বরের উপসর্গ ছিল, ৫২ জনের, কাশি ৪৫ জনের, গলাব্যথা ২৩ জনের, শ্বাসকষ্ট ৪ জনের এবং ডায়েরিয়া ছিল ৭ জনের। উপসর্গ নেই তাও করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২২ জন।

দেশে দ্রুত হারে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, আক্রান্ত ৬০ হাজারের কাছে

coronavirus is increasing in India

নয়াদিল্লিঃ গত ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩,৩২০ জন। সব মিলিয়ে দেশে করোনার আক্রান্তের সংখ্যা ৬০,০০০ এর ধারে কাছে। গত একদিনের মধ্যে করোনা আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে ৯৫। মোট মৃতের সংখ্যা ১,৯৮১ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ৫৯,৬৬২ জন। চিকিৎসায় অনেক মানুষ সুস্থও হয়েছেন, মোট সুস্থ মানুষের সংখ্যা ১৭,৮৪৭জন।

আরও পড়ুনঃ করোনা কাবু ভারতে, তবু জুলাইয়ের শেষ নিয়ে আশঙ্কা, জানালো WHO

স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছেন,করোনায় আক্রান্তদের সুস্থের সংখ্যাও বাড়ছে ক্রমশ। গত রবিবার সুস্থের সংখ্যা ২৬.৫৯ শতাংশ মানুষ আর আজ সুস্থের হার বেড়ে দাঁড়ালো ২৯.৯১ শতাংশ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধির মতে, ‘ভারতে লকডাউন উঠে গেলে সংক্রমণ আরও তাড়াতাড়ি বাড়বে’ তবে মানুষের এই নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই। এটা ঠিক যে আগামী মাস গুলোতে করোনা সংক্রমণ বাড়বে আরও। তবে পরিস্থিতি অনেকটাই স্থিতিশীল থাকবে ভারতে।

আরও পড়ুনঃ দেশের ২১৬ টি জেলা থেকে আসেনি করোনা রোগীর খবর, জানালো স্বাস্থ্যমন্ত্রক

করোনা কাবু ভারতে, তবু জুলাইয়ের শেষ নিয়ে আশঙ্কা, জানালো WHO

India, but still worried about the end of July

নয়াদিল্লিঃ ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃতের সংখ্যাও কম ভারতে, বিশ্বের তুলনায়। তার কারণ ঠিক সময় দেশে লকডাউন চালু হয় এমনটাই জানালো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কোভিড-১৯ এর টিমের সদস্য ডেভিড নাবারো। তাঁর পূর্বাভাস, ভারতে করোনা কাবু লকডাউনেই। আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়বে লকডাউন উঠলেই। তাও করোনা পরিস্থিতি ভারতে নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে। জুলাইয়ের শেষে ভারতে করোনার প্রকোপ শীর্ষে থাকবে। আতঙ্ক নয়, সতর্ক থাকতে হবে আগামী দিনে দেশবাসীকে।

আরও পড়ুনঃ দেশের ২১৬ টি জেলা থেকে আসেনি করোনা রোগীর খবর, জানালো স্বাস্থ্যমন্ত্রক

কিছু দেশ লকডাউন আস্তে আস্তে শিথিল করছে। সেই পথেই এগিয়ে যাচ্ছে ভারতও। এই পরিস্থিতিতে হু বারবার সতর্ক করছে, একেবারে লকডাউন তুলে দিলে বিপদ কাটবেনা উল্টে আরও বাড়বে। করোনার আক্রান্ত আরও তাড়াতাড়ি ছড়িয়ে পড়বে। মৃতের সংখ্যাও বাড়বে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফ থেকে লব আগরওয়াল জানিয়েছেন, সংক্রমণ এর থেকে ভারতে সুস্থ্য হওয়ার হার ২৯.৩৬ শতাংশ। এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৬,৫৪০জন।

আরও পড়ুনঃ ঘুমিয়ে থাকা শ্রমিকদের উপর দিয়ে চলে গেলো ট্রেন

দেশের ২১৬ টি জেলা থেকে আসেনি করোনা রোগীর খবর, জানালো স্বাস্থ্যমন্ত্রক

coronavirus

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক শুক্রবার জানিয়ে দিল এক খুশির খবর। বিগত কিছু দিন ধরে ২১৬ টি জেলায় নতুন করে করোনা সংক্রমনের কোনো খবর আসেনি। তার মধ্যে ৪২ টি জেলায় গত ২৮ দিন ধরে কোনও নতুন কেস আসেনি। আর গত ২১ দিন ধরে ২৯ টি জেলায় কোনো নতুন কেস আসেনি। জানানো হয়েছে, করোনা ভাইরাসের সংক্রমন ঠেকাতে কী করা উচিত আর কী করা উচিত নয় সেই বিষয়গুলি অক্ষরে অক্ষরে পালন করলেই এই মহামারীকে আটকে দেওয়া যাবে।

একটি সাংবাদিক সন্মেলনে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ভারতে করোনা স্নগক্রমনের হাত থেকে সুস্থ্য হয়ে অঠার হার ২৯.৩৬ শতাংশ। এখনও পর্যন্ত ১৭,৮৪৭ জন মানুষকে সুস্থ করে ফিরিয়ে দিয়েছে। সারা দেশে মৃতের সংখ্যা ১,৯৮১ জন। বিগত ২৪ ঘন্টায় ১,২৩৭ জন মানুষ সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছে। পাশাপাশি বিগত ২৪ ঘন্টায় ৩,৩৯০ জন নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। তার সাথে মারা গেছে ১০৩ জন। সার দেশে করোনা ভাইরাসের রোগী ৫৯,৬৬২ জন।

আরও পড়ুনঃ ৯৯% জীবাণু প্রতিরোধে সক্ষম দিল্লি IIT-র তৈরি এই সস্তার মাস্ক

গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যাটা মানুষকে ভাবিয়ে তুলছ। বিভিন্ন সংস্থ্যার পক্ষ থেকে বিভিন্ন সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। সেই রকমই এক সংস্থ্যার কথায়, ভারতে জুন থেকে জুলাই মাসে এই করোনা ভয়াবহ রুপ ধারন করবে। লক্ষ লক্ষ মানুষ এই মারন ভাইরাসের কবলে চলে আসবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দাবি, কি করবে আর কি করবে না সেই বিষয়গুলি সঠিকভাবে পালন করা হয় তাহলে করোনা ভাইরাসের সংক্রমনে কার্ভ ফ্ল্যাট হয়ে যাবে।

আরও পড়ুনঃ ঘরে বন্দী হয়েই কি কাটাতে হবে জীবন!

বাড়িতেই মিলবে মদ, হোম ডেলিভারির পথে Zomato

Zomato Delivery Boy

বাড়িতে বসেই মিলবে মদ, যেতে হবে না দোকানে। সাম্প্রতিকতম রির্পোটে সেই রকম তথ্যই উঠে আসছে। করোনা ভাইরাসের কারনে গোটা দেশজুড়ে লকডাউন। ফলে মানুষ বাড়ির বাইরে যেতে পারছে না। তবে এই লকডাউনের ফলেই দেশে মদের চাহিদা রয়েছে তুঙ্গে। আর তার কারনেই মদ হোম ডেলিভারি শুরু করতে পারে Zomato.

লকডাউনের ফলে বাড়ির বাইরে যেতে না পারায় মানুষ হোম ডেলিভারির উপর ভরসা করে রয়েছে। তাই কিছু কিছু এলাকায় ডেলাভারি হচ্ছিল কিছু অতিপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। তার মধ্যে রয়েছে খাদ্য। আর তাছাড়া Zomato আগে থেকেই সবজি ও মুদিখানা ডেলিভারি করছিল। লকডাউনের ফলে রেস্টুরেন্টগুলি বন্ধ হয়ে পড়ায় মানুষ বাড়িতে খাবার বানিয়ে খাওয়াকেই ঠিক ভাবছিল। তার ফলে Zomato এর প্রধান ব্যবসা তৈরি করা খাদ্য হোম ডেলিভারি প্রায় বন্ধ হয়ে পড়েছে।

আরও পড়ুনঃ পাকিস্তানের বায়ুসেনায় যোগ দিলেন প্রথম হিন্দু যুবক

মার্চ মাসের ২৫ তারিখ থেকে গোটা দেশে মদের দোকান বন্ধ করা হয়। এই সপ্তাহের প্রথমদিকে মদের দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হয়। দেখা যায়, মদের দোকানের সামনে লম্বা লাইন। তাই মদ বিক্রিতে কিছুটা লাগাম টানার জন্য মদের এম.আর.পি এর উপর ‘করোনা ফি’ চাপানো হয়। ফলে মদের দামের উপরে ৭০ শতাংশ কর দিতে গ্রাহকদের।

এখনও পর্যন্ত দেশে মদের হোম ডেলিভারি করার কোনো আইন নেই। ফলে সেই কাজ Zomato শুরু করতে চলেছে। ইন্টারন্যাশনাল স্পিরিট অ্যান্ড ওয়াইন অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ার এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান রাজ্যগুলিকে মদের হোম ডেলিভারি করার জন্য অনুমতি দেওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছে। এই লকডাউনের সময় হোম ডেলিভারি শুরু হলে মানুষ মদের দোকানে ভিড় করবে না। ফলে করোনা সংক্রমন ছড়ানো কমবে।

আরও পড়ুনঃ নেশার ঘোরে সাপকে কামড়ে টুকরো করল এক ব্যক্তি

ঘরে বন্দী হয়েই কি কাটাতে হবে জীবন!

life must be spent at home

করোনা আসার পূর্বের জীবনে ফেরা আপাতত আর সম্ভব নয়। বিশ্ব জুড়ে কোভিড-১৯ নিয়ে তোলপাড়ের মধ্যেই এই বিষয়ে চিকিৎসক ও বিজ্ঞানীরা একমত। তাঁরা বলছেন, কয়েক মাস পরে যদিও কমে যায় সংক্রমণ, তা হলেও ফেরত আসবে কবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। ‘ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ’ এর (আইসিএমার) বিজ্ঞানীদের পরামর্শ যে, আগামী কয়েক বছর কোভিড-১৯-কে জীবনের অংশ মনে করেই চলা প্রয়োজন। লকডাউন থাকুক বা উঠে যাক তার সাথে এই কথার হেরফের হবেনা।

আরও পড়ুনঃ রাজ্যে করোনার তাণ্ডব! লাফিয়ে বাড়লো মৃতের সংখ্যা

বিজ্ঞানীদের মতে, ভাইরাসের পরিবেশ টিকে থাকাটা তার মিউটেশনের উপরে নির্ভর করে। যদি দেখা যায় মিউটেশন আর হচ্ছেনা তেমন ভাবে, তবে সেই ভাইরাস তার ক্ষমতা হারায় আস্তে আস্তে।

‘ট্র্যানস্লেশনাল হেলথ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউট’- এর বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, কয়েক মাস পরে গোটা বিশ্বে আর কোথাও নতুন সংক্রমণ না হয়, যারা স্বল্প উপসর্গের বা উপসর্গহীন, তাঁরা এমনি সুস্থ হয়ে যান, আর যারা ক্রিটিক্যাল রোগী তাদের একাংশ মারা যান তবে তারপর যে জীবন শুরু হবে তা করোনা আসার পূর্বের জীবন হবেনা। সংস্থার ইমিউনোলজি অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর অমিত অবস্থীর কথায়, ‘সংক্রমণ থেমে যাওয়ার দু’বছর কমপক্ষে করোনার আসার আগের জীবন ভুলে যাওয়া শুধু তাই নয় করোনার সাথে আমাদের সহাবস্থান করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ জেনে নিন তৃতীয় লকডাউনে কি করতে পারবেন আর কি পারবেন না

রাজ্যে করোনার তাণ্ডব! লাফিয়ে বাড়লো মৃতের সংখ্যা

coronavirus-spread-in-west-bengal-badly-133-people-dead

রাজ্যে করোনা খুব একটা দয়া দেখাচ্ছেনা তা স্পষ্ট হয়ে গেল। প্রথম থেকেই গোটা দেশে লকডাউন ডেকে স্তব্ধ করা হয়েছিল মানুষের জীবনযাত্রা। কেন্দ্র থেকে লকডাউন আরম্ভ হওয়ার আগেই রাজ্যে লকডাউন ডাকা হয়েছিল। এই করোনাকে প্রতিরোধ করার এক মাত্র উপায় লকডাউন। সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকলেই করোনা এক ব্যাক্তি থেকে অন্য ব্যাক্তির দেহে যেতে পারবেনা। করোনা বিভিন্ন উপায়ে ছড়িয়ে পড়ে। তাই লকডাউকেই বেছে নেওয়া হয়েছিল।

কলকাতা তথা গোটা বাংলার মানুষকে সুরক্ষিত রাখতে রাজ্য সরকার বিভিন্নভাবে প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। মানুষকে সতর্ক করার জন্য মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতার রাস্তায় মাইকিং পর্যন্ত করেছেন। অকারনে মানুষ যাতে বাড়ির বাইরে যেতে না পারে তার জন্য ড্রোনের সাহায্যেও চলেছে কড়া নিজরদারি।

আরও পড়ুনঃ দেশে হাজির আফ্রিকান সোয়াইন ফিভার! করোনার মধ্যেই নতুন বিপদ

কিন্তু সব কিছুই যেন আজ আর কাজ করছে না। সবকিছুকে উপেক্ষা করে করোনা একের পর এক মানুষকে আক্রান্ত করে চলেছে। দেখতে দেখতে রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এক লাফে বেড়ে দাঁড়ালো ১,২৫৯। আর তার সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে মৃতের সংখ্যা, ১৩৩ জন। এর সাথে মানুষও সুস্থ্য হয়ে উঠছে। মোট ২১৮ জন মানুষ করোনা মুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে।

এই সংখ্যা যে আরও ভালো রকমভাবে বাড়তে চলেছে সে ভালো মতো বোঝা যাচ্ছে। সবথেকে বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে কলকাতার মধ্যেই। দেশের মধ্যে সবথেকে বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে মহারাষ্ট্রে। সেখানে মোট করোনা রোগী ১৪,৫৪১ জন, মারাগেছে ৫৮৩ জন।

আরও পড়ুনঃ জেনে নিন তৃতীয় লকডাউনে কি করতে পারবেন আর কি পারবেন না

জেনে নিন তৃতীয় লকডাউনে কি করতে পারবেন আর কি পারবেন না

dos and donts in lockdown

লকডাউনের মধ্যেই মনে হতে পারে অনেক কিছু করার কথা। কিন্তু সব আগের মতো মানুষ যেখানে সেখানে চলাফেরা করতে পারবে না। দেশে করোনা ভাইরাসের কারনে ৪০ হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়ে গেছে। এখনও পর্যন্ত মারা গেছে এক হাজার তিনশোর বেশি মানুষ। ফলে পরিবেশটা বদলে গেছে। তাই বদল আনতে হবে বেশ কিছু নিত্য দিনের জীবনযাপনে। আর তাছারা লকডাউন বজায় থাকায় মানুষ খুব প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে যাওয়া নিষিদ্ধ।

এমত অবস্থায় মানুষের মনে কিছু সাধারন প্রশ্ন জেগে ওঠে। আর তাই সেই প্রশ্নের মধ্যে দিয়েই জানাযাবে এই তৃতীয় লকডাউনের মধ্যে কি করা যাবে আর কি করা যাবে না। এইখানে কিছু প্রশ্ন ও উত্তর দেওয়া হল।

প্রশ্নঃ তৃতীয় দফার লকডাউন কতো দিন পর্যন্ত চলবে?
উত্তরঃ কেন্দ্রীয় সরকার ১৭ মে পর্যন্ত ও রাজ্য সরকার ২০ মে পর্যন্ত লকডাউন থাকার নির্দেশ জারী করেছে।

আরও পড়ুনঃ দাম কমলো রান্নার গ্যাসের, জানুন গ্যাসের নতুন দাম

প্রশ্নঃ কোন জোনের মধ্যে আছি আমি?
উত্তরঃ রাজ্যের জেলা অনুযায়ী তিনটি জোনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আপনি কোন জোনে অবস্থান করছেন জানতে এই স্থানে ক্লিক করুন।

প্রশ্নঃ আমি কি টাকা তুলতে যেতে পারি?
উত্তরঃ হ্যাঁ, পারেন যদি আপনার ব্যাঙ্কের সাখা(ও এটিএম) চালু থাকে।

প্রশ্নঃ আমি কি সকালে সাইকেল চালানো বা দৌড়াতে পারি?
উত্তরঃ পারেন। তবে খেয়াল রাখবেন দলবদ্ধ ভাবে না।

প্রশ্নঃ আমি কি সেলুনে যেতে পারি?
উত্তরঃ হ্যাঁ, আমনি সেলনে যেতে পারবেন যদি আপনি গ্রিন বা অরেঞ্জ জোনের ভিতর অবস্থান করে থাকেন।

প্রশ্নঃ মাস্ক পরা কি বাধ্যতামূলক?
উত্তরঃ হ্যাঁ, মাস্ক পরে বাড়ির বাইরে যাওয়া বাধ্যতামূলক। সরকার দ্বারা মাস্ক পরা আইন করে দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ দেশে হাজির আফ্রিকান সোয়াইন ফিভার! করোনার মধ্যেই নতুন বিপদ

তৃতীয় পর্বের লকডাউন শুরু হওয়ার আগেই দুঃসংবাদ!

before the lockdown 48 hour to infected 5000

নয়াদিল্লিঃ করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে দ্রুত গতিতে। সোমবার তৃতীয় পর্বের লকডাউন শুরু হয়ে গেল। তার আগেই ৪৮ ঘন্টার মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা পেরিয়ে গেল ৪০ হাজার।

আরও পড়ুনঃ দেশে হাজির আফ্রিকান সোয়াইন ফিভার! করোনার মধ্যেই নতুন বিপদ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছিল, সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে তৃতীয় পর্বের লকডাউন। এই পর্বের লকডাউনে ছাড় একটু বেশি বাড়ানো হয়েছিল। রবিবার পর্যন্ত গোটা দেশে ৪৮ ঘন্টায় সংক্রমণের সংখ্যা ৪৮৯৮। এর পাশাপাশি ৮৩ জনের মৃত্যুর খবর এসেছে। এখনও পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা ১৩০৬।

নতুন করে মৃত ৮৩ জন, এর মধ্যে মহারাষ্ট্রের ৩৬ জন, গুজরাতের ২৬, মধ্যপ্রদেশের ১১, রাজস্থান ও দিল্লিতে ৩ জন করে মারা গেছে। তেলেঙ্গানায় ২ জন, বিহার ও তামিলনাড়ু তে ১ জন করে মারা গেছেন করোনায়।

আরও পড়ুনঃ করোনা যোদ্ধাদের সেলাম জানাতে এবার এগিয়ে এলো বিমান বাহিনীও

কেন্দ্র জানিয়েছে, নিয়ন্ত্রণ সীমার মধ্যেই থেকে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। লকডাউন শিথিল করাটা ভারতের জন্য একটা বড় ও কড়া পরীক্ষা।