চতুর্থ লকডাউনে কোন কোন ক্ষেত্রে ছাড় দিলেন মুখ্যমন্ত্রী, জেনে নিন

Mamata Banerjee

কলকাতাঃ চতুর্থ দফার লকডাউনে রাজ্যে খোলা থাকবে সরকারি ও বেসরকারি অফিস, তবে অর্ধেক কর্মী নিয়ে কাজ করতে হবে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। সেলুন ও বিউটি পার্লার খোলা যাবে তবে সামাজিক দূরত্ব মানতে হবে ও ৬ জনের বেশি এক যন্ত্র ব্যবহার করা যাবেনা। হোটেলগুলি সামাজিক দূরত্ব মেনে খোলা যাবে।

আরও পড়ুনঃ চরম শক্তিশালী হচ্ছে ঘুর্ণীঝড় আমফান, জারি হল হলুদ সতর্কতা

এক রাজ্য থেকে আর এক রাজ্যে বাস চলবে। ২১ মে থেকে সমস্ত বড় দোকান খোলা যাবে তবে একদিন অন্তর একদিন দোকান খুলতে পারবেন হকাররা, বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুনঃ এবার জম্মু-কাশ্মীরের ৫ ডাক্তার করোনার কবলে

চতুর্থ দফার লকডাউনে মানতে হবে এই শর্তগুলি

fourth lockdown

চতুর্থ দফার অফিস,কারখানা খোলার অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। অফিস, কারখানা খুলতে গেলে মানতে হবে বেশ কিছু শর্ত।অফিস খুললেও বেশি করে বাড়ি থেকেই কাজে জোর দিতে হবে। অফিস,কারখানা, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান খুললেও কাজের সময় ভাগ করে নিতে হবে।

আরও পড়ুনঃ জিও ৬,৫৯৮ কোটি টাকায় মার্কিন সংস্থ্যার কাছে শেয়ার বিক্রয় করতে চলেছে

অফিস, কারখানায় থার্মাল স্ক্যানিং ও হ্যান্ড ওয়াস রাখতে হবে। প্রবেশ ও বেরনোর সময় স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধুতে হবে। বার বার করে গোটা অফিস জীবাণুমুক্ত করতে হবে। বিশেষত যে জায়গা গুলিতে বার বার হাত দিয়ে স্পর্শ করা হয় সেই জায়গা গুলিকে জীবাণুমুক্ত করার উপর জোর দিতে হবে। অফিস, কারখানায় কর্মীদের মধ্যে দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। তার জন্য শিফট ভেঙ্গে দেওয়া সমস্ত কর্মী যেন মধ্যাহ্নভোজনে একসঙ্গে না যান সেটা খেয়াল রাখতে হবে।

আরও পড়ুনঃ Facebook ৩০২৯ কোটি টাকায় কিনে নিল Giphy এর মালিকানা স্বত্ব

চতুর্থ লকডাউনে পেতে পারেন এ সমস্ত সুবিধা!

forth lockdown

নয়াদিল্লিঃ গোটা বিশ্ব এখনও মুক্তি পাইনি করোনা থেকে। ভারতে করোনার সাথে মোকাবিলায় লকডাউন শুরু হয়েছিল ২৫ মার্চ থেকে। প্রথম ও দ্বিতীয় দফার পর ১৭ মে শেষ হতে চলেছে তৃতীয় দফার লকডাউন। তবে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণে ইঙ্গিত মিলেছে লকডাউন আরও বাড়তে পারে তারই আভাস পাওয়া গেছিল প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে।

আরও পড়ুনঃ ভারতের পাশে আমেরিকা, করোনার মোকাবিলায় ভেন্টিলেটর দিয়ে সাহায্য আমেরিকার

সূত্রের খবর অনুযায়ী, চতুর্থ দফার লকডাউনে বেশ কিছু ছাড় থাকতে পারে। চতুর্থ দফার লকডাউনে পরিবহণ ব্যবস্থায় ছাড় পাওয়া যেতে পারে। বিশেষ করে অটো, বাস এবং অ্যাপ ক্যাব চালানোর অনুমতি মিলতে পারে। ই-কর্মাসে অনুমতি মিলতে পারে।

আরও পড়ুনঃ কাশ্মীরের কুলগামে ফের জঙ্গিদের তাণ্ডব, সেনার সাথে গুলির লড়াই

‘এক দেশ এক রেশন কার্ড’, প্রবাসী শ্রমিকদের সমস্যার দূরীকরণে কেন্দ্র

one country one ration card

করোনা মহামারীর সময় লকডাউনের মাধ্যমে এই ভাইরাসকে দূরে রাখার চেষ্টা চলছে বিশ্বের বহু দেশে। সেই পদ্ধতি দেশে মার্চ মাসের শেষেই আরম্ভ করা হয়েছিল। ফলে পশ্চিমের দেশগুলিতে যে হারে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে সেই হারে ভারতে মানুষ আক্রান্ত হয়নি। তবে যে ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে লক্ষাধিক মানুষ আক্রান্ত হয়ে যাবে চলতি মাসের শেষে।

এই লকডাউনের মধ্যে বহু মানুষ খাদ্যের অভাবের সন্মুখিন হতে হয়েছে। বিশেষ ভাবে প্রভাবিত হয়েছে দিনমজুর, শ্রমিক ও কৃষক শ্রেণির মানুষ। তাদের খাদ্যের জন্য নির্ভর করতে হয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার উপর। স্বেচ্ছাসেবীরা যে সব মানুষের কাছে পৌছাতে পেরেছে তাদের খাদ্যের জোগান হয়েছে। কিন্তু বাকীদের দিন কেটেছে আধ-পেটা খেয়েছে। সরকারের দেওয়া রেশনও তাদের ভাগ্যে জোটেনি। তাই পরিযায়ী শ্রমিক ও দিনমজুরদের কথা মাথায় রেখে কেন্দ্রীয় সরকার ‘এক দেশ এক রেশন কার্ড’ এই নীতি গ্রহন করতে চলেছে।

আরও পড়ুনঃ কাশ্মীরের কুলগামে ফের জঙ্গিদের তাণ্ডব, সেনার সাথে গুলির লড়াই

বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন জানান, আগামী ২০২১ সালের মার্চ মাসের মধ্যে সমস্ত প্রবাসী শ্রমিক ও দিনমজুরদের হাতে রেশন তুলে দেওয়া হবে। এক নতুন রেশনকার্ড দেওয়া হবে এদের হাতে। ফলে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে রেশন তুলতে পারবে। এই প্রকল্পের ফলে দেশের ২৩ টি রাজ্যের প্রায় ৬৭ কোটি মানুষ উপকৃত হবেন।

বর্তমানে করোনা সংকটের এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকার অভিবাসী শ্রমিকদের কাছে খাবার পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সিতারমন, প্রতিমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরকে জানিয়েছেন, এখনও রেশন দেওয়া হবে অভিবাসী শ্রমিকদের। শ্রমিকদের রেশন কার্ড থাকুক আর না থাকুক সকলকেই রেশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রতিমাসে তাদের প্রত্যেককে ৫ কেজি চাল বা আটা তার সাথে ১ কেজি ডাল দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সিতারমন। কেন্দ্রীয় সরকারের এই প্রকল্প রাজ্যসরকার লাগু করবে। কেন্দ্রীয় সরকার এর জন্য ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে।

আরও পড়ুনঃ করোনা মানব সভ্যতার এক অভিন্ন অংশ হতে চলেছে, সতর্ক বার্তা দিক “হু”

করোনা মানব সভ্যতার এক অভিন্ন অংশ হতে চলেছে, সতর্ক বার্তা দিক “হু”

The-number-of-Corona-virus-is-increasing-in-America.

করোনা ভাইরাসের আক্রমণ প্রথম শুরু হয় গত বছরের ডিসেম্বর মাস থেকে। তার পর থেকে আক্রান্ত হওয়া মানুষের সংখ্যা দিন প্রতি বহুগুন বেড়ে যায়। মাহামারীর আকার ধারন করে এই কোভিড-১৯। বিশ্বের প্রায় ২০০ টির বেশি দেশ এই মারন ভাইরাসের সাথে লড়াই করছে। দুনিয়া জুড়ে ৪৪ লক্ষেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে এই রোগে। মৃতের সংখ্যা ৩ লক্ষ ছুঁই ছুঁই। এর মধ্যেই হু এর তরফ থেকে এলো এক নতুন সতর্কবার্তা। নভেল করোনাভাইরাস কখনই দূর হবে না, প্রতি বছর নিজেকে নতুন ভাবে তৈরি করে বহু মানুষের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াবে এই করোনা, জানালেন হু এর ডিরেক্টর ড. মাইক রায়ান।

হু কর্তার বার্তায় পরিষ্কার করে বলে দিলেন, এবার থেকে এই নতুন ভাইরাসকে সঙ্গে নিয়েই বেঁচে থাকার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে বিশ্বের প্রতিটি মানুষকে। পৃথিবী থেকে কোনো দিনই এই করোনা অবলুপ্ত হবে না। ঠিক যেমন এইচআইভি বা ইবোলা, এদের মতোই পৃথিবীতে রয়ে যাবে এই করোনা।

আরও পড়ুনঃ সোমবার থেকে শহরে চালু বেসরকারি বাস

বর্তমানে করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কারের জন্য দিন রাত গবেষনা করে চলেছে দেশে-বিদেশের গবেষক ও বিজ্ঞানীরা। প্রায় ১০০ টি ভ্যাকসিনের উপর কাজ করছে তারা। এদের মধ্যে কয়েকটি ভ্যাকসিনের ট্রায়াল চলছে। হু কর্তা ড. রায়ান এও বলেন ভ্যাকসিন আবিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত এই ভাইরসকে কাবু করা যাবে না, মানুষের প্রাণ নেওয়া কোনো প্রকারেই বন্ধ করা যাবে।

করোনার হাত থেকে দেশের মানুষকে বাঁচাতে বিশ্বের বহু দেশ লকডাউনের সাহায্য নিয়েছে। আবার কিছু দেশ লকডাউন শেষ করে আবার স্বাভাবিক জীবনের দিকে ফিরে যাচ্ছে। দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ঠিক করতে নেমে পড়েছে। তবে করোনা যে আবার আক্রমণ করবে না, মৃত্যুলীলা চালাবে না, তাঁর কোনো গ্যারিন্টি নেই কারো কাছে।

আরও পড়ুনঃ ৩০ জুন পর্যন্ত স্থগিত থাকছে ট্রেন চলাচল, জানালো রেলমন্ত্রক

সোমবার থেকে শহরে চালু বেসরকারি বাস

Private buses launched

চতুর্থ দফার লকডাউনের প্রথম দিনেই শহরে চালু হবে বেসরকারি বাস। বাস গুলি চালানো হবে শহরের বেশ কয়েকটি রুটে। তবে বাসের ভাড়া বাড়বে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ। নতুন ভাড়ার তালিকা শুক্রবার প্রকাশ হতে পারে। তবে কন্টেইনমেন্ট জোনে এখনই বাস চালু হবেনা।

আরও পড়ুনঃ ৩০ জুন পর্যন্ত স্থগিত থাকছে ট্রেন চলাচল, জানালো রেলমন্ত্রক

পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারি বুধবার জানিয়েছেন, বাস ভাড়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সমস্ত বাস মালিক সংগঠন। তবে সরকারি বাসের ভাড়া অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানালেন তিনি। তিনি আবার বলেন কোনো বাসে ২০ জনের বেশি যাত্রী তোলা যাবেনা।

আরও পড়ুনঃ বাড়ি ফেরার পথে পরিযায়ী শ্রমিকদের প্রাণ কাড়লো দুর্ঘটনা

বাস মালিক সংগঠনের দাবি হল, তাদের প্রতিদিন বাস চালাতে সাধারণত খরচ হয় ৬০০০ টাকা। ২০ জন যাত্রী নিয়ে বাস চালালে তাদের ক্ষতি হবে প্রায় ৩০০০ টাকা। তাই বাসের ভাড়া বাড়তে পারে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ। কলকাতায় ৪ কিমি বাসের ভাড়া ৭ টাকা, যা বেড়ে হতে পারে ১৪ টাকা। ৪ থেকে ১২ কিমির ভাড়া ৮ টাকা, যেটা বেড়ে হতে পারে ১৬ টাকা। ১২ থেকে ১৬ কিমির ভাড়া হল ৯ টাকা, যা বেড়ে হতে পারে ১৮ টাকা। ১৬ থেকে ২০ কিমির ভাড়া ১০ টাকা, যা বেড়ে হতে পারে ২০ টাকা। ২০ থেকে ২২ কিমির ভাড়া হল ১১ টাকা, যা বেড়ে হতে পারে ২২ টাকা।

২০ লক্ষ কোটি টাকার প্যাকেজ কোন কোন খাতে যাবে জানাবেন অর্থমন্ত্রী, আজ বিকেল ৪ টেয়

Nirmala Sitharaman

নয়াদিল্লিঃ আজ বিকেল ৪ টেয় অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা। গতকাল রাতে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা করেছিলেন ২০ লক্ষ কোটি টাকার প্যাকেজের। আজ বিকেল ৪ টেয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ এই ২০ লক্ষ টাকার প্যাকেজ কোন কোন খাতে কত খরচ করেবেন তা বিস্তারিত জানাবেন।

আরও পড়ুনঃ পাকিস্তানের উড়েছে ঘুম, গিলগিট ও বালুচিস্তানের অফিসিয়াল ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট খুললো ভারত

করোনা ভাইরাস নিয়ে গোটা দেশ এখন গভীর সংকটে। তার মধ্যেই গতকাল রাতে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদী ঘোষণা করলেন ২০ লক্ষ কোটি টাকার প্যাকেজের। যা ভারতের জিডিপি-র ১০ শতাংশ। আর এই অর্থ কোন খাতে কীভাবে ব্যবহার হবে তার বর্ণনা দেবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ।

আরও পড়ুনঃ ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত ৩৫২৫, এবং মৃতের সংখ্যা ১২২

২৪ ঘন্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত ৩৫২৫, এবং মৃতের সংখ্যা ১২২

3525-corona-affected-in-the-country-in-24-hours-and-death-toll-is-122

নয়াদিল্লিঃ করোনা আক্রান্তের গতিকে বশে আনা যাচ্ছেনা কিছুতেই। দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৭৪,২৮১। গত ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৫২৫। এবং মৃতের সংখ্যা ১২২। ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে দিন দিন। থামার নাম নিচ্ছেনা। দেশে তৃতীয় দফার লকডাউন চলছে। এই লকডাউনের মেয়াদ ১৭ তারিখ পর্যন্ত। গতকাল রাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদী জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। তিনি লকডাউন বাড়ানোর ব্যপারে ইঙ্গিত দেন কাল।

আরও পড়ুনঃ কী এই আত্মনির্ভর ভারত অভিযান?

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদী দেশের এই আর্থিক পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য ২০ লক্ষ টাকার আর্থিক প্যাকেজ এর ঘোষণা করেন। ১৭ মে এর পর চতুর্থ দফার লকডাউন-এর বিধিনিষেধ একেবারে অন্যরকম হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছেন, দেশে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৪৭,৪৮০ জন, এবং এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ২৪,৩৮৬ জন। দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি করোনা আক্রান্তের সংখ্যা মহারাষ্ট্রে। সেখানে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। এখানে আক্রান্তের সংখ্যা ২৪,৪২৭ জন, এবং মৃতের সংখ্যা ৯২১ জন। মহারাষ্ট্রের পরে যে রাজ্যে বেশি করোনা আক্রান্তের সংখ্যা গুজরাত ৮৯০৩, তামিলনাড়ু ৮৭১৮, দিল্লি ৭৬৩৯ জন।

আরও পড়ুনঃ আগস্টেই ভারতের বাজারে আসতে পারে করোনার ওষুধ

মহারাষ্ট্রের মধ্যে যে শহরে সবচেয়ে বেশি করোনা বাসা বেঁধেছে তা হল মুম্বই। সারা দেশের করোনা আক্রান্তের ১৭ শতাংশ করোনা রোগী আছে বাণিজ্য নগরে। গতকাল এই শহরে ৩০ জন মারা গেছে করোনায়। মহারাষ্ট্রে করোনা আক্রান্তের ৬০ শতাংশই মুম্বই-এ। এই শহর একটি মৃত্যুর শহর হয়ে উঠেছে। মুম্বই-এ নতুন নতুন এলাকায় করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে।

কী এই আত্মনির্ভর ভারত অভিযান?

Prime Minister Narendra Modi

দেশে করোনা ভাইরাসের প্রভাব দিন প্রতিদিন বেড়েই চলেছে। তাই মানুষ ভালোভাবেই বুঝতে পারছে যে এই করোনা ভাইরাসকে সহজে মানুষের জীবন থেকে সরিয়ে ফেলা যাবে না। ফলে বড়ই লম্ব সময়ের জন্যই থাকতে চলেছে এই করোনা ভাইরাস। তাই করোনা যেহেতু লম্বা সময়ের জন্য আমাদের জীবনে থাকতে চলেছে, তাই আমাদের বাঁচতে হবে, এগিয়ে যেতে হবে, গড়ে তুলতে হবে আত্মনির্ভর ভারত, সেই বার্তাই জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশ্যে ভাষনে তিনি বলেন, “করোনা পরিস্থিতি ভারতকে আত্মনির্ভর হতে শেখাচ্ছে। আমাদের সংকল্প আত্মনির্ভর ভারত।” এর পর তিনি এই আত্মনির্ভর ভারত গড়তে ২০ লক্ষ কোটি টাকার এক বিশেষ আর্থিক প্যাকেজের ঘোষণা করেন।

কী এই বিশেষ আর্থিক প্যাকেজ?

আরও পড়ুনঃ আগস্টেই ভারতের বাজারে আসতে পারে করোনার ওষুধ

জাতির উদ্দেশ্যে ভাষনে প্রধানমন্ত্রী বলেন,”এই আর্থিক প্যাকেজ আত্মনির্ভর ভারত অভিযানের কাজ করবে। ২০ লক্ষ কোটির আর্থিক প্যাকেজ। সংগঠিত ও আসংগঠিত সব শ্রেণির মানুষের জন্য এই প্যাকেজ। জমি, শ্রম, নগদের জোগানের জন্য এই প্যাকেজ। এই ফলে উপকৃত হবে কৃষকরাও।”

এই ভাষনে প্রধানমন্ত্রী ৫ টি স্তম্ভের কথা উল্লেখ করেন। সেই পাঁচটি স্তম্ভ হল, অর্থনীতি, পরিকাঠামো, সিস্টেম, ডেমোগ্রাফি ও চাহিদা। এই পাঁচটি স্তম্ভের ভিত্তিতে গড়ে উঠবে এক নতুন আত্মনির্ভর ভারত।

আরও পড়ুনঃ নজির গড়লেন এক গর্ভাবতী নার্স করোনার মাঝেও তিনি মানুষের সেবায়

দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬৭ হাজার পেরিয়ে গেলো

covid-19

নয়াদিল্লিঃ দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৬৭ হাজার ১৫২। এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২২ হাজার ৬ জনের। সাধারণ মানুষের এবার ভয় সৃষ্টি করছে করোনা। শেষ কয়েকদিনের মধ্যে এদিন অনেকটাই বেশি ধরা পড়ায় আশঙ্কা বাড়ছে মানুষের মনে। তবে আশার কারণ ও আছে, করোনায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ২০ হাজার ৯১৭ জন। দেশে এখন অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৪৬,১৮২ জন।

আরও পড়ুনঃ বদলাচ্ছে করোনার উপসর্গ, দুশ্চিন্তায় স্বাস্থ্যভবন

রাজ্যভিত্তিক পরিসংখ্যান-এ সবথেকে বেশি মৃতের হার মহারাষ্ট্রে। এই রাজ্যে মৃতের সংখ্যা ৮৩২ জন। এরপর আছে গুজরাত, এই রাজ্যের মৃতের সংখ্যা ৪৯৩ জন। এরপর আছে মধ্যপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ,রাজস্থান।

আরও পড়ুনঃ করোনা কাবু ভারতে, তবু জুলাইয়ের শেষ নিয়ে আশঙ্কা, জানালো WHO