আবার রাজ্যে দিন বদল করা হল লকডাউনের

Mamata Banerjee

একই লকডাউনে চার বার দিন বদল করলো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী ২৮ তারিখ রাজ্যে লকডাউন হচ্ছেনা। ওই দিন লকডাউন থাকলে টানা পাঁচ দিন লকডাউন হবে যার ফলে ব্যাঙ্কের পরিষেবা টানা পাঁচ দিন বন্ধ থাকবে। এর ফল ভোগ করতে হবে রাজ্যের সাধারণ মানুষকে। রাজ্যে লকডাউন থাকবে ২০, ২১, ২৭, ৩১ তারিখ। বাতিল করা হল ২৮ তারিখ।

বুধবার নবান্ন থেকে লকডাউন সংক্রান্ত একটি নতুন নির্দেশিকা জারি করে মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা। এতে বলা হয় ২৮ তারিখ লকডাউনে সমস্যার মুখে পড়বেন ব্যবসায়ীরা। ইতিমধ্যেই এই সমস্যার কথা রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ছয় লেনের নতুন উড়ালপুল শহরে

অগাস্টের শেষ সপ্তাহে বৃহস্পতি, শুক্র ও সোমবার লকডাউন হওয়ায় টানা পাঁচদিন বন্ধ থাকবে ব্যাঙ্কের পরিষেবা। সেই কারণেই ২৮ তারিখ অর্থাৎ শুক্রবার লকডাউন তুলে নেওয়া হল। তবে বাকি দিন গুলিতে থাকবে সম্পুর্ণ লকডাউন।

আরও পড়ুনঃ এবার জাম্মু কাশ্মীরের পুলিশের ফাঁদে কুখ্যাত লস্কর জঙ্গি আকিব আহমেদ

অগাস্ট মাস জুড়ে চলবে লকডাউন, জানালো মুখ্যমন্ত্রী

Lockdown in West bengal

কলকাতাঃ পুরো অগাস্ট মাস জুড়ে চলবে লকডাউন। সপ্তাহে দু’দিন করে চলবে এই লকডাউন। জানালো মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, এই সময় রাজ্যের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। এই লকডাউনের মেয়াদ অগাস্ট মাস পর্যন্ত। এই পর্যায়ে অগাস্ট মাসে মোট ৯ দিন থাকবে লকডাউন।

এ দিন মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়ে দিলেন লকডাউনের দিনক্ষণ। অগাস্ট মাসের ২, ৫, ৮, ৯, ১৬, ১৭, ২৩, ২৪, ৩১ এই তারিখ গুলিতে রাজ্য জুড়ে চলবে সম্পুর্ণ লকডাউন।

আরও পড়ুনঃ বাংলো ছাড়ার আগে কোন বিজেপি নেতাকে চা খেতে ডাকলেন প্রিয়াঙ্কা!

পরে পরিস্থিতি বিচার করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে সেপ্টেম্বরে লকডাউন হবে কিনা। এই দিন গুলিতে বিমান পরিষেবাও বন্ধ থাকবে।

আরও পড়ুনঃ সিনেমা হল কবে খুলবে! প্রস্তাব কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের

সিনেমা হল কবে খুলবে! প্রস্তাব কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের

cinema hall open in august

করোনার জেরে দেশের সব সিনেমা হল বন্ধ গত ৫ মাস ধরে। ছবি রিলিজও থমকে। অনলাইন প্ল্যাটফর্মে রিলিজ হয়েছে কিছু সিনেমা। তার সংখ্যাও খুব কম। করোনা আক্রান্ত আটকাতে সিনেমা হল বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রথম পর্বের লকডাউনেই কার্যকর হয়।

আনলক ৩-এ সিনেমা হল কী খুলছে! কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে একটি প্রস্তাব দিল কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক। আগস্ট মাসে সিনেমা খোলার বিষয়ে সায় দেওয়া হয়েছে।

এই প্রস্তাবটি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে গৃহীত হলে সিনেমা হল আগস্টেই খুলে যাবে। CII মিডিয়া কমিটির সঙ্গে একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের সচিব আমিত খারে, শুক্রবার এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বৈঠকে জানান যে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সচিব অজয় ভাল্লা এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

অজয় খারে জানান যে, সিনেমা হল খোলার সম্ভাবনা রয়েছে আগস্টের শুরুতে নাহলে শেষের দিকে। এক্ষেত্রে সিনেমা হলে কী ব্যবস্থা থাকবে, তারও খসড়া তৈরি করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ দিদি করোনাকে হারিয়ে বাড়ি ফেরার পর রাস্তার মধ্যে তুমুল নাচ বোনের

এই নিয়ম অনুযায়ী, একটি রো-তে বসবেন দর্শক। তার পরের রো খালি থাকবে। তারপরের রো-তে বসতে পারবেন দর্শকরা। অল্টারনেটিভ ভাবে। মন্ত্রকের প্রস্তাবিত নিয়মে বলা হয়েছে, দর্শকদের বসার দূরত্ব ২ মিটার থাকতে হবে কম করে।

সিনেমা হলের মালিকদের বক্তব্য, এই ফর্মুলাটি থিক নয়। হলে ২৫ শতাংশ ভর্তি করে সিনেমা চালানো সম্ভব নয়।

আরও পড়ুনঃ করোনার ভ্যাকসিন কবে আসতে পারে, জানিয়ে দিল হু

আবার ৭ দিনের সম্পুর্ণ লকডাউন গোটা পাহাড়ে

seven days lockdown

নতুন করে আক্রান্তের গ্রাফ বাড়ায় শিলিগুড়ি পুরসভার ৪৭টি ওয়ার্ডে বৃহস্পতিবার থেকে দ্বিতীয় পর্বের লকডাউন শুরু হল ৭ দিনের জন্য। গত কয়েক দিন ধরে লকডাউনের সময় সাধারণ মানুষের একটা অংশ রাস্তায় নেমে পড়েছিল। বাজার গুলোতেও ছিল উপছে পড়া ভিড়। কিন্তু আজ সকাল থেকেই একেবারেই ফাঁকা শিলিগুড়ি শহর।

আজ সব বাজার বন্ধ ছিল। মাছ মাংসের দোকানও ছিল বন্ধ। আজ সকাল থেকে রাস্তায় লোকজনের সংখ্যা ছিল অনেক কম। জরুরি দরকার ছাড়া আজ কেউই তেমন বের হননি।

আরও পড়ুনঃ করোনার ভ্যাকসিন কবে আসতে পারে, জানিয়ে দিল হু

নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ায় গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এলাকায় নতুন করে ৭ দিনের লকডাউন-এর ডাক দেওয়া হয়েছে। আগামী ২৬ জুলাই থেকে কড়া লকডাউন পার্বত্য এলাকায়। এই লকডাউন দার্জিলিং, কার্শিয়ং, মিরিক এবং কালিম্পং এলাকায় সম্পুর্ণ লকডাউন চলবে।

সুখিয়া, তিনধরিয়া, পোখরিবং, সুকন্যা, বিজনবাড়িতেও ৭ দিনের সম্পুর্ণ লকডাউন। এর কারণ কালিম্পং জেলায় বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা।

আরও পড়ুনঃ গোসাবার বিধায়কের বাড়িতে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার এক যুবকের!

করোনার জেরে সপ্তাহে দু’দিন রাজ্যে পুরোপুরি লকডাউন

কলকাতাঃ করোনা রুখতে শুরু হচ্ছে সপ্তাহে দু’দিন লকডাউন রাজ্যে। এটি ঘোষণা করেছেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। চলতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার ও শনিবার সম্পুর্ণ লকডাউন থাকবে রাজ্যে। জরুরি পরিষেবা ছাড়া অফিস-কাছারি, পরিবহণ সমস্তই বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

আগামী সপ্তাহে বুধবার থাকবে লকডাউন। স্বরাষ্ট্রসচিব জানিয়েছেন যে, এ দিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করে রাজ্য প্রশাসন। সেখানে বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞদের মত থেকে মনে করা হচ্ছে যে, রাজ্যের কয়েকটি জায়গায় শুরু হয়েছে গোষ্ঠী সংক্রমণ। এ কারণেই সংক্রমণ রুখতে এই সিদ্ধান্ত রাজ্যের।

আরও পড়ুনঃ কোভ্যাক্সিন-এর হিউম্যান ট্রায়াল শুরু, কোথায় হচ্ছে এই ট্রায়াল!

স্বরাষ্ট্রসচিব জানিয়েছেন, প্রত্যেক সপ্তাহের সোমবার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে রাজ্য প্রশাসন বৈঠকে বসবে। সেদিন জানানো হবে সপ্তাহের কোন দু’দিন লকডাউন করা হবে।

আরও পড়ুনঃ সোনার মাস্ক পরলেন কটকের এক ব্যবসায়ী, ভাইরাল সেই ছবি

কন্টেনমেন্ট জোন ছাড়াও বেশ ক’টি জায়গায় কড়া লকডাউন চালুর নির্দেশ

Whether India will win the fight with Corona

শুধু কন্টেনমেন্ট এলাকা নয়, বেশ কয়েকটি জেলা শহরে কড়া লকডাউন চালুর নির্দেশ স্বরাষ্ট্রসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়য়ের। এর সঙ্গে রাজ্যের কন্টেনমেন্ট এলাকাগুলিতে যে নিয়ন্ত্রণ এখন চলছে, তার মেয়াদ বাড়লো। ১৯ জুলাই পর্যন্ত।

আরও পড়ুনঃ GOOGLE এর বড় ঘোষণা! ভারতে ৭৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ, জানালেন পিচাই

৯ জুলাই থেকে কন্টেনমেন্ট জোনে নিয়ন্ত্রণ বিধি চালু করেছিল রাজ্য। বলা হয়েছিল, সাত দিন পরে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হবে। মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রসচিবের জারি করা নির্দেশিকায় এই নিয়ন্ত্রণ ১৯ জুলাই পর্যন্ত থাকবে বলে জানিয়েছে। এর পাশাপাশি কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার কন্টেনমেন্ট জোনগুলিতে এবং জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, মালদহ, রায়গঞ্জ ও শিলিগুড়ি শহরের সর্বত্র ১৫ জুলাই থেকে লকডাউন হবে।

আরও পড়ুনঃ সবাইকে পিছনে ফেলে করোনা ভ্যাকসিন তৈরী করলো রাশিয়া

৯ জুলাই থেকে ফের রাজ্যে লকডাউন, কড়া নজরদারি কনটেনটমেন্ট জোনে

Whether India will win the fight with Corona

রাজ্যের পরিস্থিতি আরও দিন দিন খারাপ হয়ে আসছে। ভারতে করোনা ভাইরাসের কবলে এসেছে মোট ৭ লক্ষ ৪০ হাজারের অধিক। ফলে সব কিছু অচল হয়ে পড়েছে। ৯ জুলাই বিকেল ৫টা থেকে এই নির্দেশিকা জারি হবে রাজ্যে। তবে এই লকডাউন কতদিন চলবে সেটা নির্দিষ্ট করে বলা হইনি এখনও।

কন্টেইনমেন্ট জোনে সরকারি ও বেসরকারি সমস্ত অফিস বন্ধ থাকবে। জানা গিয়েছে জরুরি পরিষেবা ছাড়া আর সব পরিষেবা বন্ধ থাকবে কন্টেইনমেন্ট জোনে। এবার থেকে যে কোনো ধরণের জমায়েতে কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি। ৯ জুলাই বিকেল ৫টা থেকে শিল্প, ব্যবসা, মার্কেট বন্ধ থাকবে। কন্টেইনমেন্ট জোনে যে কোনো ধরণের পরিবহণেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতিতে রয়েছে খুশির খবর, আসছে ১০ হাজার চাকরির সুযোগ

কলকাতায় কন্টেইনমেন্ট জোনের মধ্যে আছে, ভবানীপুর, ফুলবাগান, উল্টোডাঙা, আলিপুর, কাকুরগাছি, বেলেঘাটা, হিডকো, বিজয়গড়, যাদবপুর, কসবা, নিউ আলিপুর, মুকুন্দপুর, অজয়নগর। এইসব এলাকাগুলিতে রাস্তা বন্ধ থাকতে পারে। বাসিন্দারা যাতে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পান তার বন্দোবস্ত করবে প্রশাসন।

আরও পড়ুনঃ বেআইনিভাবে বাঁধ নির্মাণের বিরুদ্ধে চীন ও পাকিস্তান বিরোধী বিক্ষোভ দেখা গেল

রাজ্যে বাড়ছে লকডাউনের মেয়াদ, সর্বদল বৈঠকের পর ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

Mamata Banerjee

৩১ শে জুলাই পর্যন্ত বাড়ছে লকডাউন। বুধবার নবান্নে সর্বদল বৈঠকের পর সেই কথাই জানালেন রাজ্যের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার সাথে এও বলেন, এর আগে যেসব জিনিসের উপর চাড় ছিল ও নিষেধ ছিল সেই সব কিছুই বজায় থাকছে আগামী ৩১ শে জুলাই পর্যন্ত।

যে যে বিষয়ে রয়েছে ছাড় তার এক সম্পুর্ন তালিকা প্রকাশ হবে নবান্ন থেকে। তার পরে জানা যাবে যে, জুলাই মাসের শেষ পর্যন্ত লকডাউন বজায় থাকলে কোন বিষয়ের উপর নজর দিতে হবে। বুধবার নবান্নে বৈঠকের ডাক দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও ছাব্বিশ জন প্রতিনিধি। এই বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন দিলীপ ঘোষ।

আরও পড়ুনঃ ‘অর্ধনগ্ন’ অবস্থায় কলকাতার রাস্তায় এক নেশাগ্রস্ত তরুণী, উদ্ধার করল পুলিশ

রাজ্যে করোনাকে আটকাতেই নেওয়া হয়েছে এই পদক্ষেপ। ফলে লোকাল ট্রেন, মেট্রো রেল বন্ধ থাকছে। সাথে বাসের ভাড়া বাড়ছে না এই মুহুর্তে।

দিনের পর দিন ধর্ষণের জেরে লকডাউনেই জঙ্গলে ঠাঁই ২ পরিযায়ী শ্রমিকের

2 women raped for several time

করোনার হাত থেকে বাঁচার জন্য গত ২৪ শে মার্চ মাঝ্রাত থেকে গোটা দেশ জুড়ে লকডাউন জারী করা হয়েছিল। তার ফলে দেশের বিভিন্ন জায়গাতে আটকে যায় পরিযায়ী শ্রমিক। বেশি দিন ধরে লকডাউন চলতে থাকায় বাড়িফেরের জন্য মাইলের পর মেইল পথ পায়ে হেঁটেছেন শ্রমিকের দল। তার ফলে বহু পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু ঘটেছে। কারো প্রাণ ট্র্যাকের ঢাক্কায় যায়, তো কারো প্রাণ যায় ট্রেনের লাইনে। কোথাও ফুটে উঠেছে খাবার জন্য হাহাকর, আবার কোথাও দেখা গেছে মা হারা শিশুর করুন আর্তনাদ। সেই সব ঘটনা মানুষ খবরের কাগজ, অনলাইন পত্রিকার মাধ্যমে জেনে এসেছেন। তবে সম্প্রতি কর্ণাটকে সামনে এল ২ দুই মহিলা পরিযায়ী শ্রমিকের খবর। তাদের করুন পরিস্থিতি মানুষের বাকরুদ্ধ করেছে সকলের।

জানা গিয়েছে, এই ২ মহিলা ঝাড়খন্ডের দুমকা থেকে কর্ণাটকে কাজের উদ্দেশ্যে গিয়েছিলেন। লকডাউন চালু হওয়াতে বাড়ি ফিরতে না পেরে ২ সন্তান সহ তাদেরকে জঙ্গলে দিক কাটাতে হয়েছে। এখানেই যে সব কিছুর অবসান ঘটেছে তা একে বারে নয়। এই ২ পরিযায়ী শ্রমিক বেঙ্গালুরুর কেঙ্গরি এলাকাতে একটি বহুতলের নির্মান কার্জে নিযুক্ত ছিলেন। সেই ২ জনকে দিনের পর দিন ধরে লালসার শিকার হতে হয়। নিয়মিতভাবে তাদেরকে ধর্ষণের শিকার হতে হয়। বাঁধা দিলেই তাদেরকে বেঁধেঁ চলত মারধর।

আরও পড়ুনঃ কৃষ্ণাঙ্গ বিতর্ক এবার বাংলার বুকে, সাসপেন্ড দুই সরকারি স্কুলের শিক্ষিকা

এই দুই মহিলার বেতন ছিল সপ্তাহে মাত্র ২০০ টাকা। আবার দিনে কাজ করতে হত ১৫ ঘন্টা। সেই করনেই তারা সেখান থেকে পালানর পরিকল্পনাও করে ছিল তারা। কিন্তু ভাগ্য খারাপ থাকায় ধরা পরে যায়। তার পর চলে মারধর। এর পরে মার্চ মাসের মধ্যভাগে আরও একবার পালানর চেষ্টা করে তারা। সুযোগ থাকায় বেঙ্গালুরু থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে কুম্বালাগডুর এক জঙ্গলে সন্তান সহ আশ্র্য নেয় তারা। আশে পাশের এলাকাতে ভিক্ষা করেই তাদের দিন চলতে থাকে।

সেখানের মানুষদের কাছে সাহায্যের প্রত্যাশা করলেও আদিবাসী ভাষা কেউ বুঝতে না পারায় কিছুই লাভ হয় না তাদের। শেষে এই কন্টাক্টরের সাহায্যে এই দুই পরিযায়ী শ্রমিক ৫ জুন শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে বাড়ি ফেরেন। দুই ব্যক্তির নামে ধর্ষনের অভিযোগ করায় তাদেরকে পুলিষ গ্রেফতার করেছে।

আরও পড়ুনঃ বাঙালি বিজ্ঞানীর কথাই কি তবে ঠিক, ভারতে ২১ লাখ সংক্রমণ জুলাইয়ের মধ্যে!

ভারতে ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত হল ৫,৬১১ জন; মোট আক্রান্ত ১,০৬,৭৫০ জন

coronavirus

গত ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হল ৫,৬১১ জন। সংখ্যাটা যে একেবারেই কম নয় তা বলাই যায়। তবে এর সাথে বুধবারের তথ্য অনুযায়ী, গোটা দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১,০৬,৭৫০ জন।

স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৪০ জন করোনা আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে বিগত ২৪ ঘন্টার ভিতরে। এর সাথে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩,৩০৩ জন। মোট আক্রান্তের মধ্যে প্রায় ৪২,২৯৮ জন করোনা রোগি সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছে ও ৬১,১৪৯ জন মানুষ করোনার সাথে লড়াই করছে।

আরও পড়ুনঃ রাজ্যে বিকেল ৪ টে থেকে ৬ টার মধ্যে আছড়ে পড়ছে আমফান

রাজ্যের দিকথেকে দেখতে গেলে সবথেকে বেশি করোনায় আক্রান্ত হয়েছে মহারাষ্ট্রে। প্রায় ৩৭,১৩৬ জন মহারাষ্ট্র, ১২,৪৪৮ জন তামিল নাডু, ১২,১৪০ জন গুজরাট, ১০,৫৫৪ জন দিল্লি থেকে আক্রান্ত হয়েছে। গোয়া, মিজোরাম, আন্দামান ও নিকবর দ্বীপপুঞ্জ, অরুণাচল প্রদেশ, লাদাখ, মেঘালয় – এ নতুন করে কোনো করোনা আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া যায়নি।

জাতীয় স্তরে লকডাউন অব্যাহত। আগামী ৩১ মে পর্যন্ত মানতে হবে লকডাউনের সব নিয়মনীতি।

আরও পড়ুনঃ রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত ৩ হাজার ছুঁই ছুঁই, মাঝেই আবার ‘আমফান’