H-1B নিয়ন্ত্রণ শিথিল করলো ট্রাম্প, আবার আগের চাকরিতে ফেরা যাবে আমেরিকায়

H-1B visa

ওয়াশিংটনঃ H-1B ভিসা নিয়ন্ত্রণ কিছুটা শিথিল করলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। গত ২২ জুন H-1B ভিসা চলতি বছরের জন্য নিষিদ্ধ করার ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

আমেরিকায় কজ করার জন্য যে ভিসা দেওয়া হয় তাকে H-1B ভিসা বলা হয়। এই ভিসা একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য জারি করা হয়ে থাকে। আর এই ভিসা সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করেন ভারতীয় আইটি কর্মীরা। এই ভিসা বাতিলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ভারতীয় কর্মীদের।

H-1B ভিসা নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন নতুন সিদ্ধান্ত নিলো, H-1B নিষিদ্ধ হওয়ার আগে যে সকল বিদেশি নাগরিক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছেড়েছিলেন, তাঁরা আবার একই চাকরিতে আমেরিকা ফিরতে পারবেন। H-1B ভিসায় তাদের নিষেধাজ্ঞা থাকছেনা।

আরও পড়ুনঃ ঘরের মধ্যে লুকিয়ে বিশাল গোখরো, দেখুন তারপর কি হল

মার্কিন ডিপার্ট্মেন্ট অফ স্টেট অ্যাডভাইসারি জানিয়েছেন, শুধুমাত্র ওই ব্যাক্তিই নয়, তাঁর সাথে তাঁর স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানরাও ফিরতে পারবেন আমেরিকায়। টেকনিক্যাল, স্পেশালিস্ট, সিনিয়র লেভেল ম্যানেজারসহ অন্যান্য কর্মী যাদের H-1B ভিসা আছে তাঁরা ফিরতে পারবেন আমেরিকায়।

আরও পড়ুনঃ এবার জম্মু কাশ্মীরের পুলিশের ফাঁদে কুখ্যাত লস্কর জঙ্গি আকিব আহমেদ

পেঁয়াজের সাথে হাজির আর এক বিপদ! হুহু করে ছড়াচ্ছে নতুন এই সংক্রমন

onion

বিশ্ববাসীর কাছে এখন সব থেকে বড় বিপদ করোনা। তার মাঝেই হাজির আর এক ভয়ানক জীবাণু। যার কারনে প্রায় ৬৪০ জন মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। জানা যাচ্ছে, এই জীবাণুর নাম সালমোনেল্লা। যার কারনে প্রায় ৮৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সালমোনেল্লা জীবাণু সংক্রমণের মূল উপসর্গ ডায়েরিয়া। মানব দেহে প্রবেশের ৫ থেকে ৬ দিনের মাথায় এই রোগের উপসর্গ দেখা দেয়। বিশেষকরে ৫ থেকে ৬৫ বছর বয়সী মানুষের এই জীবাণু আক্রমনের প্রবনতা বেশি।

আরও পড়ুনঃ জারী কমলা সতর্কতা, প্রবল বৃষ্টির সম্ভবনা দফায় দফায়, জেনে নিন আপডেট

আমেরিকার ৪৩ টি প্রদেশে এই জীবাণু ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ছড়িয়ে পড়ার মাধ্যম হল পেঁয়াজ। পেঁয়াজ থেকেই নাকি ছড়িয়ে গেছে এই ভায়ানক জীবাণু।

এতি মধ্যেই সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ফলে পেঁয়াজ খাওয়া যাবে না, বিক্রি করা যাবে না, আর রান্নাতেও দেওয়া যাবে না। শুধু তাই না, এই সতর্কতা জারি হয়েছে, লাল, হ্লুদ, সাদা পেঁয়াজে।

আরও পড়ুনঃ শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অবশ্যই খান খেজুর

চিনে আবার নতুন রোগের দেখা মিলল, জেনে নিন এই মারন রোগের উপসর্গ

coronavirus

বেজিংঃ আবার এক নতুন ছোঁয়াচে রোগের উপদ্রব চিনে। ইতিমধ্যেই ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে এই রোগে, এবং অসুস্থ হয়ে পড়েছেন ৬০ জন। হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন আধিকারিকরা, মানুষের থেকে মানুষের এই রোগের সংক্রমণ হতে পারে।

এই জীবাণুটির নাম এসএফটিএস ভাইরাস। পূর্ব চিনে জিয়াংসুতে ৩৭ জনের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন এই রোগে। আনহুই প্রদেশেও ২৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এই রোগের লক্ষণ হল, জ্বর, কাশি, রক্তের প্লেটলেট কমে যাওয়া। আনহুই ও ঝেইজাং প্রদেশে অন্তত ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে এই রোগে।

আরও পড়ুনঃ বেইরুটে বীভৎস বিস্ফোরণ, গাড়ি উড়ে গেলো তিন তলা অবধি

তবে শোনা যাচ্ছে, এই ভাইরাস নতুন কোনও জীবাণু নয়, ২০১১ সালেই চিনা বিজ্ঞানীরা সক্ষম হন। এর প্যাথেজেন আলাদা করতে। এটি বুনিয়াভাইরাস ক্যাটাগরির অন্তর্গত। ভাইরোলজিস্টদের বিশ্বাস, এই রোগ এঁটুলি পোকা থেকে মানুষের শরীরে ছড়িয়েছে।

এই রোগের প্রধান কারণ এঁটুলি পোকার কামড়, তবে মানুষ একটু সাবধানে থাকলে এই জীবাণু সংক্রমণের খুব বেশি আতঙ্কের কারণ নেই।

আরও পড়ুনঃ শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অবশ্যই খান খেজুর

বেইরুটে বীভৎস বিস্ফোরণ, গাড়ি উড়ে গেলো তিন তলা অবধি

Beirut

বেইরুটঃ বেইরুটে বীভৎস বিস্ফোরণ। খবর আসার পর থেকেই একের অর এক ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। সংবাদ মাধ্যম থেকে সাধারণ মানুষের তোলা ভিডিও নিয়ে শোরগোল পড়ে যায় সারা পৃথিবী জুড়ে। ভয়াবহ সেই ভিডিও।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন যে, বিস্ফোরণের তীব্রতায় কেঁপে ওঠে শুধু সংলগ্ন এলাকাই নয়, এর থেকেও বেশি দূর ছড়িয়েছিল তীব্রতা। এই ভয়ংকর বিস্ফোরণে এক একটি গাড়ি উড়ে গিয়েছিল তিন তলা থেকে।

লেনাননের বেইরুটে মঙ্গলবার পরপর দুটি বিস্ফোরণ ঘটে। সমুদ্রে দাঁড়িয়ে থাকা একটি জাহাজ বীভৎস শব্দে ফেটে যায়। এর তীব্রতা ১০ কিলোমিটার অবধি ছড়িয়ে যায়।

এখনও পর্যন্ত প্রায় ৭০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। এর পাশাপাশি আহত প্রায় ৪০০০ মানুষ।

আরও পড়ুনঃ আজ বেলা সাড়ে ১২ টায় রামমন্দিরের ভূমিপুজোর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

এই ঘটনাটি সমুদ্র বন্দরের আশেপাশে কোনও এলাকায় বিস্ফোরণটি ঘটলেও এর অভিঘাত ছড়িয়ে পরেছে বহু দূর। ঘর বাড়ির কাচ ভেঙ্গে গিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ আবার হুড়মুড়িয়ে ধসে পড়ল বহুতল, উদ্ধার কার্জ চলছে, দেখুন ভিডিও

৯২ জনের মৃত্যু করাচিতে ঘটে যাওয়া প্লেন দূর্ঘটনাতে

Plane Crash in Karachi

পাকিস্তানে ঘটে যাওয়া প্লেন দূর্ঘটনাতে ৯২ জনের প্রান হারানোর খবর পাওয়া যাচ্ছে। পাকিস্তান আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনস(PIA) এর একটি যাত্রীবাহী প্লেন করাচি বিমান বন্দরে নামার আগেই নিকটের লোকালয়ে ভেঙে পড়ে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রকের মুক্ষ্যসচিব, মিরা ইউসুফের কথা অনুযায়ী, ৬০ জনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ৩২ জন হাসপাতালে মারা যেছে।

আরও পড়ুনঃ আমেরিকায় কোভিড-১৯ এর সফল পরীক্ষা, বছরের শেষেই পাওয়া যাবে ভ্যাকসিন

A320 নামক এই প্লেনটি ৯১ জন যাত্রী ও ৮ জন বিমান চালনা কাজে নিযুক্ত ব্যক্তিদের নিয়ে লাহোর থেকে করাচি যাত্রাপথে লোকালয়ে ভেঙে পড়ে।

এরই মাঝে সেখানের সরকার একটি ৪ জন সদস্যের দল গঠন করেছে। সেই দলের উপর এই মর্মান্তিক বিমান দূর্ঘটনার কারন জানার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ করোনা মানছে না আমফান, লকডাউন, বাংলার বুকে আক্রান্ত ৩ হাজারের অধিক

করোনা মানব সভ্যতার এক অভিন্ন অংশ হতে চলেছে, সতর্ক বার্তা দিক “হু”

The-number-of-Corona-virus-is-increasing-in-America.

করোনা ভাইরাসের আক্রমণ প্রথম শুরু হয় গত বছরের ডিসেম্বর মাস থেকে। তার পর থেকে আক্রান্ত হওয়া মানুষের সংখ্যা দিন প্রতি বহুগুন বেড়ে যায়। মাহামারীর আকার ধারন করে এই কোভিড-১৯। বিশ্বের প্রায় ২০০ টির বেশি দেশ এই মারন ভাইরাসের সাথে লড়াই করছে। দুনিয়া জুড়ে ৪৪ লক্ষেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে এই রোগে। মৃতের সংখ্যা ৩ লক্ষ ছুঁই ছুঁই। এর মধ্যেই হু এর তরফ থেকে এলো এক নতুন সতর্কবার্তা। নভেল করোনাভাইরাস কখনই দূর হবে না, প্রতি বছর নিজেকে নতুন ভাবে তৈরি করে বহু মানুষের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াবে এই করোনা, জানালেন হু এর ডিরেক্টর ড. মাইক রায়ান।

হু কর্তার বার্তায় পরিষ্কার করে বলে দিলেন, এবার থেকে এই নতুন ভাইরাসকে সঙ্গে নিয়েই বেঁচে থাকার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে বিশ্বের প্রতিটি মানুষকে। পৃথিবী থেকে কোনো দিনই এই করোনা অবলুপ্ত হবে না। ঠিক যেমন এইচআইভি বা ইবোলা, এদের মতোই পৃথিবীতে রয়ে যাবে এই করোনা।

আরও পড়ুনঃ সোমবার থেকে শহরে চালু বেসরকারি বাস

বর্তমানে করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কারের জন্য দিন রাত গবেষনা করে চলেছে দেশে-বিদেশের গবেষক ও বিজ্ঞানীরা। প্রায় ১০০ টি ভ্যাকসিনের উপর কাজ করছে তারা। এদের মধ্যে কয়েকটি ভ্যাকসিনের ট্রায়াল চলছে। হু কর্তা ড. রায়ান এও বলেন ভ্যাকসিন আবিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত এই ভাইরসকে কাবু করা যাবে না, মানুষের প্রাণ নেওয়া কোনো প্রকারেই বন্ধ করা যাবে।

করোনার হাত থেকে দেশের মানুষকে বাঁচাতে বিশ্বের বহু দেশ লকডাউনের সাহায্য নিয়েছে। আবার কিছু দেশ লকডাউন শেষ করে আবার স্বাভাবিক জীবনের দিকে ফিরে যাচ্ছে। দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ঠিক করতে নেমে পড়েছে। তবে করোনা যে আবার আক্রমণ করবে না, মৃত্যুলীলা চালাবে না, তাঁর কোনো গ্যারিন্টি নেই কারো কাছে।

আরও পড়ুনঃ ৩০ জুন পর্যন্ত স্থগিত থাকছে ট্রেন চলাচল, জানালো রেলমন্ত্রক

ঘরে বন্দী হয়েই কি কাটাতে হবে জীবন!

life must be spent at home

করোনা আসার পূর্বের জীবনে ফেরা আপাতত আর সম্ভব নয়। বিশ্ব জুড়ে কোভিড-১৯ নিয়ে তোলপাড়ের মধ্যেই এই বিষয়ে চিকিৎসক ও বিজ্ঞানীরা একমত। তাঁরা বলছেন, কয়েক মাস পরে যদিও কমে যায় সংক্রমণ, তা হলেও ফেরত আসবে কবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। ‘ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ’ এর (আইসিএমার) বিজ্ঞানীদের পরামর্শ যে, আগামী কয়েক বছর কোভিড-১৯-কে জীবনের অংশ মনে করেই চলা প্রয়োজন। লকডাউন থাকুক বা উঠে যাক তার সাথে এই কথার হেরফের হবেনা।

আরও পড়ুনঃ রাজ্যে করোনার তাণ্ডব! লাফিয়ে বাড়লো মৃতের সংখ্যা

বিজ্ঞানীদের মতে, ভাইরাসের পরিবেশ টিকে থাকাটা তার মিউটেশনের উপরে নির্ভর করে। যদি দেখা যায় মিউটেশন আর হচ্ছেনা তেমন ভাবে, তবে সেই ভাইরাস তার ক্ষমতা হারায় আস্তে আস্তে।

‘ট্র্যানস্লেশনাল হেলথ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউট’- এর বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, কয়েক মাস পরে গোটা বিশ্বে আর কোথাও নতুন সংক্রমণ না হয়, যারা স্বল্প উপসর্গের বা উপসর্গহীন, তাঁরা এমনি সুস্থ হয়ে যান, আর যারা ক্রিটিক্যাল রোগী তাদের একাংশ মারা যান তবে তারপর যে জীবন শুরু হবে তা করোনা আসার পূর্বের জীবন হবেনা। সংস্থার ইমিউনোলজি অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর অমিত অবস্থীর কথায়, ‘সংক্রমণ থেমে যাওয়ার দু’বছর কমপক্ষে করোনার আসার আগের জীবন ভুলে যাওয়া শুধু তাই নয় করোনার সাথে আমাদের সহাবস্থান করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ জেনে নিন তৃতীয় লকডাউনে কি করতে পারবেন আর কি পারবেন না

করোনার ভ্যাকসিন আসতে পারে সেপ্টেম্বরেই, জানালো অক্সফোর্ড

corona vaccine arrive in septembar

লন্ডনঃ করোনা থেকে বাঁচতে গোটা বিশ্ব যখন চেষ্টার ত্রুটি রাখছে না, তখন আশা দেখালো অক্সফোর্ডের জেনার ইন্সিটিউট। ভ্যাকসিন তৈরী করে তার পরীক্ষা মানুষের উপর শুরু হয়েগিয়েছে। তবে করোনা ভ্যাকসিন কবে আসছে? এই প্রশ্নটার একটি উত্তর মিলল অক্সফোর্ড ইনস্টিটিউটের গবেষকদের কাছে।

তাঁরা বলছেন, যেভাবে ভ্যাকসিন তৈরির কাজ এগোচ্ছে, তাতে সেপ্টেম্বরের মধ্যেই ভ্যাকসিন পেয়ে যাবে গোটা বিশ্ব। মে মাসের মাঝখান পর্যন্ত এই ভ্যাকসিন পরীক্ষা করা হবে ৬০ হাজার মানুষের উপর।

আরও পড়ুনঃ করোনায় আক্রান্ত এক বাংলাদেশি চিকিৎসার জন্য সাঁতরে নদী পার করলো

এই ভ্যাকসিন তৈরির অন্যতম গবেষক ভিনসেন্ট মুনস্টারের কথায়, আমাদের ল্যাব এ যে সমস্ত জন্তুর শরীরে করোনা ভাইরাস আছে প্রচুর পরিমাণে, যেমন বাঁদর, তাদের উপর ভ্যাকসিনটি প্রয়োগের ২৮ দিন পরে একেবারে সুস্থ হয়ে গিয়েছে। যদিও গবেষকের একাংশের বক্তব্য, বাঁদরের শরীরে কাজ করেছে বলেই ধরা যায়না যে মানুষের শরীরেও দ্রুত কাজ করবে।

তবে আশাবাদি রাষ্ট্রসংঘ। রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরাস জানান, আন্ডার-ট্রায়াল ভ্যাকসিনটি বিশ্ববাসীর স্বাস্থ্য ভালোর জন্যই ব্যবহার করা হবে। এই ভ্যাকসিন যাতে সবাই পায়, অত্যন্ত সস্তায় দেওয়া হবে তার জন্য।

আরও পড়ুনঃ খারাপ থাকায় চিনা পরীক্ষার কিটের অর্ডার বাতিল করল কেন্দ্র

‘চিনের সাথে ব্যবসায় নারাজ গোটা দুনিয়া’ এই পরিস্থিতি আশীর্বাদ স্বরূপ ভারতের কাছে

this situation is good for India

নয়াদিল্লিঃ করোনার জেরে গোটা বিশ্ব এখন নাজেহাল। করোনার সাথে লড়াই করছে গোটা বিশ্ব। লকডাউন দীর্ঘ হতে থাকায় বিশ্ব অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে স্বাভাবিকভাবেই। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পরবর্তী সময়ে গোটা বিশ্বেই করোনা আর্থিক মন্দার আঘাত হানবে।

আরও পড়ুনঃ স্বাস্থ্য কর্মীদের হামলা করলেই হবে ৭ বছরের জেল ও জরিমানা

এই পরিস্থিতিতে চিন্তার ভাঁজ পড়লেও বিশ্ব মহলে, তবে ভারতের ক্ষেত্রে নাকি এই সময় আশীর্বাদ স্বরূপ। ঠিক এমনটাই মনে করছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়করি।

ইতিমধ্যেই জাপান চিন থেকে সরিয়ে নিতে যাচ্ছে মোটা অঙ্কের ব্যবসা। সেই ঘোষণাকে মাথায় রেখে নীতিন গড়করি বলেন, জাপানের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভারতের। তাই আশা রাখা যায় জাপান তার ব্যবসার প্রসারের ব্যপারে ভারতের কথা ভাববে। তাঁর কথায় শুধু জাপান নয় অন্যান্য দেশ গুলিও এ ব্যাপারে এগিয়ে আসবে। তাঁর মনে হয়, বিদেশি লগ্নির ক্ষেত্রে ভারত একেবারে উপযুক্ত। সস্তার জমি ও দক্ষ শ্রমিকের জন্য প্রথম তালিকায় থাকে সবসময় ভারত বিশ্ব বাজারে। সেই সুযোগ অবশ্যই কাজে লাগাবে বিদেশি সংস্থা।

আরও পড়ুনঃ কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের খাদ্য বিতরনের ছবি ফুটে উঠলো

পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন স্বাস্থ্যকর্মীদের

160 Doctors died

পাকিস্তানে এখনও পর্যন্ত মোট ১৬০ জন চিকিৎসক আক্রান্ত হয়েছে করোনায়। সব মিলিয়ে আক্রান্ত স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যা ২৫০ ছাড়িয়েছে। পিপিই সরঞ্জামের অভাবের কারণে মৃত্যু। তাই সরকার বিরোধী আন্দলনের ডাক দিয়েছে পাকিস্তানের ডাক্তাররা।

আরও পড়ুনঃ প্রথম করোনা ভ্যাকসিনের পরীক্ষা শুরু হল মহিলা বিজ্ঞানীর শরীরে

চিকিৎসক সলমন হাসিদ গ্র্যান্ড হেলথ অ্যালাইন্স নামক সংগঠনের তরফে জানাচ্ছেন, পাঞ্জাবের স্বাস্থ্যভবনের বাইরে ন’দিন ধরে ভুখা আন্দোলন চালাচ্ছেন তাঁরা।

সলমন হাসিদ বলছেন, এই মৃত চিকিৎসকরা দেশের শহিদ। তাঁদের দেওয়া হোক সেই মর্যাদা। তাঁরা একই সঙ্গে মৃত ব্যাক্তিদের পরিবারের জন্য অর্থসাহায্য দাবি করছেন।

আরও পড়ুনঃ জার্মানির উপর এখন করোনার চোখ, ২ দিনে আক্রান্ত ৭ হাজারের বেশি

পাকিস্তানে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১২,৫০০ জন। মৃত্যু হয়েছে ২৬১ জনের।