কড়া নজরদারি চলবে হটস্পট এলাকায় জানালেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোন্ত্রী আজ সকাল ১০ টায় জাতির উদ্দেশ্যে ভাষন দেন। সেই ভাষনে লকডাউন বৃদ্ধির কথা বলেন। তার সাথে আরও কিছু কথাও বলেন তিনি। যার মধ্যে তিনি জানান আগামীকাল একটা তালিকা আসবে। সেই তালিকা অনুযায়ী মানুষের অসুবিধার সমাধান করা হবে বলে জানান। তার সাথে যে সব জায়গাগুলি হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হবে সেই সব স্থানগুলিতে কড়া নজরদারী চালানো হবে বলে উল্লেখ করেন।

দেশের পরিস্থিতি যে একেবারেই ভালো নেই সেই অবস্থা মানুষের মুখ থেকে বার বার সুনতে পাওয়া যায় সোশাল মিডিয়ের মাধ্যমে। তারই মধ্যে লকডাউন বৃদ্ধি, বেশ কিছু অংশ মানুষের বিপদের সন্মুখিন হতে হবে। তবে এই করোনাকে প্রতিরোধ করার আর কোনো উপায় নেই বলে বলেন প্রধানমন্ত্রী। তাই তিনি সবাইকে ধৈর্যের সাথে বাড়িতে থাকতে বললেন।

আগামীকাল সকাল দশটায় প্রধানমন্ত্রীর জাতির উদ্দেশ্যে ভাষন

lockdown

দেশে প্রতিদিন লাফিয়ে বেড়ে চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। ২৪ মার্চ দেশজুড়ে লকডাউনের সূচনা করা হয়েছিল। সেই লকডাউন ১৪ এপ্রিল অর্থাৎ আগামীকাল শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও আরও ৭ টি রাজ্য আগেই ঘোষনা করে ফেলেছে যে সি রাজ্যে লকডাউন চলবে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত। দেশের পরিস্থিতির কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে রাজ্য সরকার।

আগামীকাল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঠিক সকাল ১০ টার সময় তিনি জাতির উদ্দেশ্যে আবার বার্তা দেবেন। এইবারের বার্ততে থাকতে পারে লকডাউন বৃদ্ধির কথা। কারণ আগেই তার ইঙ্গিন মিলেছে যখন দেশের সমস্ত রাজ্য সরকারের সাথে প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেন।

তবে এবারে নির্দিষ্ট সময়ে করতালি দেওয়া বা মোমবাতি ধরিয়ে দেওয়ার মতো কোনো কাজ থাকছে কি না সে নিয়ে জল্পোনার শেষ নেই। সব কিছুই পরিস্কার হয়ে যাবে আগামীকাল সকালে।

ভারতের পঞ্চাশ শতাংশ ছড়িয়ে পড়লো করোনা

corona virus

নয়াদিল্লিঃ বিভিন্ন রাজ্য বলছে একরকম সংখ্যা। কেন্দ্রীয় সরকার অন্যরকম বলছে। এই নিয়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ঠিক কত তা নিয়ে তৈরি হচ্ছে ধোঁয়াশা। বিভিন্ন রাজ্যের ঘোষিত আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃত্যুর সংখ্যাকে যোগ করলে কেন্দ্রের দেওয়া ডেটার মিল পাওয়া যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে উদ্বেগের বিষয় হল, প্রায় ভারতের ৫০ শতাংশ জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে করোনা।

ডেটা বলছে এতদিনের মধ্যে রবিবার সবচেয়ে বেশি করোনা আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে দেশে। সবচেয়ে প্রথম রয়েছে মহারাষ্ট্র, এখানে আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৭৬১ জন। এরপরেই সবথেকে বেশি আক্রান্ত হয়েছে দিল্লি ও তামিলনাড়ু, আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৬৯ ও ৯৬৯ জন। এরপর আছে আরও দেশের আরও সব জায়গা, রাজস্থানে ৭০০, গুজরাটে ৪৩২, অন্ধ্রপ্রদেশে ৩৮১, কেরলে ৩৭৪, কর্নাটকে ২২৬, জম্মু-কাশ্মীরে ২২৪, হরিয়ানায় ১৮৫, পাঞ্জাবে ১৫১, পশ্চিমবঙ্গে ৯৫, বিহারে ৬৪, ওড়িশায় ৫৪, উত্তরাখন্ডে ৩৫, অসমে ২৯, হিমাচলপ্রদেশে ৩২, ঝাড়খণ্ডে ২৫, চণ্ডীগড়ে ১৯, ছত্তীশগড়ে ১৯, লাদাখ ১৫, আন্দামান-নিকোবরে ১১ জন করোনায় আক্রান্ত। এছাড়াও গোয়া, পুদুচেরিতে ৭ জন, মণিপুর ও ত্রিপুরায় ২ জন, মিজোরাম ও অরুণাচলপ্রদেশে ১ জন করে আক্রান্ত হয়েছে।

এই মুহুর্তে দেশের ৭৩৬ টি জেলার মধ্যে ৩৬৪ টি জেলা করোনায় কবলিত। দেশে ৮ হাজার ৪৪৭ জন আক্রান্ত করনায় ও মৃত্যু হয়েছে ২৭৩ জনের, সেরে উঠেছে ৭৬৪ জন ।

দিনের শেষে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়ালো ৭,৫২৯

coronavirus

ভারতের করোনা আক্রান্তের সংখ্যা যে হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে বোঝাই যাচ্ছে যে লকডাউন তুলে নেওয়াটা খুব একটা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। কিছু দিনে আগেই ভারতের করোনা আক্রান্তের সংখ্যাটার ফলে বহু দেশ ভারতের থেকে আগে ছিল। বর্তমানে আমেরিকার নাম প্রথমে আসে এই ব্যপারে। আর তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে স্পেন।

যে হারে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে তালিকার প্রথমে যেতে ভারতের বেশি দিন সময় লাগবেনা। আক্রান্তের তৃতীয় ধাপে পা দিতে চলেছে ভারত। আজ দিনের শেষে ভারতে করোনাতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭,৫২৯ জন। এই সংখ্যার মধ্যে ৬৫৩ জন মানুষ সুস্থ্য ভাবে নিজের বাড়ি ফিরে গেছে, আর ২৪২ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। এই সংখ্যাটা খুব একটা ভালো ইঙ্গিন দিচ্ছে না ভারতের মানুষকে।

আমাদের রাজ্যে সংখ্যাটা ১২৬ জনে দাঁড়িয়েছে। তার মধ্যে ১৬ জন সুস্থ্য ও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী এই লকডাউনের সময় বৃদ্ধি করে এই মাসের শেষ পর্যন্ত করে দিল।

আগামী রবিবার জাতির উদ্দেশ্যে ভাষনে কি বলবেন নরেন্দ্র মোদী?

lockdown

দেশের ও প্রতিটি মানুষের অবস্থা যে দিন দিন খারাপ হয়ে আসছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই কারো। পরিস্থিতি এখনও পর্যন্ত আয়ত্তের মধ্যেই রয়েছে বলে জানা যায় স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য থেকে। তবে যে গতিতে করোনা ভাইরাস ভারতের মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে তাতে পরিস্থিতি এক বার হাতের বাইরে গেলে আর আটকানো যাবেনা।

ভারতে এখনও পর্যন্ত কোভিড ১৯ এ আক্রান্ত হয়েছে ৬,৭৬১ জন। মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০৬ জন। পশ্চিমবঙ্গে আক্রান্ত ১০৬ ও মৃতের সংখ্যা ৫।

দেশের এই অবস্থাতে লকডাউন তুলে নিলে করোনা ছড়িয়ে পড়তে পারে প্রতিটি ঘরে ঘরে। এই ভয়ের কথাই বার বার বলে চলেছে ভারতের স্বাস্থ্য বিভাগ। এখনও পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের হার যা দেখা যাচ্ছে তাতে লকডাউন বাড়িয়ে নিয়ে যাওয়াটাই শ্রেয়, সেই কথা জানিয়েছে বিশ্বে বিভিন্ন স্বাস্থ্য সংখ্যা।

সেই সূত্র ধরে বেশিরভাগ মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য লকডাউন বৃদ্ধির দিকে। তবে সবার শেষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রতিটি মুখ্যমন্ত্রীর সাথে ভিডিও কনফারেন্সে বসতে চান। সেই দিন ঠিক করা হয়েছে এই শনিবার। আর তার পরেই জানা যাবে দেশে লকডাউনের সময়সীমা বৃদ্ধি হচ্ছে কি না। প্রতিবারের মতো প্রধানমন্ত্রী রবিবার জাতির উদ্দেশ্যে ভাষনে জানাবেন কি হতে চলেছে আগামী দিনের ভারত।

বাচ্চার নাম রেখেছে “করোনা” এবং “লকডাউন”, ভাবা যায়!

baby name corona and lockdown

করোনা এক ভয়াবহ রূপ ধারন করেছে সমগ্র মানব জাতির জন্য। ৫০ হাজারের বেশি মানুষ মারা গিয়েছে এই জীবানুর কারনে। আর এই মৃত্যু লীলা যে কত চলবে তার উত্তর এখন বিজ্ঞানীদের কাছেও নেই।

তবে এরই মাঝে উত্তর প্রদেশে এক কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। যার নাম রাখা হয়েছে “করোনা”। উত্তর প্রদেশেই আর এর পুত্র সন্তান জন্ম গ্রহন করে যার নাম রাখা হয়েছে “লকডাউন”। এখানেই শেষ নয়, ছত্রিশগড়ে দুই যমজ সন্তানের জন্য হয় যাদের নাম রাখা হয়েছে “করোনা” ও “কোভিড”।

যখন যমজ সন্তানের পিতা-মাতার কাছে জানতে চাওয়া হয় যে এই নাম রাখার পিছনে কারণ কী? তারা বলেন, এই নাম দিয়ে মানুষ এখনকার ভায়াবহ পরিস্থিতির কথা মনে রখবে। সাথে করোনা ভাইরাসের উপর মানুষের জয়ের ইতিহাস বহন করবে এই নাম । তাই এই ধরনের নাম রেখেছেন তারা।

লকডাউন নাম টি এসেছে প্রধানমন্ত্রীর ডাকা ২১ দিনের লকডাউন থেকে। এই নাম নাকি বার বার মনে করিয়ে দেবে যে কি কঠিন সময়ে সেই সন্তানের জন্ম হয়ে ছিল এই ভারতের বুকে।

যাইহোক, নামের যাই মহিমা হোক না কেন এই নাম যে যুগ যুগ ধরে মানুষের মনে থেকে যাবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে এই নামে পরবর্তী কালে যে হাস্য রসিকতার পাত্র হতে পারে না সেই কথাও বা কে বলতে পারে।

যাদের জনধন অ্যাকাউন্ট আছে তাদের জন্য সুখবর, জেনে নিন এখনই

2000 rupees

করোনা ভাইরাসের ফলে দেশে লকডাউন ডাকার ফলে দিন মজুর মানুষের সব থেকে বড় ক্ষতির সন্মুখিন হতে হচ্ছে। সেই শ্রেনীর মানুষদের কথা ভেবে আগেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ১.৭ লক্ষ কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষনা করেছিলেন। এই বার এই ঘোষনাকে বাস্তবায়িত করার সময় এসেছে। তাই কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে জানা যাচ্ছে যেসকল মহিলার জনধন অ্যাকাউন্ট রয়েছে তাদের প্রত্যেকে আগামী তিনমাস ৫০০ টাকা করে ঢুকবে। সেই টাকা আসবে কেন্দ্র থেকে।

আরও পড়ুনঃ দেশবাসীর জন্য বড় ঘোষনা প্রধানমন্ত্রীর, জানুন বিস্তারিত

তবে প্রথমদিনেই সবার কাছে টাকা এসে পৌঁছাবে না। ধাপে ধাপে সেই টাকা এসে পৌঁছাবে মানুষের কাছে। কিছু দিনের মধ্যেই এই বন্টন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। মানুষ যাতে একই সঙ্গে গিয়ে ব্যাঙ্কে বা এটিএম এ ভিড় না করে তাই জন্যই একই সাথে সবার কাছে টাকা এসে পৌঁছাবে না।

এছাড়াও একাধিক প্রকল্পের ঘোষনা করেছিলেন দেশের অর্থমন্ত্রী। এই অনুযায়ী আগামী তিনমাস দেশের সমস্ত বিপিএল কার্ডের পরিবারকে বিনামূল্যে রান্নার গ্যাস প্রদান করবে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রায় ৮ কোটিরও বেশি মানুষ এই সুবিধা পাবে বলে জানা যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ করোনা যুদ্ধে মোকাবিলায় ভারতকে বিপুল অর্থ সাহায্য বিশ্ব ব্যাঙ্কের

করোনা যুদ্ধে মোকাবিলায় ভারতকে বিপুল অর্থ সাহায্য বিশ্ব ব্যাঙ্কের

World Bank Spend huge money in India

ভারতবর্ষে দিকে দিকে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা যে হারে বেড়ে চলেছে তা দেখে বলাই যায় আগামী কিছু দিনের মধ্যে দেশে আর্থিক সংকট দেখা দিতে পারে। করোনা ভাইরাসের আক্রমনের ফলে বিশ্বে প্রথম শ্রেনীর দেশ গুলি বিপযস্ত হয়ে পড়েছে। আর এই ভাইরাস যে শুধুমাত্র প্রথম শ্রেনীর দেশেই সীমাবদ্ধ আছে তা নয়। দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেনীর দেশগুলিতেও এই জীবাণু মহামারীর আকার ধারন করেছে। ভারতের মতো দেশে যদি এই ভাইরাস আরও ছড়িয়ে পড়তে থাকে তাহলে পরিস্থিতি যে কোথায় দিয়ে দাঁড়াবে তা ভাবলেও কোনো কুল কিনারা পাওয়া যায় না।

আরও পড়ুনঃ করোনা মোকাবিলায় বিশাল পরিমাণ অর্থ সাহায্য করল গুগল

এই পরিস্থিতিতে ভারতের পাশে দাঁড়াল বিশ্ব ব্যাংক। বিপুল পরিমান অর্থের সাহায্য করবে বলে জানালো বিশ্ব ব্যাংক। বৃহস্পতিবার বিশ্ব ব্যাংকের বর্তমান প্রসিডেন্ট ডেভিড মাল্পাস এই বিষয়ে বলেন, ভারতকে এই জরুরি আর্থিক সংকটে ১০০ কোটি মার্কন ডলার প্রদান করা হবে। সেই টাকা থেকে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মানুষ ও সন্দেহ জনক মানুষদের যথাযথ টেস্ট ও চিকিৎসা করার কাজে সেই টাকা ব্যবহার করতে পারবে ভারত।

বিশ্ব ব্যাংক ভারত ছাড়াও আরও ২৪ টি দেশকে সহায়তা করার কথা জানিয়েছে। এর জন্য বিশ্ব ব্যাংক মোট ১৯০ কোটি মার্কিন ডলার খরচ করবে বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ বিনা পরীক্ষাতেই পরের শ্রেনীতে পড়ুয়াদের, সিবিএসই-র সিদ্ধান্ত

ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২ হাজার, মৃত ৫০ ছাড়াল

Coronavirus In India

সময় যে ভালো যাচ্ছে না তা ভালো ভাবেই বোঝা যায়। কয়েক দিনের মধ্যেই করোনা ভাইরাস যেন লাফিয়ে লাফিয়ে শিকার করতে বার হয়েছে ভারতের মাটিতে। সপ্তাহ খানেক আগেই যে সংখ্যা ছিল ছয়শো, তা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার।

স্বাভাবিকভাবেই বোঝা যাচ্ছে যে ভবিষ্যেতে এই সংখ্যা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে। হঠাৎ ভাবে এই সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার পিছনে হতে পারে দুটি মুখ্য কারণ, নিজামুদ্দিনের ধর্ম অনুষ্টান ও দিল্লি থেকে ছড়িয়ে পড়া দিন শ্রমিক যারা ভারতের বিভিন্নদিকে উপস্থিত নিজ বাড়িতে চলে যায়। ফলে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যায় মাত্রাহীন হাবে।

আরও পড়ুনঃ আজ সকাল ৯ টায় দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্র

এই সংখ্যা যদি এই গতিতে বাড়তে থাকে তাহলে আগামি ১৫ দিনের মধ্যেই ভারতে প্রায় ১ থেকে ২ লক্ষ মানুষ এই Covid-19 এর কবলে চলে আসবে।

ফলে দেখা দেবে কিছু অপ্রত্যাশিত ঘটনা। ফলে অনুমান করা হচ্ছে যে, ভারতেই মারা যেতে পাড়ে ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ। আমরা দেখেছি যে কিভাবে আমেরিকাতে মাত্র ৪ দিনের ভিতরে ১ লক্ষেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয় আর ইতালির মৃত্যু সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার।

সরকারি ভাবে লকডাউনের সময়সীমা বৃদ্ধি হওয়ার কোনো খবর এখন জানা যায়নি। তবে আরও ভালোভাবে মানুষের যাচাই করা হচ্ছে এবং যারা ওই অনুষ্টানে উপস্থিত ছিল তাদের মধ্যে কিছু মানুষ করোনায় আক্রান্ত ও কিছু মানুষকে নজরে রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ কলকাতা পুলিশ এবার গান গেয়ে প্রচার করলেন করোনা

আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৬৫৭, এক দিনে বাড়লো ১২১ এর বেশি

india-fight-for-coronavirus

সমগ্র বিশ্ব এখন করোনা ভাইরাসের কবলে। মানুষের প্রতিদিনের সাধারন জীবন-যাপন পদ্ধতি হঠাৎ থমকে গেছে। মৃতের সংখ্যাটা বেড়েই চলেছে, থামার নাম নিচ্ছেনা। এই সময় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ বিভিন্নভাবে এই ভাইরাসের মোকাবিলা করার চেষ্টা করে চলেছে।

২৪ মার্চ রাত পর্যন্ত ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল প্রায় ৫৬২। রাত শেষ হয়ে ২৫ মার্চের শেষ রাত পর্যন্ত সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৬২১। আর ২৬ এর সকাল হতে হতে তা হয়ে যায় ৬৫৭। সংখাটা থাকা তো দুরের কথা, বৃদ্ধির গতিবেগ প্রত্যেক দিন বেড়ে চলেছে।

পরিস্থি অনুযায়ী এই ভাবে বাড়তে থাকলে বিজ্ঞানিদের ভবিষ্যৎবাণী বাস্তবে রুপান্তরিত হবে। বিজ্ঞানীদের মতে, মে মাসের মাঝ পর্যন্ত শুধুমাত্র ভারভে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৩ লাক্ষ ছুয়ে যাবে। এটি একটি খুবই গুরুত্বপূর্ন সময় প্রতিটি ভারতবাসীর জন্য।