ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে চালু হল কেন্দ্রের নতুন নিয়ম

Indian Driving Licence

গত শুক্রবার সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক মন্ত্রকের তরফ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান হয়েছে, সব হাল্কা ও মাঝারি বর্ণান্ধ ব্যক্তিরা এবার থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাবেন। পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রকের তরফে তাই মোটর ভেহিকল নিয়মে এবার প্রয়োজনীয় সংশোধন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রকের তরফ থেকে আরও জানানো হয়েছে, এই সুবিধা বিশ্বের অন্যান্য স্থানেও হাল্কা ও মাঝারি বর্ণান্ধদের দেওয়া হয়ে থাকে।

আরও পড়ুনঃ ZOMATO-এর কর্মীরা টি শার্ট পুড়িয়ে প্রতিবাদ জানালেন চিনের বিরুদ্ধে

পরিবহন ও সড়ক মন্ত্রকের তরফ থেকে দেওয়া নতুন নিয়মের ফলে কেন্দ্রীয় মোটর ভেহিকল নিয়ম ১৯৮৯-এর ফর্ম ১ ও ২ (এ) সংশোধিত করবার জন্য বিজ্ঞপ্তি জারী করা হয়েছে। এর ফল স্বরূপ হাল্কা ও মাঝারি বর্ণান্ধ ব্যক্তিরা সহজে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাবেন।

তবে কালার ব্লাইন্ড এর সমস্যায় থাকা মানুষদের নিয়ে চিন্তায় পড়তে হয়। পরে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী তাদেরও ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ সূর্যের উপর ১০ বছরের নজরদারি, ভিডিও প্রকাশ করল নাসা

তিনটি নদীর জল বন্ধ করতে চলেছে ভারত, বঞ্চিত হতে চলেছে পাকিস্তান

Nitin Gadkari

অখন্ড ভারতের ছয়টি প্রধান নদী। সেই নদীগুলির মধ্যে তিনটি নদীর জন ভারত থেকে পাকিস্তানে প্রবাহিত হয়ে থাকে। মোদী সরকার সেই তিন নদীর জলপ্রবাহ বন্ধ করার পথে হাঁটছে। এর রকমই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়করি। এই জলপ্রবাহ বন্ধ করে দিতে পারলে সেই জল পাবে জম্মু ও কাশ্মীর, পঞ্জাব, উত্ত্রাখন্ড, দিল্লি ও হিমাচল প্রদেশ।

আরও পড়ুনঃ দিনের পর দিন ধর্ষণের জেরে লকডাউনেই জঙ্গলে ঠাঁই ২ পরিযায়ী শ্রমিকের

মহারাষ্ট্রের নাগপুর থেকে গুজরাতে বিজেপির ভার্চুয়াল জন সমাবেশ বকতৃতা দিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়করি আরও বলেন, ভারত শান্তি ও অহিংসায় বিশ্বাসী। অন্য দেশের জায়গা দখল করে শক্তিশালি হতে চায় না। এরই মাঝে তিনি আরও বলেন, ‘অখন্ড ভারতে’ ছয়টি নদী ছিল। যেগুলি ভারত ও পাকিস্তান দুই দেশেই প্রবাহিত হয়। চুক্তির কারনে তিনটি নদীর জল পাকিস্তানে যাবে, আর তিনটি নদীর জল ভারতে থাকবে। কিন্তু ভারতের ভাগের তিনটি নদীর জলও পাকিস্তানেও প্রবাহিত হচ্ছে।

তাই এবার পাকিস্তানে ভারতীয় নদীর জলপ্রবাহ বন্ধ হবে। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় সরকার বিজেপি নেতৃত্বাধীনে এই পদক্ষেপ নেওয়ার সাহস দেখিয়েছে। এর আগে কোনো সরকার এই বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। তার সাথে দেশের রাজ্যগুলির মধ্যে যে দ্বন্দ্ব রয়েছে তাও মেটাতে আগ্রহী মোদী সরকার।

আরও পড়ুনঃ ফুলশয্যার রাতেই নববধূকে নৃশংস ভাবে খুন করল স্বামী

এক দেশ এক শিক্ষা ব্যবস্থার উপস্থাপনার কথা জানালেন অর্থমন্ত্রী

one country one education

করোনার কারনে দেশে লকডাউন আরম্ভ হয়েছিল মার্চ মাসে। সেই থেকে যেমন দেশের সব কিছু বন্ধ হয়ে পড়েছে, পাশাপাশি স্তব্ধ হয়ে গেছে শিক্ষা ব্যবস্থা। পড়ুয়াদের কথা ভেবে দেশে শিক্ষা ব্যবস্থা যাতে একেবারে বন্ধ হয়ে না পড়ে তাই কেন্দ্রীয় সরকার চালু করতে চলেছে অনলাইন ক্লাস। ইতি মধ্যেই কিছু স্কুল অনলাইন শিক্ষা প্রদান চালু করে দিয়েছে। আবছা ভবিষ্যতের কথা ভেবেই এই সিন্ধান্ত গ্রহন করেছে দেশের মোদী সরকার।

দেশের প্রান্তরে প্রান্তরে এখন এক প্লাটফর্ম নিয়ে হাজির কেন্দ্র। রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে দেশের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন জানান, এবার থেকে এক দেশ-এক অনলাইন শিক্ষা ব্যবস্থা তৈরির পথে সরকার। এই পিএম বিদ্যা প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্থাকে পৌঁছে দেবে দেশের প্রতিটা কোনে কোনে।

আরও পড়ুনঃ চতুর্থ লকডাউনে পেতে পারেন এ সমস্ত সুবিধা!

শুরু থেকেই দেখা গেছে বর্তমান সরকার জোর দিয়েছে প্রযুক্তিকিকরণে। বার বার দেশের বিভিন্ন পরিস্থিতে প্রযুক্তিকে কাজে লাগানো হয়েছে। এই বার এক ধাপ এগিয়ে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকেই অনলাইনে এনে শিক্ষার্থদের বাড়ি থেকে শিক্ষা গ্রহনের ব্যবস্থা করে দিতে চলেছে মোদী সরকার। তবে যাদের কাছে ইন্টারনেট পরিষেবা নেই তারা ডিটিএইচ ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহন করতে পারবে। ১২ টিরও অধিক চ্যানেলের সংযুক্তি হবে কিছু দিনের মধ্যেই।

অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে ভার্চুয়াল ক্লাসের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সব রাজ্যে ই-টেক্সট বুক পাঠানো হবে। শুরু হতে চলেছে এক ক্লাস এক চ্যানেল।

আরও পড়ুনঃ ভারতের পাশে আমেরিকা, করোনার মোকাবিলায় ভেন্টিলেটর দিয়ে সাহায্য আমেরিকার

যাদের জনধন অ্যাকাউন্ট আছে তাদের জন্য সুখবর, জেনে নিন এখনই

2000 rupees

করোনা ভাইরাসের ফলে দেশে লকডাউন ডাকার ফলে দিন মজুর মানুষের সব থেকে বড় ক্ষতির সন্মুখিন হতে হচ্ছে। সেই শ্রেনীর মানুষদের কথা ভেবে আগেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ১.৭ লক্ষ কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষনা করেছিলেন। এই বার এই ঘোষনাকে বাস্তবায়িত করার সময় এসেছে। তাই কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে জানা যাচ্ছে যেসকল মহিলার জনধন অ্যাকাউন্ট রয়েছে তাদের প্রত্যেকে আগামী তিনমাস ৫০০ টাকা করে ঢুকবে। সেই টাকা আসবে কেন্দ্র থেকে।

আরও পড়ুনঃ দেশবাসীর জন্য বড় ঘোষনা প্রধানমন্ত্রীর, জানুন বিস্তারিত

তবে প্রথমদিনেই সবার কাছে টাকা এসে পৌঁছাবে না। ধাপে ধাপে সেই টাকা এসে পৌঁছাবে মানুষের কাছে। কিছু দিনের মধ্যেই এই বন্টন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। মানুষ যাতে একই সঙ্গে গিয়ে ব্যাঙ্কে বা এটিএম এ ভিড় না করে তাই জন্যই একই সাথে সবার কাছে টাকা এসে পৌঁছাবে না।

এছাড়াও একাধিক প্রকল্পের ঘোষনা করেছিলেন দেশের অর্থমন্ত্রী। এই অনুযায়ী আগামী তিনমাস দেশের সমস্ত বিপিএল কার্ডের পরিবারকে বিনামূল্যে রান্নার গ্যাস প্রদান করবে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রায় ৮ কোটিরও বেশি মানুষ এই সুবিধা পাবে বলে জানা যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ করোনা যুদ্ধে মোকাবিলায় ভারতকে বিপুল অর্থ সাহায্য বিশ্ব ব্যাঙ্কের