এই নিয়ে তৃতীয়বার হাসপাতালে ভর্তি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Amit Shah

নয়াদিল্লিঃ অমিত শাহ আবার ভর্তি হলেন হাসপাতালে। এর আগে করোনা আক্রান্ত হয়ে গুরুগ্রামের মেদান্ত হাসপাতালে ভর্তি হন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ১৪ অগাস্ট তাঁর করোনার টেস্টের রিপোর্ট নেগেটিভ আসে।

আরও পড়ুনঃ চিন নিয়ে এলো নতুন এক পদ্ধতির করোনা টিকা

করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার পর ক্লান্তি অনুভব করায় তাঁকে আবার ভর্তি করা হয় এইমসে। তিনি ১৩ দিনের মাথায় ৩১ অগাস্ট ছাড়া পান হাসপাতাল থেকে।গতকাল রাতে শ্বাসকষ্টের সমস্যার জন্য তাঁকে ভর্তি করা হয় এইমস হাসপাতালে। আপাতত শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। এই নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তৃতীয়বার ভর্তি হলেন হাসপাতালে।

আরও পড়ুনঃ পুজো আগেই মেদ ঝরান, রইলো তার ডায়েট

‘আমি পুরোপুরি সুস্থ’ গুজব উড়িয়ে বার্তা দিলেন অমিত শাহ

amit shah

নয়াদিল্লিঃ করোনা পরিস্থিতির মোকাবিলায় দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যস্ত রয়েছেন। তিনি সম্পুর্ণ সুস্থ রয়েছেন। তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে যে গুজব ছড়িয়ে ছিল তা উড়িয়ে দিয়ে এমনটাই জানালেন তিনি ট্যুইটারে। তিনি অসুস্থ বলে যে গুজব ছড়িয়ে ছিল তা একেবারেই সত্য নয় দাবি করলেন কেন্দ্রিয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

আরও পড়ুনঃ সুরতে পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর, যানবাহনের ক্ষতি, আটক 50

তিনি ট্যুইটারে লেখেন, ‘আমি সম্পুর্ণ সুস্থ আছি এবং আমি কোনো রোগে ভুগছি না’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থা নিয়ে নানারকম জল্পনা ছড়ানোর পর এই ট্যুইট করেন অমিত শাহ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানালেন, এই সংকটময় পরিস্থিতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসাবে তিনি ব্যস্ত থাকায় এসব গুজবে কান দেওয়ার সময় পাননি। বিষয়টি নজরে আসার পর এই সমস্ত গুজব উপেক্ষাই করেছিলেন তিনি। তিনি জানান এই ট্যুইট তিনি করেন কারন একাধিক বিজেপি কর্মী-সমর্থক তাঁকে নিয়ে উদ্বিগ্ন, তাই তিনি তাঁদের উদ্বেগ দূর করলেন।

আরও পড়ুনঃ পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরাতে ট্রেনের আবেদন না করায়, মমতাকে চিঠি অমিত শাহের

লকডাউনে এই সেক্টরগুলিতে কাজ চালুর নির্দেশ দিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

একদিন আগেই জাতির উদেশ্যে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন বুধবার দিন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়ে দেবে লকডাউনের দ্বিতীয় পর্বে কোন কোন সেক্টরে কাজ চালু হবে। সারা দেশে পুরোপুরি লকডাউনের জেরে অর্থনীতি থেমে গেছে কার্যত। এই লকডাউনের সময় যাতে দিন আনা দিন খওয়া মানুষেরা আবার কাজে যোগ দিয়ে নিজেদের পেট চালাতে পারেন তার দিকেও নজর দিতে হচ্ছে কেন্দ্রকে এর পাশাপাশি লড়াই চালাতে হচ্ছে মারণ করোনা ভাইরাসের সঙ্গে।

কেন্দ্রিয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানালো, গ্রামীণ এলাকায় মাল প্রসেসিং, ম্যানফ্যাকচারিং ইউনিট, শিল্প ক্ষেত্রকে ছাড় দেওয়া হল। কেন্দ্রিয়মন্ত্রক-এর পক্ষ থেকে জানানো হল, গ্রাম্য এলাকায় কনস্ট্রাকশন কাজ চালিয়ে যাওয়া যাবে। তখনই শহরাঞ্চলে কনস্ট্রাকশন জারি রাখা যাবে যখন কর্মরত শ্রমিকরা অনসাইটেই যদি থাকেন।