চিনকে জবাব দেওয়া শুরু, পিঠে নয় পেটেই হানা হল প্রথম আঘাত

বুধবার ঘটে যাওয়া হামলার যোগ্য জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল ভারত। উপযুক্ত জবাব দেবে বলে জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাই সামরিক পথে নয় জবাবটা বানিজ্যিক পথেই দেওয়া হবে তা একেবারে স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দেওয়া হল।

২০১৬ সালে ভারতীয় রেল চিনা সংস্থা, ‘বেজিং ন্যাশনাল রেলওয়ে রিসার্চ অ্য়ান্ড ডিজাইন ইনস্টিটিউট অব সিগনাল অ্যান্ড কমিউনিকেশন গ্রুপ কোম্পানি লমিটেড’ এর সাথে কানপুর-দিন দয়াল উপাধ্যায় শাখার লাইনে কিছু কাজ করার বরাত দিয়েছিল। সেই কাজের মাত্র ২০ শতাংশ সম্পুর্ন করেছিল সেই সংস্থা। মোট ৪৭১ কোটি টাকার চুক্তি হয়েছিল। সেই চুক্তি বাতিল করা হল ভারতীয় রেলের পক্ষথেকে। সিগনাল ঠিক করতে এসে নিজেরাই লাল সিগনাল পেল ভারতীয় রেলের থেকে।

আরও পড়ুনঃ তিনটি নদীর জল বন্ধ করতে চলেছে ভারত, বঞ্চিত হতে চলেছে পাকিস্তান

ঠিক একই ভাবে ভারতীয় টেলিকম শিল্পের অনেকটাই জুড়ে রেখেছে চিনা প্রযুক্তি। ভারত-চিন সংঘর্শের পর চিনা প্রযুক্তি নির্ভরশীল টেলিকম ব্যবস্থায় চিনা প্রযুক্তির ব্যবহার কমানোর পথে হাঁটছে ভারত।

একদিনে বাণিজ্যিক দিক থেকে পুরোপুরিভাবে চিনকে মুছে ফেলা হয়তো সম্ভব নয়। তবে এই ভাবে একে একে সমস্ত বিভাগ থেকে ভারতথেকে মুছে ফেলে ও স্বদেশী জিনিসের উৎপাদনের প্রতি জোর দিলেই চিনকে সায়েস্তা করা যেতে পারে।

আরও পড়ুনঃ মাত্র ৯৫ টাকাতে বিক্রি হচ্ছে একটি গোটা বাড়ি, ইতালির শহর চিনকুইফ্রন্ডে

Leave a Comment