রামমন্দির তৈরী হবে ৪২ মাসের মধ্যেই, জানেন মন্দির তৈরীতে কত টাকা খরচ হবে!

৪২ মাসের মধ্যে মন্দির নির্মাণ শেষ করতে চায় রামমন্দির ট্রাস্ট। বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মন্দিরের নকশা তৈরী। ভূমিপুজোর পরদিন থেকে শুরু হয়ে গেছে মন্দির তৈরীর কাজ।

মন্দিরের কাজ সাড়ে তিন বছরে শেষ কয়ারার পরিকল্পনা রয়েছে। যেভাবে মন্দির তৈরীর পরিকল্পনা, তার জন্য দরকার দক্ষ কারিগর। গুজরাত ও রাজস্থানের ২৫০ কারিগরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁদের হাতের তৈরী হবে আকাশছোঁয়া মন্দির।

রাজস্থানের গোলাপি পাথরের গায়ে ফুটিয়ে তোলা হবে আপূর্ব কারিকার্য। মন্দির নির্মাণ করার মূল দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অনুভাই সোমপুরা-কে। তাঁদের পারিবারিক সংস্থা নকশা তৈরী করেছে মন্দিরের।

১ লক্ষ কিউবিক স্কোয়্যার মিটার গোলাপি পাথর আনা হয়েছে। আরও ২ লক্ষ কিউবিক স্কোয়্যার মিটার পাথর লাগবে। অবশ্য মন্দিরের কাজ সেই ১৯৯০ থেকেই চলছে। একদিন স্বপ্নপূরণ হবে, সেই বিশ্বাসে হয়ত কয়েকশো শিল্পী মন্দির তৈরীর কাজ চালিয়ে গেছেন। কর্তৃপক্ষের দাবি যে, ৬৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়ে গেছে মন্দিরের। তৈরী কাঠামো নিয়ে বসিইয়ে দিলেই হবে। তবে মন্দির আড়ে-বহরে বাড়ছে মাথায় রাখতে হবে সেটা।

মন্দির ১৪১ ফুট-এর বদলে হবে ১৬১ ফুট উঁচু। মূল মন্দিরটি দো-তলার বদলে হবে তিন তোলা। মন্দিরের মোট এলাকা ৭০ একর। পিলারের সংখ্যা ২১২ থেকে বাড়িয়ে ৩৬০টি করা হয়েছে। তিনটি গম্বুজের বদলে হবে পাঁচটি গম্বুজ।

আরও পড়ুনঃ করোনা আবহে ডায়াবেটিস রোগীরা সুস্থ থাকবেন কী করলে দেখে নিন

ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে গ্রাউন্ড ফ্লোরের কাজ। পাথরের কাজ হয়ে আছে অনেকটাই। গেঁথে নেওয়া হবে জায়গায় নিয়ে গিয়ে। নকশা তৈরীর দায়িত্বে থাকা নিখিল সোমপুরার দাবি, ২০২৪ সালের জানুয়ারির মধ্যেই লক্ষ্য থাকছে কাজ শেষের।

অযোধ্যায় শোনা যাচ্ছে, ২০২৪ সালের হোলির দিন মন্দির খোলার সম্ভাবনার কথা। শোনা যাচ্ছে যে, রামমন্দির তৈরীতে আনুমানিক ৩০০ কোটি টাকা খরচ হবে।

আরও পড়ুনঃ চিনে আবার নতুন রোগের দেখা মিলল, জেনে নিন এই মারন রোগের উপসর্গ

Leave a Reply