দেখা দিল করোনার নতুন উপসর্গ, ডাক্তারদের নজর এখন পায়ের দিকে

বিশ্বব্যাপী নভেল করোনাভাইরাস দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। তাই সময়ের সাথে সাথে করোনা ভাইরাস আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। এই কোভিড-১৯ এর হাত থেকে কবে যে বাঁচার উপায় বার হবে তা বিজ্ঞানীরা বলতে পারছে না এখনও। বেশ কিছু দিন আগে থেকেই আইসিএমার থেকে জানানো হয়েছিল, ভারতে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ৮০ শতাংশ মানুষের কোনো রকম লক্ষণ ছিল না। এই রোগের লক্ষনবিহীন বৈশিষ্ঠ থাকার কারনে আক্রান্তদের চিহ্নিত করা বেশ কঠিন। ফলে তাদের থেকে আশে পাশের মানুষের মধ্যে এই রোগ ছড়িয়ে পড়ছিল। তবে বর্তমানে ডাক্তারদের মত, কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত ব্যক্তিদের সাধারন কিছু উপসর্গ যেমন সর্দি-কাশি, জ্বর, দূর্বল হয়ে পড়ার পাশাপাশি রোগী চিহ্নিত করার আরও একটি উপায় করেছে।

কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হওয়া মানুষের মধ্যে কিছু মানুষের মধ্যে পায়ের আঙ্গুলে রক্তনালীগুলিতে প্রদাহ বেড়ে যেতে দেখে ইতালির কিছু ডাক্তাররা। তবে সেই তাঁরা লক্ষনগুলিকে করোনার সাথে জড়াতে চাননি সেই সময়। এই রোগ বেশি দেখা যাচ্ছিল সেই সব অঞ্চলের মানুষদের মধ্যে যেখানে সব থেকে বেশি কোভিড-১৯ এর রোগী পাওয়া যাচ্ছিল। এই অস্বাভাবিক রোগের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘কোভিড টোস’ বা ‘কোভিড পায়ের আঙুল’। তবে গবেষনা না করে কিছু বলতে চাননি তারা।

আরও পড়ুনঃ করোনায় মৃতের সংখ্যা ছাড়াল পঞ্চাশ হাজার, হাহাকার অ্যামেরিকায়

এখন এই ‘কোভিড টোস’ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও দেখা দিচ্ছে। সেই সব জায়গা থেকে রোগী দেখা দিচ্ছে যেসব এলাকায় সবথেকে বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত। ইতালির মতো অ্যামেরিকাতেও এই রোগ দেখা দিলে মার্কিন অ্যাকাডেমি অফ ডার্মাটোলজির চিকিৎসকরা এই পায়ের আঙ্গুলের সমস্যে নিয়ে আসা ব্যক্তিদের করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করার পরামর্শ দিচ্ছেন।

এত দিন পর্যন্ত যাদের উপসর্গহীন রোগী হিসাবে চিহ্নিত করা হচ্ছিল তারা আদেও পুরোপুরি উপহর্গহীন নন। তাদের দেহে ‘কোভিড পায়ের আঙুল’ এর মত উপসর্গ দেখা যেতে পারে। তবে এই অস্বাভাবিক উপসর্গটি শিশু ও নাবালক-নাবালিকাদের মধ্যেই বেশি দেখা গেছে।

আরও পড়ুনঃ প্রথম করোনা ভ্যাকসিনের পরীক্ষা শুরু হল মহিলা বিজ্ঞানীর শরীরে

Leave a Comment