শব্দের থেকে ৬ গুণ গতির মিসাইল বানিয়ে বিশ্বের দরবারে চতুর্থ এখন ভারত

hypersonic missile

নয়াদিল্লিঃ সোমবার সকালে ভারতে পরীক্ষা করা হল হাইপারসনিক মিসাইল। যার গতিবেগ শব্দের থেকেও ৬ গুন বেশি। বিশ্বের সর্বশক্তিমান দেশের তালিকাতে এখন ভারত তার জায়গা করে নিল। একদিকে চিনের সঙ্গে সংঘাত চলছে, তারই মাঝে হাইপারসনিক মিসাইল টেস্ট করে বিশ্বের দরবারে তাক লাগিয়ে দিল ভারত।

আরও পড়ুনঃ পাঁচ ভারতীয়কে অপহরণ করেছে চিন সেনা, অভিযোগ কংগ্রেস বিধায়কের

সকাল ১১ টা ৩ মিনিটে এই পরীক্ষাটি এপিজে আব্দুল কালাম টেস্টিং রেঞ্জ থেকে এই টেস্ট সম্পন্ন করা হয়েছে। অগ্নি মিসাইল বুস্টার ব্যবহার করা হয়েছে এই পরীক্ষা সম্পন্ন করার জন্য। পাঁচ মিনিটের মধ্যেই সম্পন্ন হয়।

পরীক্ষা সফল হওয়ায় আগামী পাঁচ বছরের মধ্যেই এই স্ক্র্যামজেট ইঞ্জিন সহ হাইপারসনিক মিসাইল তৈরি হবে বলে জানা যাচ্ছে। পরীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী, এই মিসাইল ১ সেকেন্ডে ২ কিলোমিটার পর্যন্ত অতিক্রম করতে পারে।

ভারতের এই সাফল্যে আমেরিকা, রাশিয়া ও চিনের পরেই ভারতের নাম উঠেও এল।

আরও পড়ুনঃ ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যার বিচারে দ্বিতীয় স্থান, কিছু সময়ের ব্যবধানে

প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয়েছে, কী চাইছে হ্যাকাররা!

twitter account hacked

নয়াদিল্লিঃ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয়েছে। এর সাথে হ্যাকাররা প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর মোবাইল অ্যাপেও হানা দিলো। বৃহস্পতিবার ভোর ৩টে ১৫ নাগাদ হ্যাক করা হয় প্রধানমন্ত্রীর অ্যাকাউন্ট। প্রধানমন্ত্রীর ওয়েবসাইটের ট্যুইটার অ্যাকাউন্টের ফলোয়ারের সংখ্যা হল ২৫ লক্ষ।

আরও পড়ুনঃ Unlock4-এ নতুন নির্দেশ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

হ্যাক করার পর ওই অ্যাকাউন্টে ট্যুইট করা হয়েছে, ‘হ্যাঁ এই অ্যাকাউন্টটি জন উইকের দ্বারা হ্যাক করা হয়েছে। আমরা Paytm মল হ্যাক করিনি।’ হ্যাকাররা একাধিক ট্যুইট করেছে। ফলোয়ারদের বলা হয়েছে যে, প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ত্রাণ তহবিলে ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে দান করতে।

আরও একটি ট্যুইটে বলা হয়েছে, ‘আমি আপনাদের কাছে আবেদন করছি, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে দান করুন। ট্যুইটারের তরফে জানানো হয়েছে, এই ঘটনাটির ব্যাপারে তারা অবহিত। অ্যাকাউন্টটি সুরক্ষিত রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। এই ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ পেঁয়াজের রস নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে, জেনে নিন ব্যবহারের উপায়

Google এর বড় ঘোষণা! ভারতে ৭৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ, জানালেন পিচাই

Narendra Modi and Google CEO Sundar Pichai

ভারতে বারে বারে বিদেশী অর্থ লগ্নি হয়ে চলেছে। কিছু দিন আগেই রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রির জিও তে বেশি কিছু বিদেশী কোম্পানি বিপুল পরিমানে অর্থ লগ্নি করে ছিল। আর এবার বিশ্বের সব থেকে বড় তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থ্যা Google- এর তরফ থেকে ভারতের বিভিন্ন ক্ষেত্রে আগামী ৫ থেকে ৭ বছরের মধ্যেই ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (ভারতীয় মুদ্রাতে ৭৫ হাজার কোটি টাকা) বিনিয়োগ করবে Google। সেই কথা জানালেন গুগলের সিইও সুন্দর পিচাই।

জানা গিয়েছে, এই বিপুল পরিমান অর্থ ইক্যুইটি ইনভেস্টমেন্ট, ইনফ্রাস্ট্রাকচার, ইকোসিস্টেম ইনভেস্টমেন্ট, পার্টনারশিপ ও অপারেশনাল – সহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করতে চলেছে গুগল।

আরও পড়ুনঃ রেকর্ড গড়ল ভারত, এশিয়ার বৃহত্তম সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের সূচনা হল

ডিজিটাল ভারতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ৪ টি মূল বিষয়ের উপর গুরুত্ব দিচ্ছে গুগল। তাদের লক্ষ প্রত্যেক ভারতবাসী নিজের ভাষায় তথ্য প্রদান, নতুন পরিষেবা ও প্রডাক্ট তৈরি, ব্যবসা ও কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ক্ষেত্রে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সাহায্যে উন্নতি করণ।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাথে সুন্দর পিচাইএর কথা হয় এই সব বিষয় নিয়ে।

আরও পড়ুনঃ মাত্র ৯৫ টাকাতে বিক্রি হচ্ছে একটি গোটা বাড়ি, ইতালির শহর চিনকুইফ্রন্ডে

রেকর্ড গড়ল ভারত, এশিয়ার বৃহত্তম সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের সূচনা হল

Asia's Largest Solar Power Project

গোটা বিশ্ব এখন করোনা ভাইরাসের প্রকোপ দেখছে। ভারতের পরিস্থিতিও ভাল নয়। প্রতি দিন বেড়ে চলেছে করোনার আক্রমণ। আবার অন্য দিকে দেশের সীমান্তে চিনের আগ্রাসন। এরই মাঝে ভারত গড়ল এশিয়ার বৃহত্তম সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্ক। আজ তারই উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

এই সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রটি মধ্যপ্রদেশের রেওয়া জেলায় তৈরি করা হয়েছে। ১৫৯০ একর জমির গড়ে তোলা হয়েছে এই প্রকল্প। জানা গিয়েছে, এই সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে প্রায় ২৪ শতাংশ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে দিল্লি মেট্রো রেলে।

আরও পড়ুনঃ এবার INSTAGRAM ব্যবহারকারীদের জন্য আসছে TIKTOK-এর মতো ফিচার!

এই সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পটি উদ্বোধনের ফলে ভারত এখন বিশ্বে ৫ তম সৌরশক্তি উৎপাদন দেশের তালিকাতে উঠে এল। এই প্রকল্পে মোট খরচ হয়েছে ৪৫০০ কোটি টাকা ও আরও ১৮৩ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে আরও কিছু উন্নয়নের জন্য।

আরও পড়ুনঃ এনকাউন্টারে মৃত্যু হয় গ্যাংস্টার বিকাশ দুবের

এবার Instagram ব্যবহারকারীদের জন্য আসছে TikTok-এর মতো ফিচার!

Instagram Reels Feature

ফটো আর ভিডিও শেয়ার করার এক জনপ্রিয় অ্যাপ ইনস্টাগ্রাম (Instagram)। গত বছর কোম্পানির তরফ থেকে একটি নতুন ফিরাচ রিলস (Reels) এর কথা বলা হয়ে ছিল। গত বছরের নভেম্বর মাসে লঞ্চ করা হয়েছিল এর নতুন ফিচারটি। তার পর থেকে এর টেস্টিং ফ্রান্স আর জার্মানিতে চলছে। তবে নতুন এক রিপোর্ট অনুযায়ী, কিছু সময়ের মধ্যেই এই নতুন ফিচারটি ভারতীয়দের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

তবে এতি মধ্যেই কিছু ভারতীয় এই ফিচারটি ব্যবহার করছে টেস্টার হিসেবে। বর্তমানে কোম্পানি যে দেশগুলিতে এই ফিচারটি রোলআউট করেছে সেই তালিকাতে ভারতের নাম নেই। দেখার বিষয় কবে ভারতীয়রা এই ফিচারটি ব্যবহার করতে পারে।

আরও পড়ুনঃ বদল হল শিয়ালদহ স্টেশনের নম্বর, জেনে নিন কি কি পরিবর্তন হল

এই Reels ফিচারটি কী?

এই রিলস ফিচারটির সাহায্যে ব্যবহারকারীরা ভিডিও বানাতে পরবে তবে টিকটকের মতো করে। যেভাবে টিকটকে ১৫ সেকেন্ডের ভিডিও রেকর্ড করা যায় ঠিক সেই ভাবে এখানেও করা যাবে। সেই ভিডিও এডিটও করতে পারবে ব্যবহারকারীরা। অডিও বা মিউজিক এডিটও করা যাবে এবং সেই এডিট করা ভিডিওটি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিজ আর ডিরেক্ট মেসেজেও বন্ধুদের সাথে শেয়ার করা যাবে।

বর্তমানে ভারতে টিকটক সহ ৫৮ টি চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ। ফলে এই সময় ইনস্টাগ্রামের এই ফিলস ফিচারটি খুবই গুরুত্বপূর্ন হয়ে উঠতে পারে ভারতের বাজারে।

আরও পড়ুনঃ এক নজরে দেখে নিন কোন রাজ্যে রয়েছে সব থেকে বেশি সুস্থতার হার

Facebook ৩০২৯ কোটি টাকায় কিনে নিল Giphy এর মালিকানা স্বত্ব

facebook buy giphy

বেশ কিছু সময় ধরে দেখা যাচ্ছে ফেসবুক(Facebook) বিভিন্ন দিকে অর্থ বিনিয়োগ করে চলেছে। বেশ কিছু দিন আগে ফেসবুক ভাত্রতের রিলায়েন্স জিও তে প্রায় ১০ শতাংশ শেয়ার কিনে নিয়ে ছিল। এই বার ফেসবুক হাত বাড়ালো গিফি-র(Giphy) দিকে। প্রায় ৩০২৯ কোটি টাকার বিনিময়ে কিনে নিল গিফির সম্পুর্ন মালিকানা স্বত্ব।

গিফি হল একটি অনলাইন লাইব্রেরী যেখানে জিআইএফ(GIF) ফাইলের রয়েছে বিরাট সম্ভার। শুধু তাই না যেকোনো ব্যাক্তি গিফিতে গিয়ে নিযের মতো জিআইএফ ফাইল বানাতে পারবে ও সেটাকে সোশাল মিডিয়াতে ভাগ করতে পারবে।

আরও পড়ুনঃ জিও ৬,৫৯৮ কোটি টাকায় মার্কিন সংস্থ্যার কাছে শেয়ার বিক্রয় করতে চলেছে

জানা যাচ্ছে ফেসবুক এই গিফি তে উপস্থিত জিআইএফ ফাইল্গুলিকে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের সাথে যুক্ত করতে চলেছে। ফলে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের ব্যবহারকারীরা সেই সব জিআইএফ ফাইলের ব্যবহার করতে পারবে।

ফেসবুকের মতে গিফির ৫০ শতাংশ ট্রাফিক আশে এর অ্যাপ থেকে। তবে ফেসবুক এর আগে ২০১৫ সালে এই গিফিকে কিনে নেওয়ার চেষ্টা করে ছিল। সেই সময় গিফি সেই লেনদেন নাকচ করে দিয়েছিল।

আরও পড়ুনঃ ৪০,০০০ কোটি টাকা এমএনআরইজিএ-তে অতিরিক্ত খরচের ব্যাপারে ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী

জিও ৬,৫৯৮ কোটি টাকায় মার্কিন সংস্থ্যার কাছে শেয়ার বিক্রয় করতে চলেছে

reliance-jio-sells-1-34-shares-to-general-atnaltic-for-rs-6-5-crore

রিলায়েন্স জিও ভারতের সব থেকে বড় টেলিকম সংস্থ্যা। ভারতের বাজারে ৪ জি সার্ভিস নিয়ে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে এসে ছিল। ২০১৬ সাল থেকে যাত্রা শুরু করে ছিল এই রিলায়েন্স জিও। বর্তমানে রিলায়েন্স, তার টেলিকম সংস্থ্যা জিও -এর শেয়ার বিক্রয় করে চলেছে। কিছুদিন আগে ফেসবুক প্রায় ১০ শতাংশের কাছাকাছি শেয়ার বিক্রি করে ছিল। সেই লেনদেন গত মাসেই পূর্ণ হয়ে গিয়েছিল।

আরও পড়ুনঃ

এই বার আবার সামনে এল জিও-এর আবার শেয়ার বিক্রয় করার কথা। এই বারে জিও তার ১.৩৪ শতাংশ শেয়ার আমেরিকার ইক্যুইটি ফার্ম জেনারেল আতলান্টিককে প্রায় ৬,৫৯৮ কোটি টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে দিল। এই মার্কিন কোম্পানি যে প্রথম তা নয়। এর আগে সিলভার লেক নামের এক আমেরিকান কোম্পানির কাছেও শেয়ার বিক্রি করে ছিল জিও। এছড়াও ফেসবুক, ভিসতা ইক্যুইটি ইত্যাদি ভারতের জিও-এর উপর অর্থ লগ্নি করেছে।

এই করোনা মহামারীর মধ্যেও ভারতের রিলায়েন্স জিও বিশ্বের সব থেকে বড় বড় লগ্নিকারীদের নিজের প্রতি আকর্ষন করে চলেছে। তারা ভারতের বাজারে লগ্নি করে চলেছে।

আরও পড়ুনঃ

এক দেশ এক শিক্ষা ব্যবস্থার উপস্থাপনার কথা জানালেন অর্থমন্ত্রী

one country one education

করোনার কারনে দেশে লকডাউন আরম্ভ হয়েছিল মার্চ মাসে। সেই থেকে যেমন দেশের সব কিছু বন্ধ হয়ে পড়েছে, পাশাপাশি স্তব্ধ হয়ে গেছে শিক্ষা ব্যবস্থা। পড়ুয়াদের কথা ভেবে দেশে শিক্ষা ব্যবস্থা যাতে একেবারে বন্ধ হয়ে না পড়ে তাই কেন্দ্রীয় সরকার চালু করতে চলেছে অনলাইন ক্লাস। ইতি মধ্যেই কিছু স্কুল অনলাইন শিক্ষা প্রদান চালু করে দিয়েছে। আবছা ভবিষ্যতের কথা ভেবেই এই সিন্ধান্ত গ্রহন করেছে দেশের মোদী সরকার।

দেশের প্রান্তরে প্রান্তরে এখন এক প্লাটফর্ম নিয়ে হাজির কেন্দ্র। রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে দেশের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন জানান, এবার থেকে এক দেশ-এক অনলাইন শিক্ষা ব্যবস্থা তৈরির পথে সরকার। এই পিএম বিদ্যা প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্থাকে পৌঁছে দেবে দেশের প্রতিটা কোনে কোনে।

আরও পড়ুনঃ চতুর্থ লকডাউনে পেতে পারেন এ সমস্ত সুবিধা!

শুরু থেকেই দেখা গেছে বর্তমান সরকার জোর দিয়েছে প্রযুক্তিকিকরণে। বার বার দেশের বিভিন্ন পরিস্থিতে প্রযুক্তিকে কাজে লাগানো হয়েছে। এই বার এক ধাপ এগিয়ে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকেই অনলাইনে এনে শিক্ষার্থদের বাড়ি থেকে শিক্ষা গ্রহনের ব্যবস্থা করে দিতে চলেছে মোদী সরকার। তবে যাদের কাছে ইন্টারনেট পরিষেবা নেই তারা ডিটিএইচ ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহন করতে পারবে। ১২ টিরও অধিক চ্যানেলের সংযুক্তি হবে কিছু দিনের মধ্যেই।

অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে ভার্চুয়াল ক্লাসের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সব রাজ্যে ই-টেক্সট বুক পাঠানো হবে। শুরু হতে চলেছে এক ক্লাস এক চ্যানেল।

আরও পড়ুনঃ ভারতের পাশে আমেরিকা, করোনার মোকাবিলায় ভেন্টিলেটর দিয়ে সাহায্য আমেরিকার

দিলীপ ঘোষ হলেন রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী! বলছে উইকিপিডিয়া

dilip-ghosh-is-the-chief-minister-of-West Bengal-says-wikipedia

আপনি কি জানেন পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী কে? জানি এটা একটা হাস্যকর প্রশ্ন। রাজ্যের প্রতিটি মানুষ এই প্রশ্নের উত্তরে জানাবে মাননীয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইন্টারনেটে খুঁজলেও সেই তথ্য উঠে আশার কথা। কিন্তু উঠে আসছে অন্য তথ্য। গুগলে সন্ধ্যান করলে উত্তর আসছে দিলীপ ঘোষ নাকি রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী। এই তথ্য দেখাচ্ছে উইকিপিডিয়া।

উইকিপিডিয়া হচ্ছে একটা অনলাইন তথ্য সম্ভার। যেখানে ব্যাক্ত, বস্তু, ও কোনো বিষয় সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়। বলতে গেলে এই উইকিপিডিয়া বেশ গ্রহনযোগ্য, কারণ এখানের তথ্য খুব একটা ভুল থাকেনা। তাই মানুষও বিশ্বাস করে উইকিপিডিয়ার উপর।

আরও পড়ুনঃ করোনার ভ্যাকসিন আসতে পারে সেপ্টেম্বরেই, জানালো অক্সফোর্ড

সাধারন মানুষ ‘দিলীপ ঘোষ’ লিখে গুগলে অনুসন্ধান করলেই দেখায় তিনি এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। তার পরেই সোশাল মিডিয়াতে এই ঘটনার প্রকাশ ঘটে। মানুষ তখন নালিশ করতে শুরু করে। তখন বিজেপির তরফ থেকে এই তথ্যকে সম্পুর্ন ভুল তথ্য বলে। এই কাজ কে করেছে। কেনই বা করেছে তার কিছুই জানা নেই বলে জানানো হয় বিজেপি থেকে।

সাধারন মানুষ উইকিপিডিয়ার তথ্যকে সম্পুর্নভাবে বিশ্বাস করে থাকে। ভরসা করে উইকিপিডিয়া সঠিক তথ্য প্রদান করছে। সেখানেও ভুল থাকে। সেই কথাই প্রমান করলো এই ভুল তথ্যটি। আসলে উইকিপিডিয়াতে তথ্য প্রদান করে সাধারন মানুষ। যেকোনো ব্যাক্তি উইকিপিডিয়াতে গিয়ে প্রবন্ধ লিখে প্রকাশ করতে পারে। আর তার ফলে সব সময় ভুল তথ্য ধরা তাদের পক্ষে সম্ভবপর নয় তাদের পক্ষে। আর তার কারনেই অনেকসময় ভুল তথ্য থেকে যায়। তবে এইবার ভুল তথ্য সামনে আসতেই উইকিপিডিয়া সাথে সাথেই ঠিক করে নিয়েছে সেই প্রবন্ধ।

আরও পড়ুনঃ এই ১৫টি শহরের সঙ্গে জড়িয়ে করোনার সাথে লড়াইয়ে ভারত জিতবে কিনা!

নাসার তৈরি ভেন্টিলেটর লড়বে করোনার বিরুদ্ধে

NASA invented a Ventilator machine

এক যুগান্তকারী আবিষ্কার করলো নাসার জেট প্রপালসন ল্যাবরেটরি (NASA Jet Propulsion Laboratory) । সদ্য একটি ভেন্টিলেটর বানিয়ে ফেললো নাসার এক দল বিজ্ঞানী। বিশ্বের মধ্যে আমেরিকাতে সব থেকে বেশি মানুষ করোনার সাথে লড়ছে মার্কিন মুলুকে। এই পরিস্থিতিতে খুবই ভালো বার্তা নিয়ে নিয়ে এলো নাসা। আমেরিকার জন্য এই যন্ত্রটি খুব উপকারী প্রমান হতে পারে।

আমেরিকায় প্রায় ১০ লক্ষের মতো মানুষ করোনা ভাইরাসের সাথে লড়াই করছে। তার মধ্যে ৫৫ হাজার মানুষ ইতি মধ্যেই প্রাণ হারিয়েছে। শোনা যাচ্ছে, আমেরিকাতে বেশি মানুষের প্রাণ হারানোর করনই এই ভেন্টিলেটর। শুনে অবাক হলেও এটা বহু অংশে সত্য যে আমেরিকার মতো দেশে দেখা দিয়েছে ভেন্টিলেটরের অভাব। বাজারে পর্যাপ্ত পরিমানে মিলছে না ভেন্টিলেটর।

আরও পড়ুনঃ চিনকে একঘরে করতে পরিকল্পনা আমেরিকার, চাপে চিন

এবার করোনা যুদ্ধে নিজেদেরকে সামিল করলো নাসা। তারা করোনা রোগীদের কথা ভেবেই বানিয়ে ফেললো এক আস্তো ভেন্টিলেটর। এই যন্ত্রটি বানাতে সময় লেগেছে মাত্র ৩৭ দিন। তৈরি হওয়ার সাথে সাথেই এই যন্ত্র ব্যবহার হতে শুরু হয়। সম্পুর্ন রুপে কাজ করছে এই যন্ত্র। আগামী সময়ে আরও বেশি পরিমানে তৈরি হতে পারে এই ভেন্টিলেটর।

আরও পড়ুনঃ একটি জ্বলন্ত নক্ষত্র জন্মের চিত্র প্রকাশ করলো নাসা