সূর্যের উপর ১০ বছরের নজরদারি, ভিডিও প্রকাশ করল নাসা

A Decade of Sun

সময়টা কম নয়। ১০ বছর ধরে চলতে থাকা একটি প্রকৃয়া। সেই প্রকৃয়ায় উঠে এল এক বিরল ভিডিও। ১০ বছর ধরে রেকর্ড করে সেই ভিডিও প্রকাশ করল নাসা। তাদের দাবি এই ভিডিওটাই হল সূর্যের সব থেকে কাছের ভিডিও বা ছবি। যাতে বেশ স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে সূর্যের বিরল দৃশ্য।

আ ডেকেট অফ সান নামের এই ভিডিওটি নাসার সোশাল মিডিয়া পেজে ২৪ জুন প্রকাশিত হয়। আর সেই ভিডিও দেখার জন্য মানুষের ঢল নেমে যায়। নাসার ইউটুব চ্যানেলে ১২ লক্ষেরও বেশ বার ভিডিওটি চালানো হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ একটি জ্বলন্ত নক্ষত্র জন্মের চিত্র প্রকাশ করলো নাসা

নাসা ভিডিওটি রেকর্ড করতে শুরু করে ছিল ২০১০ সালের জুন মাসের ২ তারিখে। আর রেকর্ড শেষ করে ২০২০ সালের পয়লা জুনে। এই দশ বছরের যাত্রা পথে সূর্যের স্পষ্ট চিত্র ফুটে ওঠে মানুষের চখে।

আরও পড়ুনঃ নতুন আবিষ্কৃত সৌরজগত বিজ্ঞানীদের মহাবিশ্বের প্রথম দিনগুলি বুঝতে সাহায্য করতে পারে

বৃহস্পতিবারই শেষবারের মতো দেখা যাবে সুপারমুন! জানাল নাসা

supermoon

আগামী কাল বৃহস্পতিবার পৃথিবীর মানুষ চাঁদকে সবথেকে কাছে শেষবারের মতো দেখতে পাবে। এর পর হয়তো আবার অপেক্ষা করতে হতে পারে বহু দিন। এই সুপারমুনকে সবথেকে কাছে ও বড় ভাবে দেখা যাবে। ৭ মে চাঁদ পৃথিবীর একেবারে নিকট চলে আসবে। ভারতীয় সময় অনুযায়ী আগামীকাল সন্ধ্যাবেলায় চাঁদের দিকে তাকালে দেখতে পাবেন সবথেকে বড় চাঁদ। তবে এই দৃশ্যের মজা ভারত তথা বিশ্ববাসী নিতে পারবে।

গোটা বিশ্বের মানুষ ঘরে দিনের বেশিরভাগ সময় কাটানোর ফলে দূষণের পরিমান একেবারে কমে গেছে। ফলে আকাশ পুরোপুরো পরিষ্কার থাকবে। তাই শহরতলির মানুষেরাও এই দৃশ্যের মজা নিতে পারবে একশো শতাংশ। বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস, দূষন কম থাকার ফলে এই বছরের শেষ সুপারমুন খুবই সুন্দরভাবেই উপভোগ করতে পারবে বিশ্ববাসী।

আরও পড়ুনঃ ঘরে বন্দী হয়েই কি কাটাতে হবে জীবন!

নাসার কথায়, এবছরের প্রথম সুপারমুন দেখা গিয়েছিল মার্চ মাসে, তারপর এপ্রিল মাসে। তবে এবার চাঁদ পৃথিবীর সবথেকে কাছে আসছে। নাসার মতে, আগামীকাল সন্ধ্যা ৬.৪৫ এ চাঁদ পৃথিবীর সবথেকে সামনে আসবে। দেখা যাবে সবথেকে বড় চাঁদ।

আরও পড়ুনঃ ডাক বিভাগ শুরু করলো পেনশন অন হুইলস পরিষেবা

একটি জ্বলন্ত নক্ষত্র জন্মের চিত্র প্রকাশ করলো নাসা

Hubble Telescope captured a Starbirth

মার্কিন মহাকাশ সংস্থা একটি তারা জন্মের উজ্জল ছবি প্রকাশ করে। এই ছবি ধরা পড়েছে হাবল নামক টেলিস্কোপে। ৩০ তম জন্মবার্ষিকীতে এত সুন্দর এক ছবি উপহার দিয়ে তাক লাগিয়ে দিল হাবল। বিজ্ঞানীরা এই ছবির নাম দিয়েছে ‘কসমিক রিফ’ (Cosmic Reef)।

এই ছবি পাওয়া গেছে নিকটতম সৌরজগত থেকে, যেখানে রাল রঙের নেবুলা (Nebula, called NGC 2014) এবং ছোট নীল তারা (called NGC 2020) এই নক্ষত্র জন্মের একটি অংশ।

আরও পড়ুনঃ নতুন আবিষ্কৃত সৌরজগত বিজ্ঞানীদের মহাবিশ্বের প্রথম দিনগুলি বুঝতে সাহায্য করতে পারে

এই হাবল ছিল সব থেকে বড় অপটিকাল টেলিস্কোপ যা তৈরি করা হয়েছিল ১৯৯০ সালে। এই বৃহৎ আকারের টেলিস্কোপের নাম দেওয়া হয়েছিল এডুইন হাবেলের নাম অনুসারে। কারণ এই এডুইন প্রথম প্রমান করেন যে বিশ্ব-ব্রহ্মাণ্ড প্রতি নিয়ত বড় হতে থাকছে।

হাবল টেলিস্কোপের সাহায্যে পৃথিবী থেকে বহু গুন দূরে থাকা তারা, গ্রহ, উপগ্রহ, ছায়াপথ প্রভৃতির অবস্থান থেকে বিভিন্ন বৈশিষ্ট মানুষের চখে স্পষ্ট ভাবে ধরা পড়েছে। এই টেলিস্কোপের সাহায্যে মানুষ ভু অজানা তথ্য খুঁজে বার করতে পেরেছে। জানতে পেরেছে ব্ল্যাকহলের মত জিনিসের উপস্থিতি।

আরও পড়ুনঃ ফেসবুক ৫.৭ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করলো জিওতে

নতুন আবিষ্কৃত সৌরজগত বিজ্ঞানীদের মহাবিশ্বের প্রথম দিনগুলি বুঝতে সাহায্য করতে পারে

new found solar system

নতুন আবিষ্কৃত সৌরজগতে একটি সুপার পৃথিবী (Super-Earth) এবং পাঁচটি ছোটো নেপচুন। বিজ্ঞানীরা ছয় গ্রহ বিশিষ্ট একটি সৌরজগতের সন্ধান পেয়েছে। সেখানে গ্রহাণুগুলি HD 158259 নামক তারাকে প্রদক্ষিণ করে চলেছে। এই সৌরমণ্ডলটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৮৮ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। বিজ্ঞানীদের ধরনা এই সৌরজগতটি থেকে মহাকর্ষীয় প্রভাব এবং গ্রহগুলির গঠনের বিষয়টি আরও ভালভাবে বোঝা যেতে পারে।

আরও পড়ুনঃ বাজারে এলো নতুন আইফোন এসই ২০২০

এই সৌরজগতের তারাটিকে প্রদক্ষিণ করতে থাকা ছোটো গ্রহগুলি যে কক্ষপথে প্রদক্ষিণ করছে সেই কক্ষপথ সূর্যের থেকে কিছুটা হলেও বড়।

সুইজারল্যাণ্ডের এক বিজ্ঞানীদল এই নতুন আবিষ্কৃত সৌরজগতের উপর বেশ নজরদারি চালাচ্ছে। তাদের ধারনা তাঁরা এই সৌরজগতের পুঙ্খানু পুঙ্খভাবে পর্যবেক্ষন করলে মহাবিশ্বের উৎপত্তি সম্পর্কে অনেক কিছু তথ্য জানতে পারবে।

আরও পড়ুনঃ করোনা ভাইরাসের মারণ অস্ত্র তৈরি করে ফেললেন এক বাঙালি বিজ্ঞানী

কিসের সঙ্কেত নিয়ে আসছে এই গোলাপি চাঁদ

super pink moon

পূর্ণিমা বা অমাবস্যার নাম নিশ্চয় সুনে থাকবেন। কিন্তু গোলাপি চাঁদ বা Super Pink Moon এর নাম আগে শুনেছেন? আসলে গোলাপি চাঁদের ব্যাপারে অনেক কথাই উঠে আসছে। এই গোলাপি চাঁদ ভারতের আকাশে দেখা যাবে আগামী ৮ এপ্রিল। সন্ধ্যা ৭ টা থেকে রাত ৯ টার ভিতরে এই গোলাপি চাঁদ দেখা যাবে।

চাঁদ গোলাপি হওয়ার কিছু কারন আছে। আর এটা যে প্রথমবার হতে চলেছে তা একে বারে নয়। এর আগেও গোলাপি চাঁদ দেখা গেছে পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গা থেকে। চাঁদ যে অক্ষরেখায় পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে সেই অক্ষরেখাটি সম্পুর্ন গোলাকৃত নয়। এই অক্ষরেখাটি থিক ডিমের আকারে। তাই চাঁদ কখনো পৃথিবীর খুব কাছে চলে আসে। আবার কখনো পৃথিবী থেকে দূরে চলে যায়। আর তাই পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব কখনো ৩৫৬,৪০০ কিমি, তো আবার কখনো ৩৭০,৪০০ কিমি হয়ে দাঁড়ায়। এই ৮ তারিখে চাঁদ পৃথিবীর খুবই কাছে চলে আসবে। ফলে চাঁদকে স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা বড় দেখাবে এই বার।

তাই এই ঘটনার নাম রাখা হয়েছে সুপার পিঙ্ক মুন বা সুপার গোলাপি চাঁদ।