দেশে হাজির আফ্রিকান সোয়াইন ফিভার! করোনার মধ্যেই নতুন বিপদ

African Swine Fever

করোনার আতঙ্কের মাধেই দেখা দিল আর এক নতুন বিপদ। দেশে ধরা পড়লো প্রথম আফ্রিকান সোয়াইন ফিভার। অসমে এই জীবানুর দেখা মিলল। বিশেষজ্ঞদের মতে এই রোগের মহামারী দেশে প্রথমবার দেখা গেছে। ভোপালের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ হাই সিকিউরিটি অ্যানিমল ডিজিজেস এ নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এই রোগের কারনে অসমের ৭টি জেলার ৩০৬টি গ্রামের ২,৫০০ শূকরকে মেরে ফেলা হয়েছে। মাথার উপরে রয়েছে করোনা, তার উপর আবার এই ফিভারের নতুন আতঙ্ক এসে উপস্থিত হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ আরোগ্য সেতু অ্যাপ একটি অত্যাধুনিক নজরদারি ব্যবস্থা বললেন রাহুল

অসমে এই রোগ শূকরের দেহে মেলা মাত্রই রাজ্যের উত্তরের জেলা গুলিতে সতর্ক বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। যদি কোনো রকম পদক্ষেপ না নেওয়া হয় তাহলে এই রোগ মানুষের দেহে চলে আসতে পারে। আর তার থেকে মহামারীর সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। আর তাই অসুস্থ্য শূকরের মাংস না খাওয়া উচিৎ বলেই জানানো হয়েছে।

এই ফিভারের উৎপত্তি আফ্রিকা থেকে। তাই এই রোগের নাম দেওয়া হয়েছে আফ্রিকান সোয়াইন ফিভার। এই রোগের লক্ষনই মারাত্বক জ্বর। এই রোগটি ইউরোপ হয়ে এশিয়াতে ঢুকে করেছে বলে বিশেষজ্ঞদের মতামত। খুবই তাড়াতাড়ি এই রোগ ছড়িয়ে পরতে পারে ভারতের মধ্যে।

আরও পড়ুনঃ করোনা যোদ্ধাদের সেলাম জানাতে এবার এগিয়ে এলো বিমান বাহিনীও

করোনা যোদ্ধাদের সেলাম জানাতে এবার এগিয়ে এলো বিমান বাহিনীও

respect corona fighters

নয়াদিল্লিঃ করোনার জেরে নাজেহাল সারা বিশ্ব। দেশ জুড়ে করোনা মোকাবিলায় চলছে লকডাউন। করোনার থেকে মুক্তি পেতে দিন-রাত এক করে দিচ্ছে জরুরি পরিষেবার মানুষেরা। সেই সব মানুষদের সেলাম জানাতে এবার এগিয়ে এল দেশের বিমান বাহিনী ও নৌসেনারা। দেশের করোনা যোদ্ধাদের ধন্যবাদ জানানোর জন্য রবিবার আকাশে উড়বে সুখোই-৩০ বিমান।

আরও পড়ুনঃ আরোগ্য সেতু অ্যাপ একটি অত্যাধুনিক নজরদারি ব্যবস্থা বললেন রাহুল

বিমানের সাহায্যে পুষ্প বৃষ্টি হবে আকাশ থেকে। চিফ ডিফেন্স স্টাফ বিপিন রাওয়াত জানান, কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারি পর্যন্ত ফ্লাইপাস্ট করবে বিমান বাহিনীর একটি শাখা। অসমের ডিব্রুগড় থেকে ফ্লাইপাস্ট করবে আর একটি শাখা। এই ফ্লাইপাস্টে যুদ্ধ বিমান ও অংশ নেবে। এর সঙ্গে সশস্ত্র বাহিনীও অংশ নিতে চায় করোনা যোদ্ধাদের সম্মান জানাতে জানিয়েছেন বিপিন রাওয়াত।

আরও পড়ুনঃ ‘বয়স কম বলেই মৃত্যু কম ভারতে’ দাবি মোদী সরকারের

আরোগ্য সেতু অ্যাপ একটি অত্যাধুনিক নজরদারি ব্যবস্থা বললেন রাহুল

rahul gandhi

নায়াদিল্লিঃ দেশে লকডাউন চালু হওয়ার পর থেকে কেন্দ্রীয় সরকার বিভিন্ন পদক্ষেক গ্রহন করেছে। তার মধ্যে একটি হল আরোগ্য সেতু অ্যাপ। এই অ্যাপটির সাহায্যে দেশে ও ছোটো ছোটো এলাকায় কত জন করোনায় আক্রান্ত, কত জনের করোনার উপসর্গ রয়েছে, এই সব তথ্য সরাসরি পেতে কেন্দ্রীয় সরকার এই আরোগ্যা সেতু অ্যাপ চালু করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। এর মধ্যেই সরকারি ও বেসরকারি সব কর্মীদের এই অ্যাপ ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক করে দিয়েছে কেন্দ্র। কিন্তু বার বার এই অ্যাপকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তার প্রশ্ন উঠে এসেছে। এই বার ট্যুইটের মাধ্যমে সেই প্রশ্ন তুললেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী।

আরও পড়ুনঃ এবার সংক্রমণ রুখতে ছাতা ব্যবহারের পরামর্শ

আরোগ্য সেতু অ্যাপ-এর মাধ্যমে দেশের প্রতিটি ব্যাক্তির গতিবিধির উপর নজরদারি চালানো হচ্ছে বলে উল্লেখ করে ট্যুইটারের মাধ্যমে মত প্রকাশ করলেন রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, তথ্য প্রযুক্তি আমাদের সুরক্ষিত করে, কিন্তু নাগরিকদের না জানিয়ে গোপনে তাদের গতিবিধির উপর নজরদারি চালানো ঠিক নয়।

এই অ্যাপ বানানো হয়েছে এইটা দেখার জন্য যে এক করোনা সংক্রমিত ব্যাক্তির সংস্পর্ষে কে কে আসছে ও তাসের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষন করা। এই অ্যাপটি ব্লুটুথ ও জিপিএস এর সাহায্যে ব্যবহারকারীর গতিবিধি জানাযায়। এই অ্যাপটি চলতি বছরের এপ্রিল মাসের শুরুতে কেন্দ্রীয় সরকার লঞ্চ করে।

আরও পড়ুনঃ স্পেশাল ট্রেন ভিনরাজ্যে আটকে থাকা মানুষের জন্য

২৪ ঘন্টায় দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ২,২৯৩, মৃত্যু ৭১

Coronavirus cases in India

কয়েকদিন ধরে আক্রান্তের সংখ্যা দেড় হাজার থেকে দু’হাজার এর মধ্যে ছিল। তা ২৪ ঘন্টায় নতুন রেকর্ড তৈরি করেছে। গত ২৪ ঘন্টায় আরও ২ হাজার আক্রান্ত হল। দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৭ হাজার ৩৩৬ জন। গত ২৪ ঘন্টায় আরও মৃত্যু হল ৭১ জনের। এখন সব মিলিয়ে গোটা দেশে করোনায় মৃত ১ হাজার ২১৮ জন।

আরও পড়ুনঃ ‘বয়স কম বলেই মৃত্যু কম ভারতে’ দাবি মোদী সরকারের

সরকারি হিসাবে, দেশে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২ হাজার লোক আক্রান্ত হচ্ছে। সংক্রমণ বিভিন্ন রাজ্যেই বাড়ছে। তবে মহারাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, ১১ হাজার ৫০৬ জন। সেখানে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ৪৮৫ জনের। দ্বিতীয় স্থানে আছে গুজরাত, আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৭২১ জন। তৃতীয় স্থানে আছে দিল্লি আক্রান্তের সংখ্যা ৩ হাজার ৭৩৮ জন। এরপর আড়াই হাজার বা তার কাছাকাছি রাজ্যগুলি হল, মধ্যপ্রদেশ,রাজস্থান,তামিলনাড়ু ও উত্তরপ্রদেশ। হাজারের বেশি আক্রান্তের সংখ্যা দু’টি রাজ্যে অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলেঙ্গানা।

আরও পড়ুনঃ স্পেশাল ট্রেন ভিনরাজ্যে আটকে থাকা মানুষের জন্য,

স্পেশাল ট্রেন ভিনরাজ্যে আটকে থাকা মানুষের জন্য

Indian Railways

এবার বড় সিন্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার। এদিন শুক্রবার শ্রমিক দিবসের উপলক্ষে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, যে সব মানুষ অন্য রাজ্যে আটপে পড়েছে তাদের বাড়ি ফেরানোর উদ্দেশ্যে এক স্পেশাল ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই ট্রেনের সাহায্যে পরীযায়ী শ্রমিক,যারা আটকে পড়েছিল লকডাউনের জন্য কেন্দ্রিয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এই উদ্যোগ তাদের জন্য। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক বিজ্ঞপ্তি জারি করল যে, লকডাউনের জন্য যারা আটকে পড়েছে আসতে পারছেনা শ্রমিক, ছাত্র-ছাত্রী, সাধারণ মানুষ সবাইকে ফেরানোর জন্য রেল চালানোর জন্য অনুমতি দেওয়া হল রেলমন্ত্রককে।

আরও পড়ুনঃ দাম কমলো রান্নার গ্যাসের, জানুন গ্যাসের নতুন দাম

এই ট্রেন গুলো পয়লা মে থেকে চালু করার নির্দেশ দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। এই ট্রেন গুলো একটি নির্দিষ্ট স্থান থেকে অন্য নির্দিষ্ট স্থানে চলবে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। ট্রেনে ওঠার আগে স্ক্রিনিং করা হবে। যাদের শরীরে উপসর্গ নেই তাদের ওঠার অনুমতি দেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ বাড়লো লকডাউনের মেয়াদ, নয়া নির্দেশিকা কেন্দ্রের

দাম কমলো রান্নার গ্যাসের, জানুন গ্যাসের নতুন দাম

price of cooking gas has come down

লকডাউনের মধ্যেই খুশির খবর জানালো কেন্দ্র। দেখা গেল রান্নার গ্যাসের দামের পরিবর্তন। কমে গেল রান্নার গ্যাসের দাম। লকডাউনের ফলে বন্ধ রয়েছে প্রায় সব কর্মপ্রতিষ্টান। ফলে মধ্যবিত্ত পরিবারগুলিতে দেখা দিয়েছে অর্থের টানাটানি। মেনে গুছে চলতে হচ্ছে পরিবারের কর্তাদের। বেশ কিছু দিন আলোচনার পর কেন্দ্রের এই সিন্ধান্ত কিছুটা স্বস্তি দেবে মধ্যবিত্ত পরিবারগুলিকে।

সবার মুখে হাঁসি ফুটিয়ে রান্নার গ্যাসের দাম বেশ পরিমান কমে গেল। পূর্বে রান্নার গ্যাসের ১৮.২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ছিল ৬৭৪.৫০ পয়সা। ভর্তুকি যুক্ত এই গ্যাসের দাম কমে বর্তমানে হল ৫৮৪.৫০ পয়সা। অর্থাৎ দাম কমলো প্রায় ১৯০ টাকা। ফলে ভর্তুকি যুক্ত সিলিন্ডারের দামের পরিবর্তনে স্বস্তি কিছুটা ফিরেছে।

আরও পড়ুনঃ চরিত্র বদলাচ্ছে করোনা, দেখা যেতে পারে ৬ টি নতুন লক্ষণ

তার সাথে দাম কমেছে ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহৃত গ্যাসের দামও। সেই গ্যাসের দাম কমেছে বেশ অনেকটাই। এক বারেই প্রায় ২৫০ টাকার অধিক দাম কমাতে কিছুটা স্বস্তি সাধারন ব্যবসায়ীদের। একটি কমার্শিয়াল সিলিন্ডারের ওজন ১৯ কেজি, প্রতি সিলিন্ডার পিছু দাম কমেছে প্রায় ২৬২.৫০ পয়সা। তবে কমার্শয়াল গ্যাসে কোনো ভর্তুকি দেয়না কেন্দ্রীয় সরকার।

আরও পড়ুনঃ বাড়লো লকডাউনের মেয়াদ, নয়া নির্দেশিকা কেন্দ্রের

বাড়লো লকডাউনের মেয়াদ, নয়া নির্দেশিকা কেন্দ্রের

lockdown in india

সমগ্র দেশে লকডাউন জারি করা হয়েছিল ৪ মে পর্যন্ত। শুক্রবার সন্ধ্যায় কেন্দের তরফ থেকে এই লকডাউনের সময়সীমা আগামী দুই সপ্তাহ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়া হল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে এই নয়া নির্দেশিকে জারি করা হয়েছে। এই লকডাউন চলবে আগামী ১৭ মে পর্যন্ত।

বিস্তারিত জানতে চোখ রাখুন।

আরও পড়ুনঃ ‘বয়স কম বলেই মৃত্যু কম ভারতে’ দাবি মোদী সরকারের

‘বয়স কম বলেই মৃত্যু কম ভারতে’ দাবি মোদী সরকারের

death in India is less because of age'

আমাদের দেশে মানুষের গড় বয়স কম হওয়ায় মৃতের হার কম। ভারতের মৃতের সংখ্যা অন্য দেশের তুলনায় যথেষ্ট কম বলেই মনে করছে কেন্দ্র। ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সাথে ভারতের মৃতের হার তুলনা করে গড় বয়স কম হওয়াই এর কারণ বলে জানিয়েছে নীতি আয়োগ।

আরও পড়ুনঃ এবার সংক্রমণ রুখতে ছাতা ব্যবহারের পরামর্শ

প্রথম থেকেই ভারতে মৃতের হার কম বলে জানিয়েছিল মোদী সরকার। নীতি আয়োগ জানিয়েছে, ভারতে যখন আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ হাজার তাতে মারা যান হাজার জন। সেখানে প্রায় দ্বিগুণ ইটালি ও বেলজিয়ামের ক্ষেত্রে। দুই দেশে যখন আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ হাজার তখন মৃতের সংখ্যা হাজার ছাপিয়ে গেছে। নিতি আয়োগের সিইও অমিতাভ কান্তের মতে, এর অন্যতম কারণ এ দেশের মানুষের গড় বয়স কম। ভারত তারই সুফল পাচ্ছে। ভারতের গড় বয়স হল ২৭.৯ বছর আর সেখানে ইতালিতে ৪৫.৫ বছর। জার্মানির হল ৪৭.৪, বেলজিয়ামের ৪১.৮ ও ব্রিটেনের ৮০.১ বছর।

আরও পড়ুনঃ এই ১৫টি শহরের সঙ্গে জড়িয়ে করোনার সাথে লড়াইয়ে ভারত জিতবে কিনা!

অমিতাভ কান্তের মতে, আক্রান্ত ব্যক্তিদের নিয়ে দেশ ও বিদেশে করা সমিক্ষায় দেখা গেছে, করোনায় আক্রান্ত বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে বেশি মৃত্যুহার। এজন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রক শুরু থেকেই বয়স্কদের জন্য সাবধানতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিয়েছে।

এবার সংক্রমণ রুখতে ছাতা ব্যবহারের পরামর্শ

use umbrella to prevent infection

ওড়িশাঃ করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে বিশেষজ্ঞরা সামাজিক দূরত্ব রাখার কথা বলছেন বারবার। যারা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে বাইরে যাচ্ছেন তাদের ভিড়ের মধ্যে বজায় থাকছেনা দূরত্ব। গা ঘেঁষাঘেঁষি করে বাজার করার কারণে এই ভাইরাস আরও ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ছে।

আরও পড়ুনঃ ৪ মে থেকে চালু করা হবে নিত্য প্রয়োজনীয় পরিসেবাঃ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক

এই ঝুঁকি এড়াতে ও অপরের সাথে দূরত্ব বজায় রাখতে দেওয়া হল ছাতা ব্যবহারের পরামর্শ। ওড়িশার গঞ্জাম জেলার প্রশাসনিক স্তর থেকে এই পরামর্শ দেওয়া হল। এই জেলার কালেক্টর বিজয় অমৃত কুলাঙ্গি রাস্তায় বের হলে ছাতা ব্যবহারের পরামর্শ দিলেন। তাঁর মতে ছাতা ব্যবহারের ফলে একে অপরের থেকে দূরত্ব বজায় থাকবে।

ট্যুইটারে তিনি একটি কার্টুনের ছবি শেয়ার করেছেন, ছবিতে দেখা যাচ্ছে ছাতা থাকায় ১.৫ মিটার দূরত্ব বজায় থাকবে দুজনের মধ্যে। তার ফলে ভাইরাসের সংক্রমণ অনেকটাই কমানো যাবে বলে মনে করছে ওড়িশা সরকার।

আরও পড়ুনঃ এবার সাগর দত্ত হাসপাতালে করোনার ছায়া, ১৭ জন চিকিৎসক সহ ৩৬ কোয়রান্টিনে

৪ মে থেকে চালু করা হবে নিত্য প্রয়োজনীয় পরিসেবাঃ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক

Indian Daily Worker

ত মে পর্যন্ত লকডাউন থাকবে গোটা ভারতবর্ষ জুড়ে, এই রকমই ছিল দ্বিতীয় দফায় ডাকা লকডাউন। কিন্তু তৃতীয় দফায় ডাকা হল লকডাউন। বৃদ্ধি পায় সময়সীমা। ফলে বন্ধ হয়ে আছে সমস্ত কিছু।

তাই ৪ মে থেকে দেশের কয়েক জেলায় লকডাউন বিধি শিথিল করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই কথাই টুইট করে রাজ্য গুলিকে জানালো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের মুখপাত্র। আর এই বিধি ৩ মে পৌঁছে দেওয়া হবে রাজ্যের কাছে।

আরও পড়ুনঃ দেশে করোনায় মৃত হাজারের বেশি, হাহাকার তিন রাজ্যে

বুধবার সন্ধ্যায় এই রকম একাধিক নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফ থেকে। সেই তালিকাতে থাকছে বিভিন্ন রাজ্যে আটকে পড়া নাগরিকদের ঘরে ফেরানো। গোটা দেশে প্রায় লক্ষাধিক নাগরিক কাজের সূত্রে, ভ্রমনের উদ্দেশ্যে আটকে আছে অন্য রাজ্যে। লকডাউনও এক মাসের বেশি হয়ে গেছে। তাই কেন্দ্র থেকে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

এদিকে দেশ জুড়ে মৃত্যলীলা অব্যাহত। মৃতের সংখ্যা হাজার পার হল। তাই লকডাউন উঠছে না সহজে।

আরও পড়ুনঃ করোনার তাণ্ডবে বাতিল সিবিএসই-র দশম শ্রেণির পরীক্ষা