নিমপাতায় আছে এক চমৎকার ঔষধিগুন, জেনে নিন এর সঠিক ব্যবহার

benefits of neem

নিমপাতায় আছে বহু অবিশ্বাস্য উপকারিতা। ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া নাশক হিসাবে খুবই কার্যকর নিম। আর এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি করে। রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে কয়েকটা নিম পাতা চিবিয়ে খাবেন। এতে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

নিমের তেলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-ই ও ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, আমাদের চুল এবং ত্বকের জন্য এটি ভীষণ উপকারী। নিমপাতার রসে শক্ত হয় চুলের গোড়া ও চুলের রুক্ষ ভাব কমে যায় ও নতুন চুল গজায়।

আরও পড়ুনঃ মানসিক অবসাদ বা বাড়তি ওজোন, সবকিছু থেকে মুক্তি পেতে খান আমলকী

মুখে ব্রণ হলে নিমপাতা বাটা মেখে নিন, এতে ব্রণ দ্রুত দূর হয়ে যায়। মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে ও দাঁতকে জীবাণু ও ব্যাকটেরিয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। নিম ডাল দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করতে পারেন।

কেটে গেলে বা পুড়ে গেলে সেখানে নিম পাতার রস দিলে ভেষজ ওষুধের মত কাজ করে। কয়েকটা নিম পাতা বেটে ক্ষত স্থানে দিন আরাম পাবেন।

আরও পড়ুনঃ ওজন কমানোর সহজ পথের নাম গাজর

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অবশ্যই এই খাবারগুলি খান

health

করনার জেরে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন। এই কথা বার বার বলছেন চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা। আর সেটা করার জন্য অবশ্যই এমন খাবার খেতে হবে যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

এইরকম খাবারের তালিকা নিচে দেওয়া হলঃ

আমলকিঃ সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, আমলকি রক্তের তারল্য বাড়াতে সাহায্য করে। এর পাশাপাশি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসাবেও কাজ করে এই আমলকি।

কমলালেবুঃ শর্করার পরিমাণ অনেক কম কমলালেবুতে। অনেক স্বাস্থ্যগুণ রয়েছে কমলালেবুতে। এতে ভিটামিন-সি ছাড়াও রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার। এতে আছে থিয়ামিন, ফোলেট ও পটাশিয়াম, যা শরীরের উপকারী হিসাবে কাজ করে।

ক্যাপসিকামঃ ক্যাপসিকামে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি ও অন্যান্য অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের পাশাপাশি ক্যাপসিকামে ভিটামিন-ই, ভিটামিন-এ ফাইবার আছে। এছাড়াও এতে আছে ফোলেট ও পটাশিয়াম। ক্যাপসিকাম অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের কারণে দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ক্যাপসিকাম অ্যানিমিয়া রোধ করে।

পেয়ারাঃ পেয়ারা পটাশিয়াম ও ফাইবারে ভরপুর। গবেষণায় উঠে এসেছে, পেয়ারা রক্তের শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। সুস্থ্য রাখে হৃদযন্ত্রকে। এর পাশাপাশি পেয়ারা মহিলাদের ক্ষেত্রে ঋতু সমস্যায় উপকারী।

আরও পড়ুনঃ মানসিক অবসাদ বা বাড়তি ওজোন, সবকিছু থেকে মুক্তি পেতে খান আমলকী

পেঁপেঃ কমলালেবুর মত পেঁপেতেও রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। ক্যালোরির মাত্রা কম। পেঁপে শরীরের মধ্যে থেকে বিষাক্ত পদার্থ সরিয়ে দিতে সাহায্য করে। এতে অন্ত্রের প্রক্রিয়া মসৃণ করে। এর সঙ্গে হজমের সমস্যা ও পেটের ভারীভাব দূর করে।

পাতিলেবুঃ লেবু ওজোন কমাতে সাহায্য করে। এর পাশাপাশি হৃদযন্ত্র ও হজমের প্রক্রিয়া সঠিক রাখতে সাহায্য করে। এর সাইট্রিক অ্যাসিড প্রস্রাবের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। এর ফলে কিডনি স্টোন রোধে সাহায্য করে লেবু। এছাড়াও পাতিলেবু শরীরের অম্ল ও ক্ষারের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

আরও পড়ুনঃ ওজন কমানোর সহজ পথের নাম গাজর

মানসিক অবসাদ বা বাড়তি ওজোন, সবকিছু থেকে মুক্তি পেতে খান আমলকী

Indian gooseberry eat for lose weight

সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে খান আমলকি বা আমলকির জুস। এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তো বাড়বেই, সাথে শরীরের না না রোগ কমবে। এমনকি এতে বাড়তি ওজোন-ও কমবে।

আমলকি হজমে সাহায্য করে সেইজন্য শরীরের ফ্যাট দ্রুত বার্ন হয়। এর মধ্যে থাকা তন্তু পেট ভর্তি রাখে দীর্ঘক্ষণ। ওজোন কমাতে চাইলে সকালে উঠে খালি পেটে এক গ্লাস আমলকির জুস খান। নিয়মিত একমাস খেলে ওজোন কমতে শুরু করবে। তফাতটা আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন।

আমলকিতে থাকা অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল এজেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। টক্সিন বার করে শরীরে মেকানিজম ভালো রাখে। এই করোনা আবহে সকালে খালি পেটে চিবিয়ে আমলকি খেতে পারলে খুবই ভালো।

আরও পড়ুনঃ পেঁপে খেয়ে কীভাবে ওজোন কমাবেন জানুন

ডায়াবেটিস রোগীর জন্য আমলকির জুস খুব ভালো কাজ করে। হঠাৎ করে সুগার কমে যাওয়া প্রতিরোধ করে। ভালো রাখে এনার্জি লেভেল। এই জুস কম করে সপ্তাহে দু’দিন খান। দেখবেন নিয়ন্ত্রণে থাকবে সুগার।

আমলকি রক্ত সঞ্চালনকে সঠিক রাখতে সাহায্য করে। বৌদ্ধিক বিকাশ, স্মৃতি বৃদ্ধি, অ্যালঝাইমার্স রোধেও উপকারী এটি। এবং রক্ত সরবরাহ সঠিক থাকলে হার্টের নানা সমস্যা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়।

আরও পড়ুনঃ চুলের সব সমস্যার সমাধান করতে এবার বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন ONION HAIR OIL

ওজন কমানোর সহজ পথের নাম গাজর

Carrots eat

স্যালাড তো খান, স্যালাডে শশা, গাজর, টমেটো, পেঁয়াজ তো থাকেই, দ্রুত ওজোন কমানোর জন্য স্যালাডে বাড়িয়ে দিন গাজর-এর পরিমাণ।

অনেকটা গাজর একসাথে কুঁচিয়ে তাতে লেবুর রস ও গোলমরিচ দিয়ে খান। তবে স্বাদ বাড়ানোর জন্য স্যালাডে আবার মাখন, মেয়োনিজ বা তেল দেবেন না।

গাজর সিদ্ধ করে নিন ও স্যুপ বানিয়ে ফেলুন। এই স্যুপ-এ হালকা গোলমরিচ ও অল্প মাখন দিয়ে দুপুর বা রাতে পেট ভরান।

আরও পড়ুনঃ পেঁপে খেয়ে কীভাবে ওজোন কমাবেন জানুন

এর সঙ্গে অন্য সবজিও যোগ করতে পারেন। সাধারণ উপায়ে যেভাবে গাজরের সুজি বা হালুয়া তৈরী করেন, সেভাবে না বানিয়ে, মাখন, চিনি, বাদাম না দিয়ে হালুয়া বানান।

চিনি ছাড়া হালুয়া খেতে না ভালো লাগলে এতে নুন ও মরিচ দিয়ে ঝাল সুজির নিয়মেও তৈরী করতে পারেন হালুয়া। এতে তেল দিতে পারেন তবে একেবারেই সামান্য।

আরও পড়ুনঃ সুস্থ থাকার এক মোক্ষম উপায় রোজ বাদাম খান

পেঁপে খেয়ে কীভাবে ওজোন কমাবেন জানুন

papaya

কলকাতাঃ ফল খেলে ওজোন কমে। ফাইবার বেশি হওয়ার জন্য আপনার বেশি খাওয়ার ইচ্ছে নিয়ন্ত্রিত হয়, আর এতে স্বাস্থ্য ভালো হয়। এইরকমই একটি ফল হল পেঁপে। পাকা পেঁপে খেতে শুধু ভালো হয় তা নয়, এর পুষ্টিগুণও অনেক।

১৫২ গ্রামের পেঁপেয় ৫৯ ক্যালোরি থাকে। তার মধ্যে ৩ গ্রাম ফাইবার, ১ গ্রাম প্রোটিন এবং ১৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট থাকে। পেঁপেতে পাপাইন উৎসেচক থাকে যা ওজোন কমাতে সাহায্য করে। এই উৎসেচক প্রোটিন হজমে সাহায্য করে, এতে পেশি তৈরী হয় ও মেটাবলিক রেট বাড়ে। এছাড়া পেঁপে শরীরের জ্বালা, যন্ত্রণা কমাতে সাহায্য করে। এতে যে ফাইবার আছে তা শরীর থেকে টক্সিনকে বার করে।

আরও পড়ুনঃ সুস্থ থাকার এক মোক্ষম উপায় রোজ বাদাম খান

পেঁপে খাওয়ার আদর্শ সময় হল, সন্ধ্যেবেলা বা ব্রেকফাস্ট আর লাঞ্চের মাঝে। পেঁপে ওজোন কমাতে সাহায্য করে ঠিক কিন্তু শুধুমাত্র পেঁপের উপরেই ভরসা করবেন না। শরীরে জলের পরিমাণও ঠিক রাখতে হবে, আর কম ক্যালোরি ডায়েট খেলেই ওজোন কমে যাবে।

আরও পড়ুনঃ মেদ নিয়ে সমস্যায় ভুগছেন, সমাধান আপনার হাতের মুঠোয়

হাতের ত্বক কি শুষ্ক হয়ে যাচ্ছে! এগুলো মেনে চলুন

Hand care

করোনার মোকাবিলা করতে এখন আমরা সবাই স্যানিটাইজার ব্যবহার করছি। বার বার হাত ধুচ্ছি জল দিয়ে। সাবান ব্যবহার করছি বার বার। তাই হাতের চামড়া দিন দিন হচ্ছে শুষ্ক।

এই সমস্যা থেকে খুব সহজেই মুক্তি পাওয়া যায়। তার জন্য নিতে হবে হাতের প্রতি যত্ন। গরম জলে অল্প শ্যাম্পু বা ফেসওয়াশ দিয়ে হাত চুবিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ তাতে।

আরও পড়ুনঃ বিদ্যুতের বিল দেখে হতবাক! জানুন বিল সাশ্রয়ের উপায়

এরপর হাতটি মুছে নিন ও তাতে ময়েশ্চাইজার মেখে নিন। এটি সপ্তাহে অন্তত তিন দিন করুন। হাতে গ্লিসারিনও মাখতে পারেন।

বেসনের সঙ্গে একটু লেবুর রস দিয়ে হাতে মেখে রাখুন। এভাবে আধঘন্টা রাখুন ও তারপর হাত ধুয়ে ফেলুন। এবার হাত মুছে ক্রিম মেখে নিন।

আরও পড়ুনঃ মেদ নিয়ে সমস্যায় ভুগছেন, সমাধান আপনার হাতের মুঠোয়

সবাইকে পিছনে ফেলে করোনা ভ্যাকসিন তৈরী করলো রাশিয়া

successful test of covid-19 in america vaccine will be available at the end of year

কোন দেশ প্রথম করোনা ভ্যাকসিন তৈরী করবে এই নিয়েই চলছিল চর্চা। তার মধ্যেই রাশিয়ার সেকেনভ বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি, তাদের তৈরী ভ্যাকসিন মানুষের দেহে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শেষ হয়েগেছে। ভ্যাকসিনের পরীক্ষার ফলও ইতিবাচক বলে দাবি।

ভ্যাকসিন তৈরীর সঙ্গে যুক্ত গবেষক দলের প্রধান ইলেনা স্মোলিয়ারচুক দাবি করেছে রাশিয়ার সংবাদসংস্থা TASS-এর কাছে, এই ভ্যাকসিন যাদের উপর পরীক্ষামূলক ভাবে প্রয়োগ করা হয়েছিল, তাঁরা সুস্থ রয়েছেন এবং খুব শিগগিরই ছাড়া পাবেন।

আরও পড়ুনঃ বাড়ির বাইরে থাকলে স্যানিটাইজার কিভাবে ব্যবহার করবেন! জেনে নিন

স্মোলিয়ারচুক জানিয়েছেন, গবেষণা সম্পুর্ন হয়েছে এবং এই ভ্যাকসিনটি নিরাপদ এটা প্রমাণিত। ভ্যাকসিন যাদের উপর প্রয়োগ করা হয়েছিল তাঁদের ১৫ এবং ২০ জুলাই দুটি ধাপে ছেড়ে দেওয়া হবে। ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শেষ হলেও এই ভ্যাকসিনের কবে থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হতে পারে, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যাইনি।

আরও পড়ুনঃ আমেরিকায় কোভিড-১৯ এর সফল পরীক্ষা, বছরের শেষেই পাওয়া যাবে ভ্যাকসিন

বাড়ির বাইরে থাকলে স্যানিটাইজার কিভাবে ব্যবহার করবেন! জেনে নিন

use sanitizer

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে সবচেয়ে আগে আমাদের বার বার করে হাত ধুতে হবে সাবান বা হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে। কিন্তু রাস্তায় তো আর সাবান বা হ্যান্ডওয়াশ পাওয়া যাবেনা। কিন্তু আধ ঘন্টা পর পর হাত ধুতেই হবে। এই জন্য অন্য উপায় হল স্যানিটাইজ করা। তবে স্যানিটাইজার ব্যবহারের কতগুলো নিয়ম আছে।

রাস্তায় বা ঘরে স্যানিটাইজার যখনই ব্যবহার করুন না কেন, তার আগে হাত ভালো করে ঘষে ঘষে পরিষ্কার করে নিন। যাতে হাতে কোনো জীবাণু না থেকে যায়।

আরও পড়ুনঃ সুস্থ থাকার এক মোক্ষম উপায় রোজ বাদাম খান

মনে রাখবেন ঠিক যেভাবে সাবান দিয়ে হাত ধুতে হয়, তেমন ভাবেই হাতের সব জায়গায় স্যানিটাইজার যেন লাগে।

এরপর কিছুক্ষণের জন্য হাত খালি রাখুন। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই হাত শুষে নেবে স্যানিটাইজার।

আরও পড়ুনঃ ডিমের কুসুম কমায় ওজন, কোলেস্টেরল রাখে ঠিক! রয়েছে আরও গুন

এভাবে আধ ঘন্টা পর পর স্যানিটাইজার করুন। কোনও কিছু ধরার পর মুখে হাত দেবেন না। তার আগে হাত স্যানিটাইজ করুন। এমনভাবে ব্যবহার করলে অনেকটা দূরে রাখা সম্ভব সংক্রমণকে।

স্ট্রেস কমাতে রোজ খান এই ৫টি খাবার

reduce stress

জীবনে খুব স্ট্রেস থাকলে তা আপনার ব্যাক্তিগত জীবন এবং ক্যারিয়ার দুটিই বিপর্যস্ত করে দিতে পারে। ফিজিক্যাল কিংবা ইমোশনাল যেকোনো ধরনের স্ট্রেস ক্ষতিকর মানুষের শরীরের জন্য। স্ট্রেস কমানোর জন্য কিছু খাবার খুব কার্যকরী।

ব্লুবেরিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আছে। এই দুই পরিমাণ শরীরের স্ট্রেস দূর করতে সাহায্য করে। সেই জন্য যে কোনো স্ট্রেস থেকে মুক্তি পেতে খান ব্লুবেরি। বিভিন্ন ধরণের আইসক্রিম ও দই-এর সাথে খেতে পারেন ব্লুবেরি। এতে এর স্বাদ বৃদ্ধি পায় আরও।

চকলেটে থাকা ট্রিপটফেন একটি উপাদান কার্যকর ভূমিকা রাখে বিষণ্ণতা রোধে। এটি মস্তিষ্কে ডোপামিন বাড়িয়ে আনন্দের অনুভূতি তৈরি করে শরীরে। দিনে ৪০ গ্রাম ডার্ক চকলেট খেলে স্ট্রেস হরমোন কমে যায় দুই সপ্তাহের মধ্যে।

আরও পড়ুনঃ COVAXIN-এর ডেডলাইন বিতর্কে ব্যাখ্যা ICMR-এর

গ্রীন টি তে থাকা থিয়ানাইন ও এমিনো এসিড আপনাকে রিল্যাক্স এবং ফোকাস থাকতে সাহায্য করে। গ্রীন টি স্ট্রেস কমায়। তাই যখন দুশ্চিন্তায় থাকবেন গ্রীন টি খাবেন। গ্রীন টি আপনাকে স্বাভাবিক হতে সাহায্য করবে।

ইয়োগার্ট খান, ইয়োগার্টে কম ক্যালোরি থাকে। মন সুস্থ রাখে ইয়োগার্ট।

আরও পড়ুনঃ সুস্থ থাকার এক মোক্ষম উপায় রোজ বাদাম খান

অ্যাভোকাডোতে মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে ও পটাশিয়াম ব্লাড প্রেশার কমাতে সাহায্য করে।

সুস্থ থাকার এক মোক্ষম উপায় রোজ বাদাম খান

Nuts

দেশ বিদেশের বিভিন্ন চিকিৎসক বলে থাকেন, আপনাকে সুস্থ রাখতে পারে আপনার ফুড হ্যাবিটিই। তাই এটা খুবই জরুরি যে আপনি কি খাচ্ছেন আর কি পান করছেন। চিকিৎসকেরা মনে করেন যে, আপনার রোজের খাদ্যের তালিকায় যদি পরমাণ মত প্রোটিন, ভিটামিন ও কার্বোহাইড্রেড থাকে তবে আপনার পক্ষে সুস্থ থাকাটা কোনো ব্যপারই মনে হবে না।

কিন্তু আমরা অনেকেই ঠিক ঠাক ভাবে জানি না যে কী কী বা কী ধরণের খাবার খেলে রোজের খাবারের মধ্যে দিয়ে সঠিক পরিমাণে আমাদের শরীরে প্রোটিন, ভিটামিন ও কার্বোহাইড্রেড প্রবেশ করবে। এমন অনেক কিছু খাবার প্রকৃতিতে আছে যা এই সব ঘাটতি পূরণ করবে। যে খাবার সহজলভ্য ও সহজপাচ্য হবে। চিকিৎসকদের মতে, বাদাম হল এর মধ্যে সবচেয়ে গুনাগুণযুক্ত ফল।

আরও পড়ুনঃ মেদ নিয়ে সমস্যায় ভুগছেন, সমাধান আপনার হাতের মুঠোয়

ডাক্তাররা বলেন যে, বাদামে প্রচুর পরিমাণে গুড কোলেস্টেরল আছে। যেটা খুবই উপকারী শরীরের পক্ষে। বাদামে আছে সি-রিঅ্যাক্টিভ প্রোটিন ও ইন্টারলিউকিন। যেটা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। বাদাম খেলে হৃদপিন্ড সক্রিয় থাকে ও নিয়মিত বাদাম খেলে নিয়ন্ত্রনে থাকে রক্তচাপ।

আরও পড়ুনঃ জেনে নিন নিয়মিত আমলকি খাওয়ার উপকারিতা