এবার হাবরায় তৃতীয় করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলল, রাজ্যে

রাজ্যে আবারও মিলল করোনাভাইরাস এর হদিশ। এবার আক্রান্ত হল উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাবরার বাসিন্দা। স্কটল্যান্ড থেকে তিনি ফিরেছেন কিছুদিন আগেই। শুক্রবার রাতে কোভিড-১৯ ভাইরাস এর উপস্থিতি মেলে তার শরীরে। রিপোর্ট পসিটিভ মেলে। তাঁকে বর্তমানে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। এর কদিন আগেই ইংল্যান্ড ফেরত দুজনের শরীরে কভিড-১৯ ভাইরাস এর উপস্থিতি মিলেছিল।

করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৫১, প্রথম এলো হরিয়ানা, পশ্চিম বাংলায়

coronavirus-in-west-bengal

নয়া দিল্লিঃ বিশ্ব জুড়ে করোনা ভাইরাস এক মহামারীর আকার ধারন করেছে। শেষ তথ্য অনুসারে, সমগ্র বিশ্বে ২০০,০০০ মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রায় ৮,০০০ মানুষ মারা গেছে।

ওয়াল্ড হেলত অরগানাইজেসন (World Health Organisation) এই ভাইরাসকে ‘enemy against humanity’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

দেশের মধ্যে নোভেল করোনা ভাইরাসে ১৫১ জন ব্যাক্তি আক্রান্ত, তার মধ্যে ২৫ জন বিদেশি। রাজ্যের দিক থেকে বিবেচনা করলে মহারাষ্টে ৪২ জন, কেরালাতে ২৭ জন, উত্তর প্রদেশে ১৬ আক্রান্ত।

গোটা দেশে ৩ জন মারা জেছে, তার মধ্যে দিল্লি থেকে এক জন, কর্নাটক ও মহারাষ্ট থেকে এক জন করে। ১৪ জনকে সম্পূর্ণ ভাবে সুস্থ করে তোলা হয়েছে।

গবেষনা বলছে মাতৃদুধে বাচ্চার উচ্চতা ও ওজন নির্ভর করে

mother milk

ইউনিস কেনেডি শ্রাইভার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ চাইল্ড হেলথ অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট (এনআইসিএইচডি) দ্বারা একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, দুধের ওলিগোস্যাকচারাইডস (এইচএমও) প্রাথমিক শৈশবকাল থেকেই শিশুর বৃদ্ধিতে প্রভাব ফেলতে পারে National NIH এ)। গবেষণায় আরও বলা হয়েছে যে মাতৃ স্থূলত্ব স্তন্যপানিতে এইচএমও রচনাতে প্রভাব ফেলতে পারে। এই গবেষণার নেতৃত্বে ছিলেন সান দিয়েগো, ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি লার্স বোডের নেতৃত্বে।

বুকের দুধে পাওয়া এইচএমওগুলি জাতীয় জটিল শর্করা, শিশুরা সরাসরি এগুলি হজম করতে না। পরিবর্তে, এইচএমওগুলি অন্ত্রের মাইক্রোবায়মের সংমিশ্রণকে প্রভাবিত করে প্রিবায়োটিক হিসাবে কাজ করে। পূর্ববর্তী গবেষণায় দেখা গেছে যে এইচএমওগুলি শিশুদের রোগজনিত জীবাণু থেকে রক্ষা করে। প্রায় 150 ধরণের এইচএমওগুলি জানা যায়, এবং মায়েরা তাদের বুকের দুধে অনন্য সংমিশ্রণ এবং ঘনত্ব রাখেন, যা জেনেটিক্স এবং তাদের যে ধরণের এইচএমও-প্রসেসিং এনজাইমগুলির দ্বারা প্রভাবিত হয় তার দ্বারা প্রভাবিত হয়।

শিশুদের বিকাশের ফিনিশ গবেষণায় গবেষকরা প্রায় 800 জন মা ও শিশুদের জুড়ি মূল্যায়ন করেন। গবেষকরা বুকের দুধের নমুনায় এইচএমওগুলির বিষয়বস্তু বিশ্লেষণ করেছেন (শিশুরা 3 মাস বয়সে সংগ্রহ করা হয়েছিল), তাদের মধ্যে দুটি এইচএমও রয়েছে যা এখন কয়েকটি বাণিজ্যিক শিশু সূত্রে যুক্ত করা হয়েছে: 2′-ফুকোসিল্ল্যাকটোস (2’FL) এবং ল্যাকটো-এন-নিও -টেট্রোজ (এলএনএনটি)।

লম্বা এবং ভারী শিশুদের এবং শিশুদের মায়েদের বুকের মিল্কের মধ্যে কম বৈচিত্র্য এইচএমও রচনা রয়েছে, 2’FL এর উচ্চ ঘনত্ব এবং এলএনএনটি-র নিম্ন ঘনত্ব রয়েছে। অতিরিক্ত ওজনযুক্ত ও স্থূলকায় মায়েদের মায়ের বুকের দুধেও কম বৈচিত্র্যযুক্ত এইচএমও রচনা রয়েছে, 2’FL এর উচ্চ ঘনত্ব এবং LNnT এর নিম্ন ঘনত্ব রয়েছে।

লেখকদের মতে, এই ফলাফলগুলি তাদের পূর্ববর্তী দুটি ছোট অধ্যয়নের ফলাফল নিশ্চিত করেছে। একসাথে, তিনটি গবেষণায় এইচএমও রচনা এবং শিশুদের বৃদ্ধির একই ধরণের মাতৃদের তিনটি গ্রুপের মধ্যে পাওয়া যায়। লেখকরা লক্ষ করেছেন যে, যদিও তাদের অধ্যয়নটি শৈশবকালীন বৃদ্ধির সাথে এইচএমও রচনাটি যুক্ত করেছে, এটি প্রমাণ করতে পারেনি যে এইচএমও নিদর্শনগুলির পরিবর্তনের ফলে বাচ্চাদের বৃদ্ধির পার্থক্য দেখা দেয়। যদি অতিরিক্ত অধ্যয়নগুলি তাদের অনুসন্ধানগুলি নিশ্চিত করে তবে নির্দিষ্ট এইচএমওগুলি একদিন শৈশবকালীন বৃদ্ধির সমস্যা এবং স্থূলত্বের জন্য চিকিত্সা সরবরাহ করতে পারে।

জেনে নিন কীভাবে ব্যায়াম মস্তিষ্কের জন্য ভাল

নিয়মিত ব্যাম বা বিভিন্ন ধরনের

অনুশীলন কীভাবে তা করে?

ঠিক আছে, এটি মস্তিষ্কের কিছু অংশের আকার বাড়িয়ে তুলতে পারে, ঘুমকে উন্নত করতে পারে এবং নতুন মস্তিষ্কের কোষগুলির বিকাশ ঘটায়।

নিয়মিত বায়বীয় অনুশীলন

ব্রিটিশ কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গেছে যে, নিয়মিত বায়ুসংক্রান্ত অনুশীলন করেছেন এমন লোকেরা – যেমন দৌড়, সাঁতার বা সাইক্লিং মস্তিস্কের বৃহত্তর এবং আরও সক্রিয় হিপ্পোক্যাম্পাস অঞ্চল রয়েছে, যা শেখার এবং আবেগের সাথে যুক্ত।

মস্তিষ্কে আরও অক্সিজেন

অনুশীলন মস্তিষ্কের আরও অক্সিজেন সরবরাহ করতে মস্তিষ্কের কোষের স্বাস্থ্যের উন্নতি এবং নতুন রক্তনালীগুলির বৃদ্ধিকে উত্সাহিত করে এমন বৃদ্ধির কারণগুলির উত্পাদনকে উত্সাহ দেয়।

অন্যান্য ইতিবাচক প্রভাব

অন্যান্য গবেষণায় চিন্তাভাবনা এবং মেমরি নিয়ন্ত্রণকারী অঞ্চলগুলি দেখায়, প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স এবং মিডিয়াল টেম্পোরাল কর্টেক্স, যারা প্রায়ই ব্যায়াম করেন তাদের মধ্যে আরও বড় হতে থাকে।

মস্তিষ্কের জন্য প্রশান্তি

ব্যায়াম মানসিক চাপ এবং উদ্বেগকে মোকাবেলা করে তাই লোকেদের আরও ভাল ঘুমাতে সহায়তা করে, এর সবকটিই মস্তিস্কের শক্তি এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে দেখানো হয়েছে।

ত্বক ঝলমলে কিভাবে করবেন, চট করে দেখে নিন

এখন সবাই অনেক ব্য়স্ত, এই ব্যস্ততার মাঝে ঘরে বসে রূপচর্চার জন্য সময় বার করা খুবই কঠিন। যেটুকু হয় সেটা নামমাত্রই। পার্লারে ভিড় করতে হয় তার জন্যই। এর জন্য খরচ তো হয় তার সাথে নানা রকম রাসায়নিক জিনিস এর পাশ্বপ্রতিক্রিয়ায় ক্ষতি হয় ত্বকের।ঘরোয়া উপাদানে বাড়িতে বসেই বানিয়ে ফেলতে পারেন এমন কিছু ফেসপ্যাক, যা সতেজ করে তুলবে ত্বককে ও তার সাথে সাথে ত্বকে জেল্লা আনবে।

ত্বকের পরিচর্জার জন্য আদি কাল থেকে হলুদ ব্যবহার হয়ে আসছে। ত্বকে উজ্জ্বল আনতে ব্রণ ও র‍্যশের সমস্যা দূর করতে হলুদ সব সময়ই উপকার। মসৃণ ও সুন্দর ত্বক পেতে হলে হলুদের ওপর ভরসা রাখতে পারেন। এর জন্য তিনটি উপায় রইল।

ত্বক উজ্জ্বল করার ৩টি সহজ উপায়

১। বেসন, হলুদ ও গোলাপ জলের প্যাকঃ- বেসন ত্বকের তেল শুষে নিয়ে ব্যাকটেরিয়া মুক্ত রাখে ত্বককে। ফলে ত্বকে ব্রণর প্রবণতা হ্রাস পায়। ২ টেবিল চামচ বেসন, ১/৪ চামচ হলুদ গুঁড়ো ও তার সাথে খানিকটা গোলাপ জল মিশিয়ে নিন একসাথে। প্রথমে জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন তারপর এই পেস্টটি ১০-১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে অপেক্ষা করুন। প্যাক টি শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই ফেসপ্যাকটি সপ্তাহে দু বার ব্যবহার করলে ত্বক উজ্জ্বল ও সতেজ হবে।

২। মধু, হলুদ ও দুধের প্যাকঃ- এই ফেসপ্যাক তৈরি করার জন্য এক চামচ মধু, ১/৪ চামচ গলুদ গুঁড়ো তার সাথে দু চামচ কাঁচা দুধ মিশিয়ে নিতে হবে। প্রথমে ক্লিনজার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নিন এরপর প্যাকটি আলতো হাতে মুখের সব জায়গায় লাগিয়ে নিন ও প্যাকটি ১০-১৫ মিনিট রেখে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি ত্বকে ব্রণর প্রবনতা কমায় ও ত্বককে কোমল করে তোলে। এই ফেসপ্যাকটি ত্বকের বলিরেখা দূর করে।

৩। মধু, হলুদ ও লেবুর রসের প্যাকঃ- ত্বকের ব্রণর দাগ, কালো দাগ লেবুর রস দূর করতে সাহায্য করে। ত্বকের রোমকূপ সংকুচিত হয়। মধু ত্বকে জলের ভারসাম্য বজায় রাখে ও ব্রণ হওয়ার প্রবণতা হ্রাস করে। ১ টেবিল চামচ মধু, ১/৪ চামচ হলুদের গুঁড়ো ও তার সাথে ১ চামচ লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই ফেসপ্যাকটি সপ্তাহে এক বার ব্যবহার করুন। এই প্যাকটি নিয়মিত ব্যাবহার করলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি হবে।

নিজেকে কিভাবে করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা করবেন

how-to-protect-yourself-from-coronavirus

করোনা ভাইরাসের কারনে গোটা বিশ্ব জুড়ে ১,৬০০ বেশি মানুষের মৃত্যু ও ৬৯,০০০ মানুষ মৃত্যুর সাথে লড়ে চলেছে। চীন থেকে শুরু হওয়া এই ভাইরাসের এখনো কোনো উপশম পদ্ধতি বার করা যায়নি। তবে কিভাবে নিজেকে এই মারন ভাইরাসের হাতথেকে রক্ষা করবেন তার কিছু উপায় রয়েছে।

প্রথমে জানতে হবে এই ভাইরাসটি কেন অন্য ভাইরাসের থেকে আলাদা?

অনেক প্রকার করোনা ভাইরাস রয়েছে, যার থেকে সামান্য কিছু যেমন সাধারন সর্দি হয়ে থাকে। কিন্তু “novel coronavirus” নামক ভাইরাস আগে কোনো দিন মানুষের মধ্যে পাওয়া যায়নি।

বিভিন্ন্য কারনে এইটি খারাপঃ
১। এই ভাইরাস মানুষের দেহ থেকে যেকোন প্রানীর দেহে যেতে পারে, যেটি বিরল।
২। এই ভাইরাস খুব সহজেই এক মানুষ থেকে অন্য মানুষের দেহে ছড়িয়ে পরতে পারে, যেট আরও বিরল।
৩। এই জন “novel coronavirus” সংক্রামিত মানুষের দেহে ১৪ দিন পর্যন্ত কোনো লক্ষন দেখা দেয় না। এই ১৪ দিনের মধ্যে মানুষ থেকে মানুষের দেহে ছড়িয়ে পড়তে পারে লক্ষন দেখার আগেই।

এবার জানা যাক এই ভাইরাসের লক্ষনগুলি কী কী?

জ্বর, সর্দি, গলা ব্যথা, শ্বাস নিতে সমস্যা ইত্যাদি দেখা দেয়। WHO এর মতে, যাদের শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা রয়েছে, তাদের সমস্যা বেশি হতে পারে। এছাড়াও বৃদ্ধ মানুষের, হার্টের রোগী, সুগার রোগীদের আরও ভয়ানক হতে পারে এই ভাইরাস।

কিভাবে নিজেকে রক্ষা করবেন এই ভাইরাসের হাত থেকে?

১। কাজ সেরে ২০ সেকেণ্ড ধরে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে ছেলুন।
২। অসুস্থ বোধ হলে মুখ ঢেকে রাখুন। রূমাল ব্যবহার করুন।
৩। সংক্রান্ত ব্যক্তির থেকে ৩ ফুট দূরে থাকুন।

novel coronavirus এই কি কোনো চিকিৎসা আছে?

না। এই ভাইরাসের কোনো চিকিৎসা পদ্ধতি নেই। মানুষের কাছে এই ভাইরাস সম্পুর্ণ নতুন।

ভ্যাকসিন আছে কি?

গবেষকগন এই ভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরি করার উপর কাজ করছে। কবে ভ্যাকসিন আবিষ্কার হবে তা বলা বিজ্ঞানিদের পক্ষে এখন সম্ভব নয়।