প্রাকৃতিক উপায়ে বন্ধ হবে অতিরিক্ত চুল পড়ার সমস্যা! জানুন বিস্তারিত

Hair Fall Problem Solution

বর্ষাকালে চুল পড়ার সমস্যা প্রায়ই লোকের দেখা যায়। বর্ষাকালে অতিরক্ত চুল ঝরে যায়। তাই এবার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে চুলের যত্ন নিতে হবে প্রাকৃতিক উপায়ে। দেখে নিন এইসব উপায় গুলি।

বৃষ্টির জলে চুল ভিজে যাওয়ার থেকে সতর্ক থাকুন। চুল ভিজে গেলে শুকনো তোয়ালে দিয়ে মাথা মুছে ফেলুন। চুল বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়ার পর অবশ্যই শ্যাম্পু করে নিন।

এরপর চুল ভালো করে শুকনো করে নিন ও গরম নারকেল তেল চুলে ম্যাসাজ সাকাল

এই সময় আবহাওয়া আর্দ্র থাকার জন্য চুলে নানারকম সমস্যা দেখা যায়। সেই জন্য কম করে সপ্তাহে ৩ দিন শ্যাম্পু করুন। চুল পরিষ্কার থাকলে ময়লা জমবে না এর ফলে চুল পড়া কমে।

আরও পড়ুনঃ চুলের সব সমস্যার সমাধান করতে এবার বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন Onion Hair Oil

চুলে এইসময় প্রাকৃতিক শ্যাম্পু ব্যবহার করা প্রয়োজন। তাই রিঠা দিয়ে শ্যাম্পু করুন। দশকর্মার দোকানে রিঠা পেয়ে যাবেন। রিঠা গুঁড়ো করে রাতে অল্প জলে ভিজিয়ে রাখুন ও পরের দিন সকালে ওই রিঠা ভেজানো জল শ্যাম্পুর মতো ব্যবহার করুন। চুল ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন। চুল পড়া কমে যাবে।

আরও পড়ুনঃ ঠোঁট কালো হচ্ছে সিগারেট খেয়ে, ঘরোয়া টোটকায় তা দূর করুন

বর্ষাকালে চুলের যত্নের জন্যে ব্যবহার করতে পারেন মুলতানি মাটি। একটি বাটিতে মুলতানি মাটি নিয়ে জল দিয়ে সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন সারা চুলে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে ভালো করে মাথা ধুয়ে ফেলুন। একদিন পরে রিঠা দিয়ে শ্যাম্পু করে নিন। চুল পড়া কমে যাবে।

আদা নিয়মিত সেবনে কমবে হৃদরোগের সম্ভাবনা, জেনে নিন বিস্তারিত

health

শাক, সবজি ও ফলের মতো আদাতেও আছে অনেক গুন। নিয়মিত আদা খেলে অনেক উপকার হয়। জেনে নিন আদা-এর গুনাগুণ।

রোজ যদি তিন থেকে চার গ্রাম আদা খাওয়া যায়, তাহলে শরীরের কোলেস্টরলের মাত্রা থাকে অনেক কম। যাঁরা কোলেস্টরলের সমস্যায় ভুগছেন, তাঁরা আদা খান রোজ।

কোলেস্টরলের কমে যাওয়া মানে হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনাও কমে যাওয়া। ফলে আদা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

আরও পড়ুনঃ সর্দি-কাশি ও শরীরের বাড়তি মেদ কমাতে খান কাঁচা হলুদ, দেখে নিন এটি খাবার উপায়

আমরা প্রায় সবাই জানি সর্দি, কাশি সারাতে আদা খুবই কার্যকরী। গলা ব্যথা, খুসখুসে কাশি সারাতে আদার প্রয়োগ হয়ে আসছে অনেক দিন ধরেই। খুব কাশি হলে দাঁতের ফাঁকে এক টুকরো আদা রাখলে অনেক আরাম পাবেন।

এছাড়াও আদায় থাকে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, এটি শরীরের রক্ত চলাচল ঠিক রাখে ও বার্ধক্য কমায়। যাদের বমির সমস্যা আছে তা সারাতে আদা খুবই কার্যকরী।

আরও পড়ুনঃ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অবশ্যই এই খাবারগুলি খান

কীভাবে আপনার দাঁতকে করবেন ঝকঝকে সাদা মুক্তোর মত! দেখে নিন

teeth care

কলকাতাঃ এই করোনার আবহে দাঁতের কোনো সমস্যায় ডেন্টিস্টের কাছে যাওয়া খুবই সমস্যার। তাই ঘরে বসেই নিতে হবে দাঁতের যত্ন।

দেখে নিন কীভাবে নেবেন আপনার দাঁতের যত্নঃ

গোলাপের পাপড়ি পিষে রস বের করে দাঁতে লাগান। এতে মাড়ি ভালো থাকে, সংক্রমণ হয়না দাঁতে।

রোজ পুদিনা পাতা ও এলাচ চিবিয়ে খান। এতে দূর হয় নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ। দাঁতকে ক্যাভিটির হাত থেকে বাঁচাতে খান, আপেল, গাজর, মূলো ও স্যালাড।

আরও পড়ুনঃ বিনা মাংসে এক বছর থাকতে পারলেই অবিশ্বাস্য ফল!

খুবই জরুরি গার্গল করা। নিম বা নিম তেল করে এতে নুন ও সরষের তেল মিশিয়ে গার্গল করুন। এটা দিয়ে দাঁতও মাজতে পারেন। এতে ক্যাভিটি, প্লাগ বা জিঞ্জেভাইটিসের মত সমস্যা হবে না।

দিনে দুবার ব্রাশ করুন। এতেই ঝকঝক করবে আপনার হাসি।

আরও পড়ুনঃ সর্দি-কাশি ও শরীরের বাড়তি মেদ কমাতে খান কাঁচা হলুদ, দেখে নিন এটি খাবার উপায়

বিনা মাংসে এক বছর থাকতে পারলেই অবিশ্বাস্য ফল!

diet plan without meat

বাঙালি মাছ ভক্ত, কিন্তু সাথে সাথে রবিবার এলেই বাঙালির মাংস চাই পাতে। রবিবার মনে মাংসের বাসনা আসবেনা, এই রকম বাঙালি প্রায় নেই বললেই চলে। এই মানুষগুলোকে যদি বলা হয় এক বছর মাংস না খেয়ে থাকতে হবে, তাদের পক্ষে এটা খুবই কঠিন। কিন্তু গবেষণায় বলছে, এই অভ্যাস করতে পারলে লাভের পাল্লা অনেকটাই ভারী।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছে যে, এক বছর মাংস না খেয়ে শুধুমাত্র ডাল-ভাত, শাকসবজি, ফল খেয়ে বেঁচে থাকা যায় তবে ওজোন দশপাউন্ড করে কমে যাবে।

মাংস ছাড়া এইসব খাবার খেলে কোলেস্ট্রেরল, রক্তচাপ, হৃদরোগের সম্ভাবনা অনেক কম থাকবে। দেখা যাচ্ছে, শাকাহারিদের এইসব রোগ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম।

আরও পড়ুনঃ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অবশ্যই এই খাবারগুলি খান

এতে ডায়াবেটিসের সম্ভাবনাও অনেক কম থাকবে। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা হু-এর একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর হল প্রেসসড মিট। যারা বেকন, সসেজ, সালামিতে ডুবে আছেন তাঁদের ডায়াবেটিস, ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা খুবই বেশি।

দেখা গিয়েছে গাট ব্যাক্টেরিয়ায় যারা আক্রান্ত হন, তাদের মধ্যে বেশিরভাগই মাংসভোজী। কাজেই মাংস থেকে দূরে থাকলে এই ভয়গুলি থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

আরও পড়ুনঃ সর্দি-কাশি ও শরীরের বাড়তি মেদ কমাতে খান কাঁচা হলুদ, দেখে নিন এটি খাবার উপায়

আগে ছিল বাঘ, এখন বেড়াল, করোনা সম্পর্কে কি বলছেন বিশেষজ্ঞরা

Covaxin trial

এ বছরের শুরু থেকেই যেন এক ভয়াবহ বিপদের সন্মুখিন হতে হয় সমগ্র মানব প্রজাতিকে। করোনা ভাইরাসের কারনে প্রতি মুহুর্তেই মানুষ মারা গেছে। এই ভাইরাসের কারনে বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশই কম বেশি প্রভাবিত হয়েছে। মনে করা হয়, যার শুরুটা হয়েছিল চিনের উহান প্রদেশের একটি বাজার থেকে।

দেশে বর্তমানে যে হারে করোনা ভাইরাস মানুষকে আক্রান্ত করে চলেছে, সেই হারে মানুষের মৃত্যু হচ্ছে না বলে দাবি বিশেষজ্ঞ মহলের। এই মহামারীর শুরুর দিকে যে হারে মানুষের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছিল তা এখন আর হচ্ছে না। বয়স্ক মানুষের করোনা হলেই আগে মারা যেত দু’ই থেকে তিন দিনের মধ্যেই। তবে এখন বয়স্ক মানুষের মধ্যে মৃত্যুর হার কমে গেছে। এমনকি ভেন্টিলেসনেরও দরকার পড়ছে না।

আরও পড়ুনঃ স্ট্রেস কমাতে রোজ খান এই ৫টি খাবার

তাই বিজ্ঞানীরা আশাবাদী এই মহামারী যে গতিতে ছড়িয়ে পড়েছিল সেই গতিতেই আবার চলে যাবে। এখন যে হারে মানুষ আক্রান্ত হয়ে চলেছে সেই হারে মৃত্যু হচ্ছে না আর। তাই ইতালির এক বিক্ষ্যাত সংক্রমক রোগ নিশেষজ্ঞ মেটও বাশেট্টি বলেন, পূর্বে করোনা ছিল জঙ্গলের বাঘ, আর এখন বিড়াল হয়ে গেছে।

ভারতে করোনায় মোট আক্রান্ত ২৪,৬১,১৯০ জন। সুস্থ হয়েছে ১৭,৫১,৫৫৫ জন। মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৮,০৪০ জন।

আরও পড়ুনঃ এবার BDO, SDO-দের কাজের মুল্যায়ন করবেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী

সর্দি-কাশি ও শরীরের বাড়তি মেদ কমাতে খান কাঁচা হলুদ, দেখে নিন এটি খাবার উপায়

turmeric

কাঁচা হলুদে আছে একাধিক গুন। যাতে অনেক রোগ নিরাময় হয় খুব সহজেই। হলুদ বাড়তি ওজোন বা মেদ ঝরাতে সাহায্য করে। হলুদে থাকে কারকিউমিন। যা মেদ ঝরাতে সাহায্য করে। সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে কাঁচা হলুদের সাথে মধু মিশিয়ে খান।

কাঁচা হলুদের সাথে দুধের সর মিশিয়ে মুখে লাগালে মুখের বলি রেখা দূর হয়ে যাবে।

কাঁচা হলুদ সর্দি-কাশিতেও দারুণ কাজ দেয়। খুব কাশি হলে এক টুকরো হলুদ মুখে রেখে দিন, কাশি কমে যাবে। এরপর চিবিয়ে খেয়ে নিন। কাশি কমবে। এছাড়া সর্দি কমাতে এক গ্লাস গরম দুধে হলুদ গুঁড়ো ও গোলমরিচ গুঁড়ো মিশিয়ে খান।

আরও পড়ুনঃ ত্বককে বয়স্কভাব থেকে বাঁচাতে, এড়িয়ে চলুন এইসব খাবার

নিয়মিত কাঁচা হলুদ খেলে গা, হাত, পায়ের ব্যাথা সেরে যায়।

এছাড়া ত্বকের জন্য হলুদ বরাবরই খুব ভালো। হলুদ ত্বকের ট্যান দূর করে ও ব্রণ দূর করে। হলুদ রক্ত পরিষ্কার করে।

আরও পড়ুনঃ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অবশ্যই এই খাবারগুলি খান

গর্ভাবস্থায় অষ্টম মাসে এই খাবারগুলি থেকে দূরে থাকুন

Pregnancy

গর্ভাবস্থায় প্রতিটি মহিলাই চান তাঁর গর্ভে থাকা সন্তানকে ভালো রাখতে, আর তাই হাজার রকম চেষ্টা করে থাকেন।

এই সময় নিজেকে ভালো রাখার সাথে সাথে সন্তানকে ভালো রাখার কথাও ভাবতে হয়। তাই নিজের শারীরিক অবস্থা ভালো রাখার সাথে সাথে সন্তানকে ভালো রাখার উপায় হল সঠিক খাদ্য গ্রহন।

গর্ভাবস্থায় প্রতিটি মহিলাকেই বিশেষভাবে মনোযোগ দিতে হবে খাবারের প্রতি। বিশেষ করে যদি অষ্টম মাসের গর্ভাবস্থা চলতে থাকে।

এই সময় কিছু খাদ্য আছে যেগুলি গ্রহণে উপকার হয়, আবার কিছু খাদ্য আছে যেগুলি গ্রহণে ক্ষতির সম্ভবনাও বৃদ্ধি পায়। তাই ডায়েটের দিকে বিশেষ নজর রাখতে হয়। একটি শিশুর স্বাস্থ্য বিশেষভাবে খাদ্য ও মাতার শারীরিক অবস্থার উপর নির্ভরশীল।

তাই দেখে নিন অষ্টম মাসের গর্ভাবস্থায় কী কী রকম খাবার এড়িয়ে চলবেন।

১। ধূমপান ও মদ্যপানঃ ধূমপান ও মদ্যপান স্বাভাবিক ও সুস্থ মানুষের জন্যও স্বাস্থ্যকর নয়। তবে কিভাবে এক জন গর্ভাবস্থায় থাকা মানুষের উপকারে চালার কোনো সুযোগই নেই। যদি এগুলির উপরে আসক্তি থাকে তবে এখনই ত্যাগ করে ফেলতে হবে।

২। ছাগলের দুধঃ ছাগলের দুধ এড়িয়ে চলুন। কারণ এতে থাকে টক্সোপ্লাজমোসিস। যা একজন গর্ভাবস্থায় থাকা মহিলার কাছে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।

আরও পড়ুনঃ করোনা আবহে ডায়াবেটিস রোগীরা সুস্থ থাকবেন কী করলে দেখে নিন

৩। তেলেভাজাঃ এই সময় মহিলাদের টক, ঝাল, মিষ্টি খাবার বেশ পছন্দের হয়ে ওঠে। তাতে কোনো ক্ষতি নেই। তবে এই টক, ঝাল, মিষ্টি খাবারের তালিকাতে রয়েছে তেলেভাজা। যা বেশ পছন্দের খাদ্য। তবে এই খাদ্য খাওয়া একেবারেই বান্ধনিয় নয়। কারণ এই ধরনের খাদ্যে হজমের সমস্যা সৃষ্টি করে। যার কারনে গ্যাস্ট্রেইনটেস্টাইনাল সমস্যাও মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে। ফলে শিশুর স্বাস্থের উপড় সরাসরি প্রভাব বিস্তার করে।

৪। কফিঃ গর্ভাবস্থার অষ্টম মাসে এসে ক্যাফেইন যুক্ত পানীয় সম্পুর্ণভাবে এড়িয়ে চলুন। কারণ এই জাতীয় পানীয় শুধা ভাব কমিয়ে দেয়। কফি বেশি পরিমাণে সেবনে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যার আবির্ভাব ঘটাতে পারে।

৫। মাংসের যকৃতঃ গর্ভাবস্থায় থাকার সময় যকৃত খাওয়া থেকে বিরাম থাকুন। সাথে অর্ধেক রান্না হওয়া মাংস খাওয়া থেকে দূরে থাকুন। কারণ এই রকমের খাদ্য শিশুদের টসোপ্লাজমোসিস এবং লিস্টোরিওসিস-এর মতো সমস্যার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

তাই এই প্রকারের খাদ্য থেকে দূরে থাকুন, সুস্থ থাকুন, সুখে থাকুন।

আরও পড়ুনঃ মানসিক অবসাদ বা বাড়তি ওজোন, সবকিছু থেকে মুক্তি পেতে খান আমলকী

ত্বককে বয়স্কভাব থেকে বাঁচাতে, এড়িয়ে চলুন এইসব খাবার

skin

ত্বককে বয়স্কভাব থেকে রক্ষা করতে এড়িয়ে চলতে হবে কিছু খাবার। সবাই চায় নিজের ত্বককে সুন্দর ও উজ্জ্বল করে রাখতে। তাতে যাতে কোনোভাবেই বয়সের ছাপ না পড়ে এর জন্য এইসব খাবারগুলি অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া যাবেনা। দেখে নিন সেই তালিকা।

অতিরিক্ত নুন খাওয়া উচিত নয়। এতে রক্তচাপ বেড়ে যায়। এর ফলে ত্বকে পড়ে বয়সের ছাপ। অতিরিক্ত মদ্যপান করলে আমাদের শরীরে ফ্যাটি অ্যাসিড বেড়ে যায়। শরীরে জলশূন্য হয়ে গেলে তার প্রভাব সরাসরি ত্বকে পড়ে।

অতিরিক্ত মাংস খাওয়ার ফলে শরীরে জমাট বাঁধে টক্সিন। এছাড়াও ভিটামিন ডি এর-মাত্রাও কমে যায় সম্পৃক্ত ফ্যাটের প্রভাবে। অতিরিক্ত মাংস খাওয়াটা একেবারেই উচিত নয়।

ফাস্ট ফুড মানেই ফ্যাটি অ্যাসিডের বাড়বাড়ন্ত। এটি ধমনীতে রক্ত চলাচল বন্ধ করে দেয়। এতে ত্বকে তাড়াতাড়ি বয়সের ভাঁজ পড়ে।

আরও পড়ুনঃ ত্বকের কালচে ভাব দূর করুন মাত্র ১৫ মিনিটে, ঘরের তৈরি ফেস প্যাক

গমে রয়েছে অ্যাডভান্স গ্রাইকেশন অ্যান্ড প্রডাক্ট। এটি ত্বকের কোশগুলির ক্ষতি করে।

বেশিরভাগ এনার্জি ড্রিংক চনমনে করে দেয় আপনার শরীরকে, অতিরিক্ত মাত্রায় কার্বোহাইড্রেট রয়েছে বলে। কিন্তু এর প্রভাবে জলশূন্যতা দেখা যায় শরীরে। এছাড়া থাকে ক্যাফিন যা ক্ষতিকর অতিরিক্ত মাত্রায়।

আরও পড়ুনঃ শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অবশ্যই খান খেজুর

করোনা আবহে ডায়াবেটিস রোগীরা সুস্থ থাকবেন কী করলে দেখে নিন

Sugar Patient

সারা পৃথিবীতে করোনা যে ভাবে থাবা বসিয়েছে তাতে স্পষ্টভাবে বোঝাই যাচ্ছে যে এই জীবাণু সহজে মানুষের জীবন থেকে যাবে না।

করোনা শুধুমাত্র মানুষের জীবন নিয়ে চলেছে তা নয়, বদলে দিয়েছে মানুষের জীবন ধারা। একে বারে বদলে গেছে নিত্য দিনের জীবন সংগ্রাম। এখন মানুষকে লড়তে হচ্ছে এক অদৃশ্য শক্তির সাথে। যার ক্ষমতা মানুষের থেকে অনেক বেশি।

এর মাঝেও কিছু মানুষ আছেন যারা এখনও পর্যন্ত বিশ্বাস করে উঠতে পারছেন না যে করোনা ভাইরাস বা কোভিড-১৯ নামের কিছু আছে, আর যার কারণে বহু মানুষ তার প্রিয়জনদের হারিয়ে ফেলেছেন।

এই কোভিড-১৯ বিশেষকরে তাদের কে একেবারেই করুনা করছে না যাদের সুগার, হৃদপিন্ডের ও নানান অসুখে ভুগছেন।

তবে একেবারেই যে কিছু করার নেই তা নয়। কিছু না করার থেকে কিছু অন্তত করাই অনেক কিছু হয়ে থাকে। তাই সেই কথাই ভেবে বেশ কিছু সাধারণ টোটকার কথা উল্লেখ করলাম যা আপনাকে করোনার এই মহামারীর মাঝেও সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

১। মাস্ক ব্যবহার। হাত বারে বারে ধোয়া, শারীরিক ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা আপনাকে সুস্থ রাখতে পারে।

২। চেষ্টা করুন প্রয়োজনের অতিরিক্ত সময় বাইরে না কাটিয়ে বাড়িতে থাকতে।

৩। বাড়ির বাইরে গেলেই মাস্ক পড়ুন। মনে রাখবেন বাইরে থেকে বাড়িতে ফিরলেই অন্য কোনো জিনিসে হাত দেওয়ার আগে স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন।

৪। যাদের ডায়াবেটিক কিটো – অ্যাসিডোসিস বা ‘DKA’ নামক সমস্যা আছে তাদের মাঝে মাঝে শ্বাসকষ্ট দেখা যায়। এই সমস্যাকে করোনার সাথে এক করে না দিয়ে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

আরও পড়ুনঃ পেঁয়াজের সাথে হাজির আর এক বিপদ! হুহু করে ছড়াচ্ছে নতুন এই সংক্রমন

৫। ধূমপান করা যাবে না। সাথে অন্য কোনও নেশা জাতীয় দ্রব্য যেমন মদ্যপান একেবারে বন্ধ রাখুন। এতে রোগের প্রকোপ পড়তে পারে।

৬। পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করুন।

৭। সকালে ও সন্ধ্যাতে নিয়মিত শরীর চর্চা করুন। তবে একমাত্র ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নেবেন।

৮। বাড়িতে যদি কোনো অসুস্থ ব্যক্তি থাকে তার থেকে দূরত্ব বজায় রাখুন।

যদি কোভিডের লক্ষণ দেখা দেয় তাহলে সাথে সাথে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। রোগ চেপে রাখবেন না, আর অবহেলাও করবেন না।

সঠিক সময়ে রোগের চিকিৎসা হওয়া খুবই গুরুত্বপুর্ন। তা নাহলে বিপদ বাড়তে পারে।

আরও পড়ুনঃ নিমপাতায় আছে এক চমৎকার ঔষধিগুন, জেনে নিন এর সঠিক ব্যবহার

শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অবশ্যই খান খেজুর

dates

খেজুর-এর উপকারীতা সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানিনা। খেজুরের মধ্যে রয়েছে গুরুত্বপুর্ণ অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ছাড়াও আছে ভিটামিন-এ, বি ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, সালফার, প্রোটিন, ফাইবার এবং আয়রন। ৩০ গ্রাম খেজুরে ক্যালোরি থাকে ৯০,১ গ্রাম, ১৩ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ২.৮ গ্রাম ফাইবার। এই ফল ফ্রুটোজ, গ্লাইসেমিক সমৃদ্ধ শক্তি বা এনার্জির একটি অন্যতম উৎস। ভিটামিন বি-৬ মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

পুষ্টিবিদদের মতে, ১০০ গ্রাম খেজুরে রয়েছে ভিটামিন-সি, যা থেকে ২৩০ ক্যালোরি পাওয়া যায়। খেজুরে প্রায় ৮০ শতাংশ শর্করা জাতিয় উপাদান আছে। প্রতিদিন ৩-৪টে খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে পুষ্টিবিদরা।

আরও পড়ুনঃ নিমপাতায় আছে এক চমৎকার ঔষধিগুন, জেনে নিন এর সঠিক ব্যবহার

খেজুর দুধের সঙ্গে ফুটিয়ে খেলে আয়রনের ঘাটতি পূরণ হয় শরীরে। এছাড়া লো ব্লাড প্রেসারের সমস্যাতেও খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা। সারারাত খেজুর জলে ভিজিয়ে রেখে সেই জল সকালে খালি পেটে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।

আরও পড়ুনঃ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অবশ্যই এই খাবারগুলি খান