‘এক দেশ এক রেশন কার্ড’, প্রবাসী শ্রমিকদের সমস্যার দূরীকরণে কেন্দ্র

one country one ration card

করোনা মহামারীর সময় লকডাউনের মাধ্যমে এই ভাইরাসকে দূরে রাখার চেষ্টা চলছে বিশ্বের বহু দেশে। সেই পদ্ধতি দেশে মার্চ মাসের শেষেই আরম্ভ করা হয়েছিল। ফলে পশ্চিমের দেশগুলিতে যে হারে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে সেই হারে ভারতে মানুষ আক্রান্ত হয়নি। তবে যে ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে লক্ষাধিক মানুষ আক্রান্ত হয়ে যাবে চলতি মাসের শেষে।

এই লকডাউনের মধ্যে বহু মানুষ খাদ্যের অভাবের সন্মুখিন হতে হয়েছে। বিশেষ ভাবে প্রভাবিত হয়েছে দিনমজুর, শ্রমিক ও কৃষক শ্রেণির মানুষ। তাদের খাদ্যের জন্য নির্ভর করতে হয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার উপর। স্বেচ্ছাসেবীরা যে সব মানুষের কাছে পৌছাতে পেরেছে তাদের খাদ্যের জোগান হয়েছে। কিন্তু বাকীদের দিন কেটেছে আধ-পেটা খেয়েছে। সরকারের দেওয়া রেশনও তাদের ভাগ্যে জোটেনি। তাই পরিযায়ী শ্রমিক ও দিনমজুরদের কথা মাথায় রেখে কেন্দ্রীয় সরকার ‘এক দেশ এক রেশন কার্ড’ এই নীতি গ্রহন করতে চলেছে।

আরও পড়ুনঃ কাশ্মীরের কুলগামে ফের জঙ্গিদের তাণ্ডব, সেনার সাথে গুলির লড়াই

বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন জানান, আগামী ২০২১ সালের মার্চ মাসের মধ্যে সমস্ত প্রবাসী শ্রমিক ও দিনমজুরদের হাতে রেশন তুলে দেওয়া হবে। এক নতুন রেশনকার্ড দেওয়া হবে এদের হাতে। ফলে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে রেশন তুলতে পারবে। এই প্রকল্পের ফলে দেশের ২৩ টি রাজ্যের প্রায় ৬৭ কোটি মানুষ উপকৃত হবেন।

বর্তমানে করোনা সংকটের এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকার অভিবাসী শ্রমিকদের কাছে খাবার পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সিতারমন, প্রতিমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরকে জানিয়েছেন, এখনও রেশন দেওয়া হবে অভিবাসী শ্রমিকদের। শ্রমিকদের রেশন কার্ড থাকুক আর না থাকুক সকলকেই রেশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রতিমাসে তাদের প্রত্যেককে ৫ কেজি চাল বা আটা তার সাথে ১ কেজি ডাল দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সিতারমন। কেন্দ্রীয় সরকারের এই প্রকল্প রাজ্যসরকার লাগু করবে। কেন্দ্রীয় সরকার এর জন্য ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে।

আরও পড়ুনঃ করোনা মানব সভ্যতার এক অভিন্ন অংশ হতে চলেছে, সতর্ক বার্তা দিক “হু”

২০ লক্ষ কোটি টাকার প্যাকেজ কোন কোন খাতে যাবে জানাবেন অর্থমন্ত্রী, আজ বিকেল ৪ টেয়

Nirmala Sitharaman

নয়াদিল্লিঃ আজ বিকেল ৪ টেয় অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা। গতকাল রাতে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা করেছিলেন ২০ লক্ষ কোটি টাকার প্যাকেজের। আজ বিকেল ৪ টেয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ এই ২০ লক্ষ টাকার প্যাকেজ কোন কোন খাতে কত খরচ করেবেন তা বিস্তারিত জানাবেন।

আরও পড়ুনঃ পাকিস্তানের উড়েছে ঘুম, গিলগিট ও বালুচিস্তানের অফিসিয়াল ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট খুললো ভারত

করোনা ভাইরাস নিয়ে গোটা দেশ এখন গভীর সংকটে। তার মধ্যেই গতকাল রাতে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদী ঘোষণা করলেন ২০ লক্ষ কোটি টাকার প্যাকেজের। যা ভারতের জিডিপি-র ১০ শতাংশ। আর এই অর্থ কোন খাতে কীভাবে ব্যবহার হবে তার বর্ণনা দেবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ।

আরও পড়ুনঃ ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত ৩৫২৫, এবং মৃতের সংখ্যা ১২২

কী এই আত্মনির্ভর ভারত অভিযান?

Prime Minister Narendra Modi

দেশে করোনা ভাইরাসের প্রভাব দিন প্রতিদিন বেড়েই চলেছে। তাই মানুষ ভালোভাবেই বুঝতে পারছে যে এই করোনা ভাইরাসকে সহজে মানুষের জীবন থেকে সরিয়ে ফেলা যাবে না। ফলে বড়ই লম্ব সময়ের জন্যই থাকতে চলেছে এই করোনা ভাইরাস। তাই করোনা যেহেতু লম্বা সময়ের জন্য আমাদের জীবনে থাকতে চলেছে, তাই আমাদের বাঁচতে হবে, এগিয়ে যেতে হবে, গড়ে তুলতে হবে আত্মনির্ভর ভারত, সেই বার্তাই জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশ্যে ভাষনে তিনি বলেন, “করোনা পরিস্থিতি ভারতকে আত্মনির্ভর হতে শেখাচ্ছে। আমাদের সংকল্প আত্মনির্ভর ভারত।” এর পর তিনি এই আত্মনির্ভর ভারত গড়তে ২০ লক্ষ কোটি টাকার এক বিশেষ আর্থিক প্যাকেজের ঘোষণা করেন।

কী এই বিশেষ আর্থিক প্যাকেজ?

আরও পড়ুনঃ আগস্টেই ভারতের বাজারে আসতে পারে করোনার ওষুধ

জাতির উদ্দেশ্যে ভাষনে প্রধানমন্ত্রী বলেন,”এই আর্থিক প্যাকেজ আত্মনির্ভর ভারত অভিযানের কাজ করবে। ২০ লক্ষ কোটির আর্থিক প্যাকেজ। সংগঠিত ও আসংগঠিত সব শ্রেণির মানুষের জন্য এই প্যাকেজ। জমি, শ্রম, নগদের জোগানের জন্য এই প্যাকেজ। এই ফলে উপকৃত হবে কৃষকরাও।”

এই ভাষনে প্রধানমন্ত্রী ৫ টি স্তম্ভের কথা উল্লেখ করেন। সেই পাঁচটি স্তম্ভ হল, অর্থনীতি, পরিকাঠামো, সিস্টেম, ডেমোগ্রাফি ও চাহিদা। এই পাঁচটি স্তম্ভের ভিত্তিতে গড়ে উঠবে এক নতুন আত্মনির্ভর ভারত।

আরও পড়ুনঃ নজির গড়লেন এক গর্ভাবতী নার্স করোনার মাঝেও তিনি মানুষের সেবায়

মিউচুয়াল ফান্ড বাঁচাতে ৫০ হাজার কোটির প্যাকেজ রিজার্ভ ব্যাঙ্কের

rbi supports mutual funds

করোনা ভাইরাস হানা দিয়েছে প্রায় প্রতিটি দেশ। তাই কম বেশি সব দেশেই মানুষ গৃহবন্দী হয়ে পড়ে আছে। বিশ্বের সবথেকে বড় লকডাউন চলছে ভারতের মাটিতে। ফলে কারখানা থেকে ই-কমার্স সবই বন্ধ হয়ে পড়ে আছে গত এক মাস ধরে। কারণ করোনা থেকে বাঁচার এক মাত্র পথ সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা। ফলে এক প্রকার দেশ অচল হয়ে পড়েছে বহু দিন ধরে।

এই লকডাউনের ফলে আর্থিক লেনদেন, ব্যবসা সবই প্রায় বন্ধ। ফলে সব থেকে আর্থিক মন্দার মধ্যে পড়েছে মিউচুয়াল ফান্ডগুলি। তাদেরকে বাঁচানোর উদ্দেশ্যে এক বিশেষ প্যাকেজের ঘোষণা করলো রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। দেশে নগদের জোগান বাড়াতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। একটি বিবৃতির মধ্য দিয়ে রিজার্ফ ব্যাঙ্ক জানিয়েছে যে, মিউচুয়াল ফান্ডে স্পেশাল লিকুইডিটি ফেসালিটিতে আগামী ৯০ দিন পর্যন্ত রেপো রেটের কোনো পরিবর্তন হবে না।

আরও পড়ুনঃ রিলায়েন্স শুরু করলো হোয়াটসঅ্যাপ ভিত্তিক অনলাইন শপিং পোর্টাল

রিজার্ফ ব্যাঙ্কের এই পদক্ষেপ নেওয়ার অনেকগুলি কারণ রয়েছে। কিছুদিন আগেই ফ্র্যাঙ্কলিন টেমপ্লেটন ভারতে তাদের ৬ টি মিউচুয়াল ফাণ্ড বন্ধ করে দিয়েছে। তার ফলেই আতঙ্কের ছায়া দেখা দিয়েছে বিভিন্ন মহলে। সেই ভয় দূর করতেই এগিয়ে এলো আরবিয়াই।

আরও পড়ুনঃ চিন থেকে ১০ টন করোনা সামগ্রী নিয়ে শহরে নামলো উড়ান

রিলায়েন্স শুরু করলো হোয়াটসঅ্যাপ ভিত্তিক অনলাইন শপিং পোর্টাল

jiomart and whatsapp

করোনা ভাইরাসের জেরে ভারতবাসী এখন ঘরবন্দি অবস্থায় দিন অতিবাহীত করছে। এরই মধ্যে রিলায়েন্স তাদের অনলাইন শপিং পোর্টালের উপর কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। রিলায়েন্সের সাথে ফেসবুকের ৫.৭ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি সম্পুর্ন হওয়ার তিন দিনের মাথায় মুকেশ আম্বানি শপিং পোর্টালের উপর কাজ শুরু করে দিয়ে ছিল।

বর্তমানে ভারতের মধ্যে ফেসবুকের একটি পন্য হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৪০ কোটি মানুষ। সেই ভারতের বাজারে জিওমার্ট, একটি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম নিয়ে আসছে রিলায়েন্স।

আরও পড়ুনঃ পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন স্বাস্থ্যকর্মীদের

এই জিওমার্ট অ্যামাজন, ফ্লিপকার্ট-এর মতো ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলিকে টক্কর দিতে চলেছে বেশ কিছু দিনের মধ্যেই। ফেসবুক ও জিওমার্ট মিলে যাওয়াতে হোয়াটসঅ্যাপ হয়ে দাঁড়াবে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের যোগাযোগের প্রাথমিক মাধ্যম। ফলে ছোটো ব্যবসায়ীরা সহজে তাদের ব্যবসা চালাতে পারবে।

গ্রাহকদের তাদের জিওমার্ট অ্যাপে হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর প্রদান করতে হবে। যেকোনো দ্রব্য অর্ডার দেওয়ার পর একটি লিঙ্ক সরবরাহ করবে জিওমার্ট অ্যাপ। একবার অর্ডার দেওয়া সম্পন্ন হলে সেই তথ্য জিওমার্ট একটি মুদিখানা দোকানের সাথে ভাগ করে নেবে হোয়াটসঅ্যাপের সাহায্যে। তারপর ক্রেতা অর্ডার সম্মন্ধিয় সব তথ্য পেতে থাকবে তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে। এই ভাবে চলবে জিওমার্ট।

আরও পড়ুনঃ করোনার প্রভাবে কমছে দুর্গাপুজোর বাগেট, জানালেন ক্লাব কর্তারা

প্যান কার্ড না থাকলে আটকে যাবে কি কি কাজ, জেনে নিন

নিজেদের জরুরি ডকুমেন্ট তৈরি করে রাখা উচিৎ। বর্তমান সময়ে কোনোও ফাইন্যান্সিয়াল বা ব্যাঙ্কিং সংক্রান্ত কাজের জন্য প্যান কার্ড অত্যন্ত জরুরি। বহুবার দেখা গেছে প্যান কার্ড না থাকার কারণে আটকে গিয়েছে জরুরি কাজ। ১০ ডিজিটের একটি নম্বর প্যান কার্ড, যা আয়কর বিভাগের তরফে জারি করা হয়েছে। ৫ লক্ষ টাকা বা তার বেশি টাকার কোনো সম্পত্তি কিনলে তার জন্য প্যান কার্ড থাকা বাধ্যতামূলক। ইনকাম ট্যাক্স বিভাগের তরফ থেকে এই বিষয়ে জানানো হয়েছে ওদের ওয়েবসাইটে।

আরও পড়ুনঃ অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের পেনশন কাটা হবে না জানালেন অর্থমন্ত্রী

এর পাশাপাশি কোনও পোস্ট অফিসে বা ব্যাঙ্কে ৫০ হাজারের বেশি টাকা জমা করার হলে প্যান নম্বর থাকা বাধ্যতামূলক। ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ডের আবেদনের জন্য প্যান নম্বর বাধ্যতামূলক। হোটেল বা রেস্তোরাঁয় ২৫ হাজার টাকার বেশি বিল হলে সে ক্ষেত্রেও জরুরি প্যান নম্বর।

বিমার প্রিমিয়াম ৫০ হাজার টাকার বেশি জমা হলেও প্যান নম্বর বাধ্যতামূলক। কোনো সংস্থার শেয়ার কেনার ক্ষেত্রেও প্যান কার্ড থাকাটা জরুরি। ৫০ হাজার টাকার বেশি যে কোনও লেনদেনের ক্ষেত্রে জরুরি প্যান কার্ড। এছাড়াও প্যান কার্ড ও আধার কার্ডের লিঙ্ক করা বাধ্যতামূলক করে দিয়েছে কেন্দ্র সরকার।

আরও পড়ুনঃ যাদের জনধন অ্যাকাউন্ট আছে তাদের জন্য সুখবর, জেনে নিন এখনই

অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের পেনশন কাটা হবে না জানালেন অর্থমন্ত্রী

nirmala-sitharaman

বেশ কিছু দিন আগে থেকেই সোশাল মিডিয়াতে একটি গুজব তথ্য ছড়াতে থাকে যাতে বলা হয় কেন্দ্রীয় সরকারের অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের পেনশন থেকে কেটে নেওয়া হবে ২০% অর্থ। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমেও এই ধরণের খবর প্রকাশ হচ্ছিল। এই সব ধরণের সংবাদের কথা উড়িয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী সীতারমন।

তিনি টুইট করে জানান, কেন্দ্রের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের ২০ শতাংশ পেনশন কেটে নেওয়ার পরিকল্পনা হচ্ছে, এটা সত্যি নয়। এরকম কোনও পরিকল্পনা সরকারের নেই। কোনও সরকারি কর্মরত বা অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীর বেতন বা পেনশন কাটা হবে না।

আরও পড়ুনঃ অভিনেতা আজাজ খান ফেসবুকে মন্তব্য করে গ্রেপ্তার

দেখে নিন সেই টুইট যেখানে অর্থমন্ত্রী এই ব্যাপারটা সম্পুর্নভাবে পরিষ্কার করে দেয়।

যাদের জনধন অ্যাকাউন্ট আছে তাদের জন্য সুখবর, জেনে নিন এখনই

2000 rupees

করোনা ভাইরাসের ফলে দেশে লকডাউন ডাকার ফলে দিন মজুর মানুষের সব থেকে বড় ক্ষতির সন্মুখিন হতে হচ্ছে। সেই শ্রেনীর মানুষদের কথা ভেবে আগেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ১.৭ লক্ষ কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষনা করেছিলেন। এই বার এই ঘোষনাকে বাস্তবায়িত করার সময় এসেছে। তাই কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে জানা যাচ্ছে যেসকল মহিলার জনধন অ্যাকাউন্ট রয়েছে তাদের প্রত্যেকে আগামী তিনমাস ৫০০ টাকা করে ঢুকবে। সেই টাকা আসবে কেন্দ্র থেকে।

আরও পড়ুনঃ দেশবাসীর জন্য বড় ঘোষনা প্রধানমন্ত্রীর, জানুন বিস্তারিত

তবে প্রথমদিনেই সবার কাছে টাকা এসে পৌঁছাবে না। ধাপে ধাপে সেই টাকা এসে পৌঁছাবে মানুষের কাছে। কিছু দিনের মধ্যেই এই বন্টন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। মানুষ যাতে একই সঙ্গে গিয়ে ব্যাঙ্কে বা এটিএম এ ভিড় না করে তাই জন্যই একই সাথে সবার কাছে টাকা এসে পৌঁছাবে না।

এছাড়াও একাধিক প্রকল্পের ঘোষনা করেছিলেন দেশের অর্থমন্ত্রী। এই অনুযায়ী আগামী তিনমাস দেশের সমস্ত বিপিএল কার্ডের পরিবারকে বিনামূল্যে রান্নার গ্যাস প্রদান করবে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রায় ৮ কোটিরও বেশি মানুষ এই সুবিধা পাবে বলে জানা যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ করোনা যুদ্ধে মোকাবিলায় ভারতকে বিপুল অর্থ সাহায্য বিশ্ব ব্যাঙ্কের

জার্মানির প্রাদেশিক অর্থমন্ত্রির আত্মহত্যা

Thomas Schaefer attempted suicide

জার্মানিতে রেললাইনের পাস থেকে প্রাদেশিক এক মন্ত্রীর দেহ উদ্ধার হয়েছে। তিনি জার্মানির হেসে প্রদেশের অর্থমন্ত্রী থমাস শেফার। পুলিশের ধারণা তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

জার্মান সংবাদ মাধ্যম ডয়চে ভেলে এ কথা জানান। ডয়চে ভেলের প্রতিবেদনে বলা হয়, দ্রুতগতির রেলের পাশ থেকে মন্ত্রী শেফারের লাশ উদ্ধার করা হয়। তাঁর শরীর এত ক্ষতবিক্ষত ছিল যে শুরুতে তা শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। স্থানিয় গনমাধ্যমের বরাত দিয়ে ডয়েচ ভেলের প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনা ভাইরাসের কারনে সৃষ্টি অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কীভাবে সামাল দেবেন, সে দুশ্চিন্তা থেকে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন।

হেসে প্রদেশের সরকার প্রধান ভলকার বুফারের বরাত দিয়ে ভারতের সংবাদ মাধ্যাম এনডিটিভি জানায়, রবিবার ৫৪ বছর বয়সি থমাস শেফারের মৃতদেহ একটি রেললাইনের উপর থেকে উদ্ধার করা হয়। ভলকার বুফার বলেন, আমরা হতবাক এই ঘটনা অবিশ্বাস্য এবং আমরা তার জন্য গভিরভাবে শোকাহত।

সময়ের মধ্যে করতে হবে KYC, নাহলেই বন্ধ হবে SBI অ্যাকাউন্ট

sbi

সময়ের মধ্যেই করে ফেলতে হবে অ্যাকাউন্টের KYC(Know Your Customer), নাহলে বন্ধ হয়ে যাবে অ্যাকাউন্ট। তাদের এই বক্তব্য মেসেজের মাধ্যমে পৌছে দিয়েছে গ্রাহকদের কাছে। State Bank of India এর সাখার কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের কাছে শীঘ্রই অ্যাকাউন্ট KYC দ্বারা আপডেট করতে অনুরধ জানিয়েছেন।

এই মাসের ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ এর মধ্যে KYC পূর্ণ করতে হবে। নিকটবর্তী State Bank of India এর সাখায় গিয়ে KYC করতে পারেন। KYC পূর্ণ করতে গেলে ব্যাংকের নির্দেশ মতো সমস্ত তথ্য প্রদান করতে হবে।

জানা গেছে অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা আরও মজবুত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে ব্যাংকের পক্ষথেকে জানানো হয়েছে। তবে যে সব গ্রাহকদের কাছে KYC সংক্রান্ত কোনো মেসেজ পৌছায়নি তাদেরকেও নিকটবর্তী সাখায় যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।