লকডাউনে এই সেক্টরগুলিতে কাজ চালুর নির্দেশ দিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

একদিন আগেই জাতির উদেশ্যে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন বুধবার দিন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়ে দেবে লকডাউনের দ্বিতীয় পর্বে কোন কোন সেক্টরে কাজ চালু হবে। সারা দেশে পুরোপুরি লকডাউনের জেরে অর্থনীতি থেমে গেছে কার্যত। এই লকডাউনের সময় যাতে দিন আনা দিন খওয়া মানুষেরা আবার কাজে যোগ দিয়ে নিজেদের পেট চালাতে পারেন তার দিকেও নজর দিতে হচ্ছে কেন্দ্রকে এর পাশাপাশি লড়াই চালাতে হচ্ছে মারণ করোনা ভাইরাসের সঙ্গে।

কেন্দ্রিয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানালো, গ্রামীণ এলাকায় মাল প্রসেসিং, ম্যানফ্যাকচারিং ইউনিট, শিল্প ক্ষেত্রকে ছাড় দেওয়া হল। কেন্দ্রিয়মন্ত্রক-এর পক্ষ থেকে জানানো হল, গ্রাম্য এলাকায় কনস্ট্রাকশন কাজ চালিয়ে যাওয়া যাবে। তখনই শহরাঞ্চলে কনস্ট্রাকশন জারি রাখা যাবে যখন কর্মরত শ্রমিকরা অনসাইটেই যদি থাকেন।

লকডাউনে বিদ্যুতের বিল কিভাবে মেটাবেন, দেখে নিন

how to pay electric bill

লকডাউনে বিদ্যুতের বিল কীভাবে মেটানো যাবে তা নিয়ে সংশয়ে অধিকাংশ মানুষই। অনেকেই অনলাইনে বিল পেমেন্টে অভ্যস্ত নন। তাছাড়া বাড়িতে মিটার রিডিংয়ের জন্য কেউ আসতে পারছেনা। তাই এই ব্যপারে অভয় দিচ্ছে সিইএসসি।

সংস্থার দাবি, মার্চে অধিকাংশ গ্রাহকই provisional Bill পেয়ে যাবেন। অনলাইনে বিল মেটাতে পারবেন গ্রাহকেরা। সেটা যদি সম্ভব না হয় তবে নিকটবর্তী কোনও স্পেনসার্স স্টোরে বিলের টাকা বাবদ চেক জমা দেওয়া যাবে।

এখন প্রশ্ন এটাই, মিটার রিডিং হচ্ছেনা যখন, বিদ্যুতের বিল কিভাবে সঠিক আসবে। কার বাড়িতে কত ইউনিট ব্যবহার হয়েছে সেটা জানবে কি করে? গত বছর মার্চ মাসে গ্রাহকের বাড়ি বা অফিসে মিটার রিডিং নেওয়া হয়ে থাকলে, ওই মাসে কত ইউনিট খরচ হয়েছিল তা দেখে এ বছরের মার্চের বিল তৈরি করা হবে। আর যদি রিডিং না নেওয়া থাকে তাহলে, গত ছ’মাসে কত ইউনিট করে বিদ্যুৎ খরচ হয়েছে তার গড় করে বিল তৈরি হতে পারে।

এসএমএস-এর মাধ্যমে জানতে পারবেন বিল। এসএমএস এখনও যাদের কাছে আসেনি। সেই গ্রাহকদের বিল তৈরির প্রক্রিয়া শেষ হলেই পাঠানো হবে এসএমএস।

‘বেলা চাও’ পিয়ানোতে বাজালেন আয়ুস্মান

Ayushmann Khurrana play piano

মুম্বইঃ এখন সারা দেশ জুড়ে চলছে লকডাউন। লকডাউনকে বাড়িয়ে আবার ৩রা মে পর্যন্ত করা হয়েছে। করোনা ভাইরাসের মোকাবিলায় সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই সময় মানুষ ঘরে আটকে থাকায় গোটা দেশ স্তব্ধ হয়ে গেছে। সকলে একই জায়গায় আটকে পড়েছেন। সিনেমা, শিল্প বন্ধ সবই। এই সময় বাড়িতে আটকে সেলেবরাও। আয়ুস্মান খুড়ানাও রয়েছেন ঘরে বন্দি হয়ে। তিনি কিন্তু ঘরে চুপচাপ বসে নেই। মানুষের সাহায্যের জন্য তিনি এগিয়ে তো আসছেনই। তবে শুধুমাত্র টাকা দিয়ে নয় কবিতা শুনিয়ে গান গেয়ে এবং পিয়ানো বাজিয়েও ভালো রাখার চেষ্টা করছেন তিনি।

বাড়িতে বসে খালি গায়ে পিয়ানো বাজালেন তিনি। নেটফ্লিক্সের সিরিজ ‘মানি হেইস্ট’ দেখে ফেলেছেন তিনি বাড়ি বসেই। এই সিরিজ শাহরুখ দেখে বলেছেন আমি হিন্দি ছবি বানাবো। আবার এই সিরিজের গান ‘বেলা চাও’ পিয়ানো তে বাজালেন আয়স্মান।তিনি লিখলেন ‘আমি প্রফেসর হতে চাই। তাই তাঁর মতো চশমা পড়ে ‘বেলা চাও’ বাজাচ্ছি। আমার এই বাজনা পরিচালকরা শুনতে পাচ্ছেন? আমি পাগল হয়ে আছি বলিউডে ‘মাই হেইস্ট’-এর মতো কাজ করার জন্য। আমার সারা গায়ে ইচিং হচ্ছে। কবে হবে এইরকম কাজ। আমরা বাইরে বেড়িয়ে এই কাজ করবোই একদিন। তবে ধৈর্য ধরতেই হবে এখন। ‘বেলা চাও’ ইটালির বিখ্যাত ফোক সং। ‘মানি হেইস্ট’ ওয়েব সিরিজে এই গানটি ব্যবহার করা হয়েছে।

করোনার কারণে নায়ক ফিরে এলেন পুরানো পেশায়

hero in back to old profession

মুম্বইঃ কুমকুম ভাগ্য ধারাবাহিক এর আশিস গোখলেকে চেনেন নিশ্চয়ই? যারা নিয়মিত দেখেছেন তাঁরা ভালো করেই চেনেন। এই আশিস ছিলেন একজন ফিজিশিয়ান। কিন্তু অভিনেতা হবার কারণে তিনি হাসিমুখেই ডাক্তারি ছেড়ে দিয়েছিলেন। তারপর থেকেই ডাক্তারিকে দূরে সরিয়ে অভিনয়ে মন দেন শুধুই।

গোটা বিশ্বতেই এখন চলছে করোনার তাণ্ডব। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। মৃতের সংখ্যাও কম নয়। এখন সবাই-ই দেশের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন নিজের মতো করে। সেরকম আশিস ও এগিয়ে আসলেন। তবে একেবারে আন্য ভাবে। কোনোরকম অর্থ নয় নিজেই ময়দানে নামলেন।

অভিনেতা আশিস নাকি দিনভর স্থানিয় এক হাসপাতালে চিকিৎসায় সাহায্য করছেন। এবং এলাকা বাসিকেও সচেতন করছেন।

সেপ্টেম্বরের মধ্যে তৈরি হয়ে যাবে করোনার ভ্যাকসিন

corona vaccine made by september

লন্ডনঃ এখন গোটা বিশ্বের একটাই প্রশ্ন, করোনা ভ্যাকসিন কবে আসবে বাজারে? করোনা ভাইরাসের টিকা তৈরির গবেষণায় নেমে পড়েছে চিন, আমেরিকা, ভারত সহ আরও অনেক দেশের গবেষকরা। কোথাও না কোথাও থেকে আশার খবর আসছে প্রতিনিয়ত। করোনার প্রতিষেধক এখনও তৈরি হয়েগেছে, এখনও এমন ১০০ শতাংশ দাবি এখনও কেউ করতে পারেননি। এবার আশার খবর শোনালেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞানী সারা গিলবার্ট। তাঁর দাবি, এ বছরের সেপ্টেম্বরের মধ্যেই নাকি তৈরি হয়ে যাবে করোনার ভ্যাকসিন।

গবেষক গিলবার্ট জানিয়েছেন, করোনার প্রতিষেধক তৈরির কাজ করছেন তাঁরা। তাতে সাফল্যও পেয়েছেন। বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস, করোনা ঠেকাতে এই ভ্যাকসিন ৮০ শতাংশ সফল হবে। এই বছরই সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে এই প্রতিষেধক তৈরি করা সম্ভব হবে বলে তিনি মনে করছেন।

আরও পড়ুনঃ ড্রোনের সাহায্যে পাঠানো হয়েছে পান মশলা, ভিডিও ভাইরাল

নববর্ষে বৃষ্টির পুর্বাভাস

rain in kolkata

বর্ষ শেষের দিনে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা। আগামীকাল বর্ষ বরণের দিনে রাজ্যজুড়ে ঝড়-বৃষ্টি। বাতাসে জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় আর্দ্রতা জনিত অস্বস্তি বাড়বে। আগামীকাল থেকে উত্তরবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টি বাড়বে। কলকাতায় আজ আংশিক মেঘলা আকাশ। আদ্রতা জনিত অস্বস্তি থাকবে সকাল থেকেই। বিকেল বা সন্ধ্যার দিকে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা।

আজ চৈত্রসংক্রান্তির দিনে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের নয় জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস পূর্ব-পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া এবং কলকাতায়।

আরও পড়ুনঃ ভারতের পঞ্চাশ শতাংশ ছড়িয়ে পড়লো করোনা

ভারতের পঞ্চাশ শতাংশ ছড়িয়ে পড়লো করোনা

corona virus

নয়াদিল্লিঃ বিভিন্ন রাজ্য বলছে একরকম সংখ্যা। কেন্দ্রীয় সরকার অন্যরকম বলছে। এই নিয়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ঠিক কত তা নিয়ে তৈরি হচ্ছে ধোঁয়াশা। বিভিন্ন রাজ্যের ঘোষিত আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃত্যুর সংখ্যাকে যোগ করলে কেন্দ্রের দেওয়া ডেটার মিল পাওয়া যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে উদ্বেগের বিষয় হল, প্রায় ভারতের ৫০ শতাংশ জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে করোনা।

ডেটা বলছে এতদিনের মধ্যে রবিবার সবচেয়ে বেশি করোনা আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে দেশে। সবচেয়ে প্রথম রয়েছে মহারাষ্ট্র, এখানে আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৭৬১ জন। এরপরেই সবথেকে বেশি আক্রান্ত হয়েছে দিল্লি ও তামিলনাড়ু, আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৬৯ ও ৯৬৯ জন। এরপর আছে আরও দেশের আরও সব জায়গা, রাজস্থানে ৭০০, গুজরাটে ৪৩২, অন্ধ্রপ্রদেশে ৩৮১, কেরলে ৩৭৪, কর্নাটকে ২২৬, জম্মু-কাশ্মীরে ২২৪, হরিয়ানায় ১৮৫, পাঞ্জাবে ১৫১, পশ্চিমবঙ্গে ৯৫, বিহারে ৬৪, ওড়িশায় ৫৪, উত্তরাখন্ডে ৩৫, অসমে ২৯, হিমাচলপ্রদেশে ৩২, ঝাড়খণ্ডে ২৫, চণ্ডীগড়ে ১৯, ছত্তীশগড়ে ১৯, লাদাখ ১৫, আন্দামান-নিকোবরে ১১ জন করোনায় আক্রান্ত। এছাড়াও গোয়া, পুদুচেরিতে ৭ জন, মণিপুর ও ত্রিপুরায় ২ জন, মিজোরাম ও অরুণাচলপ্রদেশে ১ জন করে আক্রান্ত হয়েছে।

এই মুহুর্তে দেশের ৭৩৬ টি জেলার মধ্যে ৩৬৪ টি জেলা করোনায় কবলিত। দেশে ৮ হাজার ৪৪৭ জন আক্রান্ত করনায় ও মৃত্যু হয়েছে ২৭৩ জনের, সেরে উঠেছে ৭৬৪ জন ।

বাংলার বিভিন্ন জায়গায় মানা হচ্ছেনা লকডাউন, চিঠি দিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

market in kolkata

কলকাতাঃ পশ্চিমবঙ্গের অনেক জায়গায় লকডাউন মানা হচ্ছেনা ঠিক মতো। রাজ্য সরকারকে চিঠি দিয়ে জানালো কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। রাজ্যের মুখ্যসচিব, পুলিশ প্রধানকে চিঠি দিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। কলকাতার কোন কোন জায়গায় মানা হচ্ছেনা লকডাউন তাও তিনি চিঠিতে জানিয়েছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক লিখেছেন চিঠিতে, অত্যাবশ্যকীয় নয় এমন দোকানকেও ছাড় দেওয়া হচ্ছে। মাছ, সবজি বাজারে কোনও নিয়ন্ত্রন নেই। কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় লকডাউন অমান্য করা হচ্ছে। মানিকতলা, নারকেলডাঙা, রাজাবাজার, তপসিয়া, মেটিয়াবুরুজ, গার্ডেনরিচ, একবালপুরে মানা হচ্ছেনা লকডাউন। ধর্মীয় জমায়েতও চলছে কিছু ক্ষেত্রে। সংক্রমণ রুখতে এসব বন্ধ হোক। এই ধরনের কাজের মাধ্যমে ২০০৫ সালের ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট আইনের আওতায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক যে নির্দেশ সময়ে সময়ে পাঠাচ্ছেন তা লঙ্ঘিত হচ্ছে এবং এটা এই আইনের আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

লকডাউন না মানলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক কে দ্রুত একটি রিপোর্টও পাঠাতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ যেটা ভাবা হচ্ছিল সেটাই হল ইতালিকে ছাড়িয়ে গেল আমেরিকা

করোনার সামনে অসহায় বিশ্ব, ১ লক্ষ্য প্রাণ নিল করোনা

Corona Virus

ওয়াশিংটনঃ করোনা ভাইরাস আক্রান্তে গোটা বিশ্বে মৃত্যুর সংখ্যা এক লক্ষ্য ছাড়িয়ে গেল। এখনও পর্যন্ত গোটা বিশ্বে করোনায় মারা গিয়েছেন ১ লক্ষ্য ৯০ জন। আক্রান্তের সংখ্যা হল ১৬,৩৮,২১৬। তবে আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩,৬৯,০১৭ জন।

শুধুমাত্র আমেরিকাতেই পাঁচ লক্ষ্য মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন এখনও পর্যন্ত। শুক্রবার পর্যন্ত সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৪,৭৭,৯৪৪ ও মৃতের সংখ্যা ১৭,৯০৯ জন। স্পেনে আক্রান্ত হয়েছে ১,৫৭,০৫৩ জন, মৃত্যু হয়েছে এখনও পর্যন্ত ১৫,৯৭০ জনের। ইতালিতে মৃতের সংখ্যা ১৮,৮৪৯ জন। করোনায় বিপর্যস্ত ফ্রান্সও। সেখানে মৃতের সংখ্যা ১২ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। ব্রিটেনের মৃতের সংখ্যা প্রায় ৯ হাজার। ইরানে মৃতের সংখ্যা ৪২৩২ জন।

যে দেশ থেকে করোনা আক্রান্তের প্রথম খবর মিলেছিল সেই চিন এখন মৃতের সারিতে অনেকটাই পিছনে।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এখন অনেকটাই সুস্থ

লন্ডনঃ আইসিইউ থেকে জেনারেল বেডে দেওয়া হল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে, কিছুদিন আগেই করোনার সংক্রমন পাওয়া গেছিলো তাঁর লালা রসে। শুধু তাই নয় ব্রিটেনে করোনায় সংক্রমনের হার দেশের প্রশাসনকে চিন্তায় রেখেছে।

করোনা ধরা পড়ার পরেও তিনি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রশাসনিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন।তারপর হঠাৎ বাড়াবাড়ি হওয়ার পরে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তবে এখন শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। তিন রাত আইসিইউ তে থাকার পরে স্বাস্থ্যের উন্নতি হচ্ছে এখন বরিস জনসনের।

একই সঙ্গে চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। তাঁর দ্রুততার সঙ্গে সেরে ওঠার ব্যপারে আশাবাদী চিকিৎসকেরা।