ঘ্রানশক্তি কমে আসছে করোনার দাপটে

coronavirus

জ্বর, শরীরে ব্যথা, মাথা ব্যথা, হাঁচি-কাশি ইত্যাদি করোনা ভাইরাসের প্রধান উপসর্গ গুলি আমরা প্রত্যেকেই জানি। এবং এই ভাইরাসের জীবাণু নাক, মুখ, চোখ ইত্যাদি দিয়ে আমাদের শরীরের মধ্যে প্রবেশ করে আমাদের ফুসফুসকে সংক্রামিত করে তাও আমরা জানি, কিন্তু হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের একদল বিশেষজ্ঞে মতে, এই ভাইরাস আক্রান্তরা এর কোনো টেরই পান না।

আরও পড়ুনঃ কাজ বন্ধ সিনেমার, ২৫ হাজার কর্মীর পরিবারের দায়িত্ব নিলেন সলমন খান।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন; করোনা ভাইরাস মূলত আমাদের নাক, মুখ ও গলার কোষগুলিকে আক্রান্ত করে। ফলে আক্রান্ত ব্যাক্তি গন্ধ ও স্বাদ গ্রহনের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। এই প্রসঙ্গে দেশের একাধিক ডাক্তারই একমত, প্রায় সকলেই জানিয়েছেন, এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর ব্যাক্তি হঠাৎ করেই তাঁর স্বাদ ও গন্ধ পাওয়ার ক্ষমত্তা হারাতে থাকে।

আলেকজান্দ্রিয়ার একদল গবেষক সূত্রে জানা গেছে, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যাক্তিদের প্রথমে হাঁচি-কাশি, জ্বর ও মাথা যন্ত্রণার মতো প্রাথমিক উপসর্গ দেখেই পরীক্ষা করতে হবে। এবং অন্য কোনো শারীরিক সমস্যা থাকে সে ক্ষেত্রে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা অত্যন্ত জরুরি।

আরও পড়ুনঃ করোনা মোকাবিলায় বিশাল পরিমাণ অর্থ সাহায্য করল গুগল।

বাড়ির টানে ২০০ কিমি পথ পায়ে হেঁটে মৃত্যু শ্রমিকের

one-delhi-labour-die-on-road

করোনা ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়া রুখতে সতর্কতা একান্ত জরুরি। কিন্তু বাড়ি ফেরার টানে সতর্কতা ভেঙ্গে দিচ্ছেন দিল্লিতে আটকে থাকা বহু শ্রমিক। গোটা দেশে লকডাউন চলাকালীন পরিস্থিতিতে বহু শ্রমিকই বেরোজগার। তাই এবার বাড়ি ফেরার টানে মরিয়া হয়ে ওঠেন। আজ নয়তো কাল একদিন ঠিক পৌঁছে যাবেন। এই আশায় দিল্লি থেকে হাটতে শুরু করেন বছর আটত্রিশ এর এক ব্যাক্তি। তিনি মধ্যপ্রদেশের নোরেলার বাসিন্দা। বুধবার দিল্লি থেকে ২০০ কিমির পথ হেঁটে তিনি আগ্রা পর্যন্ত চলে আসেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর বাড়ি ফেরা হল না। শনিবার সকালেই হৃদরোগে তার মৃত্যু হয়।

সারা দেশে লকডাউন চলায় সমস্ত যান পরিবহন ব্যবস্থা ই বন্ধ। কাজও বন্ধ ফলে আর্থিক অবস্থাও খারাপ খাদ্যের জোগাড় ও করা প্রায় অসম্ভব। তাই বাড়ি ফেরার সন্ধান্ত নেন এই শ্রমিক। শনিবার সকালে তাঁকে রাস্তায় অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। অর্ক বায়োপসি করলে জানা যায় হৃদরোগে মৃত্যু হয় তাঁর।

দিল্লি পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, ওই মৃতের নাম রনবীর সিং। আগ্রা থেকে আরও ১০০ কিমি দূরে তাঁর বাড়ি। দক্ষিণ দিল্লির তুঘলকাবাদের এক হোটেলে ফুড অর্ডারের কাজ করতেন এই যুবক। রনবীরের সাথে আরও দুজন ছিলেন। তারাও দিল্লি থেকে পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরছিলেন। এই প্রথম দিল্লিতে কর্মরত কোনোও ভিন্ন রাজ্যের শ্রমিকের মৃত্যু হল।

এবার করোনার শিকার স্পেনের রাজকুমারী মারিয়া টেরেসা

ভয়াবহ মহামারি করোনায় যখন গোটা স্পেন স্তব্ধ, তখন মারন ভাইরাসের কবলে পড়ে প্রান হারালেন স্পেনের এক রাজকুমারী। স্পেনের ওই রাজকুমারীর নাম মারিয়া টেরেশা মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। মৃত রাজকুমারী স্পেনের রাজা ষষ্ঠ ফিলিপ -এর দূরসম্পর্কের বোন। তবে স্পেনের রাজার বংশধর হলেও রাজকুমারী মারিয়া টেরেশ প্যারিসে মারা গিয়েছেন। আরানজুয়েজের ডিউক এবং মৃতের ভাই রাজকুমার সিক্সটো এনরিক ডে বরবন ফেসবুকের মাধ্যমে এই খবর প্রকাশ করেন।

দেখুন বলিউডের তারকারা কি করছেন ঘরে বসে।

বলিউডের কিছু বিশিষ্ট তারকারা এই সঙ্কটময় মুহুর্তে কিভাবে তাদের সময় কাটাচ্ছেন, সেগুলি তারা প্রতিনিয়ত শেয়ার করছেন সোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে । তাদের মধ্যে যেমন কেউ বাড়ির বিভিন্ন আসবাব সামগ্রী পরিস্কার করছেন বা কেউ পিয়ানো বাজানো শিখছেন আবার কেউ পরিবারের সাথেও খানিকটা সময় কাটাচ্ছেন। অন্যদিকে, বলিউড তারকা ক্যাটরিনা কাইফ সিদ্ধান্ত নেন তিনি বাকিদের কে করোনা ভাইরাস এর থেকে বাঁচতে কিভাবে আরও সচেতন থাকা যায় সেই সম্পর্কে বার্তা দিলেন। তাই তিনি দেখালেন জল অপচয় না করে বাসনপত্র ধোয়ার সহজ উপায়।

এই ভিডিও-র শুরুতে ক্যাটরিনা বলেন যে, তিনি এবং lzzy (saballe kaif) তারা নিজেদের কে বাড়ির কাজে সাহায্য এবং self-isolation-এ অনুশীলনে রাখতে এই পদক্ষেপ নেন। আসলে তিনি দেখতে চান সত্যই কি তিনি একজন পেশাদারি টিউটোরিয় ।

বাসনপত্র পরিস্কারের সঠিক পদ্ধোতি বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন প্রথমে তিনি সিদ্ধান্ত নেন, বাটিগুলিকে মেজে ধুয়ে তুলে রাখবেন। এরপরও তিনি মনে করেন আরও একটি ভাল উপায় রয়েছে, সমস্ত বাসন গুলিকে প্রথমে তুলে ডুবিয়ে সেগুলিকে এক এক করে না ধুয়ে একসাথে মেজে ধুয়ে তুলে রাখা। এতে জলের অপচয়ও অনেক কম হবে বলে তিনি মনে করেছেন।